রেজিস্ট্যান্স কী? — শক্তিশালী Resistance কীভাবে চিহ্নিত করবেন
technical analysis
29 Aug, 2026 126 Views

রেজিস্ট্যান্স কী? — শক্তিশালী Resistance কীভাবে চিহ্নিত করবেন

Resistance কী?

আগের অধ্যায়ে আমরা শিখেছি Support সম্পর্কে।

Support হলো এমন একটি মূল্যাঞ্চল যেখানে নিচের দিকে আসার পর শেয়ারের দাম থামতে বা ঘুরে দাঁড়াতে পারে।

এবার তার বিপরীত ধারণাটি শিখব—Resistance।

সহজ ভাষায়:

কোনো শেয়ারের দাম ওপরে ওঠার সময় এমন একটি মূল্যাঞ্চল যেখানে বিক্রির চাপ বাড়তে পারে এবং দাম থামতে বা নিচের দিকে প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে, সেটিকে Resistance বলা হয়।

রেজিস্ট্যান্স — ডিএসইপ্লেক্স গ্লসারি

তবে মনে রাখবেন:

Resistance কোনো শক্ত দেয়াল নয়।

দাম Resistance-এর কাছে গেলেই যে অবশ্যই নিচে নামবে, এমন নয়।

দাম Resistance ভেঙে আরও ওপরে উঠতেও পারে।


Resistance কেন তৈরি হয়?

একটি সহজ উদাহরণ দেখি।

ধরুন কোনো শেয়ারের দাম:

১০০ → ১১০ → ১২০ → ১৩০

১৩০ টাকায় গিয়ে অনেক বিনিয়োগকারী মনে করলেন:

“এই দামে কিছু শেয়ার বিক্রি করা যায়।”

ফলে বিক্রির চাপ বাড়ল।

দাম:

১৩০ → ১২৫ → ১২২

হয়ে গেল।

কিছুদিন পর আবার দাম ১৩০ টাকার কাছে এলো।

আবার বিক্রির চাপ দেখা গেল।

ফলে দাম আবার নিচে নামল।

এভাবে একই অঞ্চলে বারবার Price Reaction হলে ওই অঞ্চলটি Resistance Zone হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।


Resistance Level বনাম Resistance Zone

এটি নতুনদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনেকে মনে করেন:

“Resistance হলো ঠিক ১৩০ টাকা।”

কিন্তু বাস্তবে অনেক সময় দাম একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের মধ্যে গিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখায়।

ধরুন:

১২৮ → ১৩০ → ১৩২

এই অঞ্চলে বারবার বিক্রির চাপ দেখা যাচ্ছে।

তাহলে:

১২৮–১৩২ টাকা

একটি Resistance Zone হিসেবে দেখা বেশি বাস্তবসম্মত হতে পারে।

অর্থাৎ:

Resistance অনেক সময় একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা নয়, বরং একটি মূল্যাঞ্চল।


একটি সহজ উদাহরণ

ধরুন কোনো শেয়ারের দাম:

১০০ → ১২০ → ১৩০ → ১২২

তারপর আবার:

১২২ → ১২৯ → ১৩১ → ১২৩

আবার:

১২৪ → ১৩২ → ১২৫

এখানে ১২৯–১৩২ টাকার আশেপাশে বারবার Price Reaction হচ্ছে।

তাই:

সম্ভাব্য Resistance Zone = ১২৯–১৩২ টাকা

এটি শুধু ১৩০ টাকা ধরে নেওয়ার চেয়ে বেশি বাস্তবসম্মত।


Resistance কীভাবে চিহ্নিত করবেন?

Resistance খুঁজতে চার্টের গুরুত্বপূর্ণ Swing High খুঁজুন।

আগের অধ্যায়ে আমরা Swing High সম্পর্কে জেনেছি।

কোনো শেয়ার ওপরে উঠে একটি নির্দিষ্ট জায়গা থেকে আবার নিচে নামলে সেই গুরুত্বপূর্ণ উচ্চবিন্দুটি Swing High হতে পারে।

যদি একই ধরনের Price Reaction একটি অঞ্চলে একাধিকবার দেখা যায়, তাহলে সেটি Resistance হিসেবে পর্যবেক্ষণ করা যায়।


Swing High দিয়ে Resistance চিহ্নিত করুন

ধরুন:

১০০ → ১২০ → ১১০ → ১৩০ → ১১৫ → ১৩২ → ১২০

এখানে গুরুত্বপূর্ণ High:

১২০

১৩০

১৩২

যদি পরবর্তীতে ১৩০–১৩২ অঞ্চলের কাছে আবার Price আটকে যায়, তাহলে এই অঞ্চলটি Resistance হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।


Resistance কীভাবে কাজ করে?

Resistance-এর কাছে সাধারণত দুটি পক্ষের লড়াই দেখা যায়:

ক্রেতা

আরও ওপরে কিনতে চায়।

বিক্রেতা

আগের মূল্যবৃদ্ধির পর মুনাফা নিতে বা শেয়ার বিক্রি করতে চায়।

যদি বিক্রেতাদের চাপ বেশি হয়, তাহলে Price Resistance থেকে নিচে নেমে যেতে পারে।

আবার ক্রেতাদের চাপ শক্তিশালী হলে Resistance ভেঙে Price আরও ওপরে যেতে পারে।

এই কারণেই Resistance-কে একটি সম্ভাব্য বাধা বা Supply Zone হিসেবে দেখা যায়।


Supply-এর সঙ্গে Resistance-এর সম্পর্ক

Resistance-এর কাছে অনেক সময় বিক্রির আগ্রহ বা Supply বাড়তে পারে।

সহজভাবে:

Demand বেশি → Price ওপরে যাওয়ার চাপ

Supply বেশি → Price নিচে আসার চাপ

এই Demand ও Supply ধারণা Technical Analysis-এর অনেক জায়গায় কাজে লাগবে।

তবে এখন মূল লক্ষ্য হলো:

Resistance হলো এমন একটি Price Zone যেখানে ওপরে ওঠার সময় বিক্রির চাপ দেখা দিতে পারে।


Strong Resistance কী?

একটি Resistance তুলনামূলকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে যদি:

  • সেখানে একাধিকবার Price আটকে যায়

  • প্রতিবার উল্লেখযোগ্য পতন হয়

  • বড় Timeframe-এও একই অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ

  • Volume উল্লেখযোগ্য থাকে

  • আগের গুরুত্বপূর্ণ Swing High সেখানে থাকে

  • Trendline Resistance-এর সঙ্গে মিলে যায়

  • পুরোনো Support পরে Resistance হয়েছে

তবে মনে রাখবেন:

Strong Resistance কোনো স্থায়ী বা নিশ্চিত বাধা নয়।

বাজারের পরিস্থিতি পরিবর্তিত হলে এটি ভেঙে যেতে পারে।


Weak Resistance কী?

ধরুন একটি শেয়ার একবার ১০০ টাকায় গিয়ে সামান্য কমে ৯৯ টাকায় এলো।

শুধু এই একটি ঘটনা দেখে ১০০ টাকা খুব শক্তিশালী Resistance বলা ঠিক হবে না।

কারণ:

  • একবারই Test হয়েছে

  • Reaction খুব ছোট

  • অন্য কোনো Confirmation নেই

তাই এটিকে তুলনামূলকভাবে দুর্বল Resistance হিসেবে দেখা যেতে পারে।


Resistance কতবার Test হয়েছে?

ধরুন একটি শেয়ার:

প্রথমবার → ১৩০ → নিচে

দ্বিতীয়বার → ১৩২ → নিচে

তৃতীয়বার → ১৩১ → নিচে

এখন ১৩০–১৩২ অঞ্চলের Resistance অনেক বেশি নজরে আসবে।

কারণ Price বারবার এই অঞ্চলে এসে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে।

তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

অনেকবার Test হয়েছে মানেই Resistance সবসময় আরও শক্তিশালী হবে—এমন নয়।

বারবার Test-এর পর একসময় ক্রেতারা বিক্রির চাপ শোষণ করে Resistance ভেঙেও ফেলতে পারে।

তাই Test-এর সঙ্গে Price Behaviour ও Volume দেখতে হবে।


Resistance + Candlestick

Resistance Zone-এ Price পৌঁছানোর পর কোন ধরনের Candle তৈরি হচ্ছে সেটি গুরুত্বপূর্ণ।

ধরুন:

Resistance = ১৩০–১৩২

Price সেখানে গিয়ে একটি Shooting Star তৈরি করল।

এতে ওপরে গিয়ে Price প্রত্যাখ্যাত হয়েছে কি না তা বিশ্লেষণ করা যায়।

আবার একটি শক্তিশালী Bearish Candle তৈরি হলে বিক্রির চাপের বিষয়টি আরও পর্যবেক্ষণ করা যেতে পারে।

ক্যান্ডেলস্টিক — ডিএসইপ্লেক্স গ্লসারি

কিন্তু মনে রাখবেন:

Resistance + একটি Bearish Candle = নিশ্চিত Sell Signal নয়।

পরবর্তী Price Action ও Volume দেখতে হবে।


Resistance + Volume

Resistance Break বোঝার ক্ষেত্রে Volume বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

ধরুন:

Price = Resistance-এর কাছে

তারপর:

Resistance Break + বড় Volume

হলো।

এটি Breakout-এর শক্তি যাচাই করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হতে পারে।

অন্যদিকে Price সামান্য Resistance-এর ওপরে গেল কিন্তু Volume খুব দুর্বল থাকলে False Breakout কি না তা পর্যবেক্ষণ করা যেতে পারে।

ভলিউম — ডিএসইপ্লেক্স গ্লসারি


Resistance + Trendline

আগের অধ্যায়ে আমরা Downtrend Line শিখেছি।

Downtrend-এ গুরুত্বপূর্ণ Lower High-গুলো যুক্ত করে একটি Trendline আঁকা যায়।

যদি Price বারবার সেই Trendline-এর কাছে গিয়ে নিচে ফিরে আসে, তাহলে Trendline একটি Dynamic Resistance হিসেবে কাজ করছে কি না তা দেখা যায়।

অর্থাৎ Resistance দুই ধরনের হতে পারে:

Horizontal Resistance

এবং

Dynamic Resistance

ট্রেন্ডলাইন — ডিএসইপ্লেক্সের ট্রেন্ডলাইন গ্লসারি


Dynamic Resistance কী?

Horizontal Resistance সাধারণত একটি নির্দিষ্ট মূল্যাঞ্চলে অবস্থান করে।

কিন্তু Downtrend Line সময়ের সঙ্গে নিচের দিকে নেমে আসে।

তাই সেটিকে Dynamic Resistance হিসেবে দেখা যেতে পারে।

উদাহরণ:

আজ Resistance = ১৫০

কিছুদিন পরে = ১৪৫

আরও পরে = ১৩৮

অর্থাৎ Resistance সময়ের সঙ্গে নিচে নেমে আসছে।


Moving Average কি Resistance হতে পারে?

হ্যাঁ।

Downtrend-এর সময় কোনো Moving Average-এর কাছে Price বারবার গিয়ে নিচে নেমে এলে সেই Moving Average-কে Dynamic Resistance হিসেবে পর্যবেক্ষণ করা যায়।

যেমন:

Price → Moving Average → Reject → নিচে

তবে এখন Moving Average-এর বিস্তারিত বিশ্লেষণে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।

আমরা পরবর্তী অধ্যায়ে Moving Average নিয়ে আলাদাভাবে আলোচনা করব।


Resistance Break কী?

এবার আসি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশে।

ধরুন একটি শেয়ারের Resistance:

১৩০–১৩২ টাকা

দাম:

১২০ → ১২৮ → ১৩১ → ১৩৫ → ১৪০

এখানে Price Resistance Zone-এর ওপরে উঠে গেছে।

এটিকে Resistance Break বা Breakout হিসেবে বিশ্লেষণ করা যেতে পারে।

ব্রেকআউট — ডিএসইপ্লেক্স গ্লসারি

কিন্তু শুধু Intraday-তে ১৩৫ টাকা পর্যন্ত যাওয়া মানেই নিশ্চিত Breakout নয়।

Close কোথায় হয়েছে তা গুরুত্বপূর্ণ।


Breakout-এর সময় কী দেখবেন?

Resistance Break হলে কয়েকটি প্রশ্ন করুন:

১. Candle কি Resistance-এর ওপরে Close করেছে?

শুধু সাময়িকভাবে ওপরে যাওয়া এবং ওপরে Close করা এক বিষয় নয়।

২. Volume কি বেড়েছে?

Break-এর সময় উল্লেখযোগ্য Volume আছে কি?

৩. Candle-এর Body কেমন?

শক্তিশালী Bullish Body হয়েছে কি?

৪. আগের Resistance কি ধরে রাখা হয়েছে?

পরবর্তীতে Price আবার ওই অঞ্চলে ফিরে এলে কী করছে?

৫. Retest হয়েছে কি?

পুরোনো Resistance আবার Test করা হয়েছে কি?


Breakout-এর পরে Retest

ধরুন:

Resistance = ১৩০–১৩২

Price:

১২৫ → ১৩০ → ১৩৫

Resistance Break হলো।

এরপর Price আবার:

১৩৫ → ১৩১ → ১৩৮

হলো।

এখানে ১৩০–১৩২ অঞ্চলে Price ফিরে এসেছে।

এখন আমরা দেখব:

পুরোনো Resistance কি নতুন Support হিসেবে কাজ করছে?

যদি Price ওই অঞ্চলে এসে ধরে রাখে এবং আবার ওপরে যায়, তাহলে এটি Breakout-এর Confirmation হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

এই ধারণাটিকে পরবর্তী অধ্যায়গুলোতে বিস্তারিতভাবে শেখানো হবে।


Resistance কি পরে Support হতে পারে?

হ্যাঁ।

এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধারণা।

ধরুন:

Resistance = ১৩০ টাকা

Price কয়েকবার ১৩০ টাকায় গিয়ে আটকে গেল।

তারপর একদিন:

১২৫ → ১৩০ → ১৩৫ → ১৪০

অর্থাৎ Resistance Break হলো।

এরপর Price আবার ১৩০ টাকার কাছে এলো।

যদি এবার ১৩০ টাকার আশেপাশে বিক্রির বদলে ক্রেতারা সক্রিয় হয় এবং Price আবার ওপরে ওঠে, তাহলে পুরোনো Resistance নতুন Support হিসেবে কাজ করছে কি না তা বিশ্লেষণ করা যায়।

সহজভাবে:

Resistance Break হওয়ার পর পুরোনো Resistance ভবিষ্যতে Support হতে পারে।

এটিকে Role Reversal বলা হয়।


Support থেকে Resistance

এবার আগের অধ্যায়ের ধারণাটিও মনে করুন।

যদি:

Support Break

হয়,

তাহলে পুরোনো Support ভবিষ্যতে Resistance হতে পারে।

অর্থাৎ:

Support → Break → Resistance

আবার:

Resistance → Break → Support

এই দুটি ধারণা Technical Analysis-এ খুব গুরুত্বপূর্ণ।


একটি DSE উদাহরণ

ধরুন কোনো DSE শেয়ারের দৈনিক চার্টে দেখা গেল:

১০০ → ১১০ → ১২০ → ১৩০ → ১২২

আবার:

১২২ → ১২৯ → ১৩১ → ১২৩

আবার:

১২৪ → ১৩২ → ১২৫

এখানে ১২৯–১৩২ অঞ্চলে বারবার Price আটকে যাচ্ছে।

তাই:

Resistance Zone = ১২৯–১৩২

এখন যদি ভবিষ্যতে Price:

১৩২ → ১৩৫ → ১৪০

যায় এবং Resistance-এর ওপরে শক্তিশালীভাবে Close করে, তাহলে Breakout হয়েছে কি না তা বিশ্লেষণ করা যায়।

এরপর Price যদি আবার:

১৪০ → ১৩২ → ১৩৮

হয়, তাহলে ১৩২ অঞ্চলের Retest হচ্ছে কি না দেখা যায়।

এভাবেই Resistance শুধু একটি লাইন নয়—একটি সম্পূর্ণ Price Behaviour-এর গল্প।


DSE শেয়ারে Resistance কীভাবে অনুশীলন করবেন?

DSEPlex-এর যেকোনো শেয়ারের Chart খুলুন।

DSEPlex চার্ট

তারপর:

ধাপ ১

Daily Chart নির্বাচন করুন।

ধাপ ২

গত কয়েক সপ্তাহ বা কয়েক মাসের Price Movement দেখুন।

ধাপ ৩

যেখানে Price বারবার ওপরে গিয়ে ফিরে এসেছে, সেগুলো চিহ্নিত করুন।

ধাপ ৪

একই অঞ্চলে একাধিক High থাকলে সেটিকে একটি Resistance Zone হিসেবে বিবেচনা করুন।

ধাপ ৫

Resistance-এর কাছে Candlestick দেখুন।

ধাপ ৬

Volume দেখুন।

ধাপ ৭

Price Resistance-এর ওপরে Close করলে সেটিকে Breakout হিসেবে যাচাই করুন।

ধাপ ৮

Breakout-এর পরে Retest হচ্ছে কি না দেখুন।


Resistance আঁকার সময় একটি সাধারণ ভুল

ধরুন তিনটি High:

১২৯.২০

১৩১.৫০

১৩০.৮০

নতুনরা হয়তো শুধু:

১৩০ টাকা

এ একটি সরু লাইন আঁকবে।

কিন্তু বাস্তবে Price প্রায় ১২৯–১৩২ অঞ্চলে প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে।

তাই অনেক ক্ষেত্রে:

১২৯–১৩২ = Resistance Zone

হিসেবে দেখা বেশি বাস্তবসম্মত।


Resistance কি সবসময় কাজ করবে?

না।

কোনো Resistance নিশ্চিত নয়।

Price Resistance ভেঙে যেতে পারে।

এর কারণ হতে পারে:

  • কোম্পানির ভালো ফলাফল

  • গুরুত্বপূর্ণ কর্পোরেট ঘোষণা

  • বাজারে হঠাৎ ক্রেতার চাপ

  • সামগ্রিক বাজারের শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা

  • বড় Volume

  • নতুন বিনিয়োগকারীর অংশগ্রহণ

তাই:

Resistance হলো সম্ভাব্য বাধা, নিশ্চিত বাধা নয়।


Strong Resistance বনাম Weak Resistance

বিষয়

শক্তিশালী Resistance

দুর্বল Resistance

Test

একাধিক

একবার বা খুব কম

Price Reaction

উল্লেখযোগ্য

সামান্য

Timeframe

বড় Timeframe-এও গুরুত্বপূর্ণ

ছোট Timeframe

Volume

উল্লেখযোগ্য হতে পারে

দুর্বল

Swing High

গুরুত্বপূর্ণ High

ছোট High

Confluence

একাধিক Technical Factor

একক Factor

তবে এটিকে কঠোর নিয়ম হিসেবে নয়, বিশ্লেষণের কাঠামো হিসেবে ব্যবহার করুন।


Resistance + Trend

Trend-এর অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ।

Uptrend-এর মধ্যে Resistance

Price ওপরে যাচ্ছে, কিন্তু সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ Resistance আছে।

এখানে Breakout হবে নাকি Pullback হবে তা পর্যবেক্ষণ করা যায়।

Downtrend-এর মধ্যে Resistance

Price নিচের দিকে যাচ্ছে এবং প্রতিবার Resistance থেকে নিচে নামছে।

এখানে Resistance আরও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

Sideways Market

Price বারবার একই Resistance Zone-এ গিয়ে ফিরে আসতে পারে।

এক্ষেত্রে Support এবং Resistance মিলে একটি Range তৈরি করতে পারে।


Resistance + Candlestick + Volume

এখন তিনটি বিষয় একসঙ্গে দেখি।

ধরুন:

Resistance = ১৩০–১৩২

Price সেখানে গেল।

তারপর:

লম্বা ওপরের Wick

তৈরি হলো।

এবং:

Volume বৃদ্ধি

পাওয়া গেল।

এখানে আমরা ওপরের দিকে Price Rejection এবং বিক্রির অংশগ্রহণের বিষয়টি আরও গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করতে পারি।

আবার:

বড় Bullish Candle + Resistance Break + উচ্চ Volume

হলে Breakout-এর শক্তি যাচাই করার জন্য সেটি গুরুত্বপূর্ণ পরিস্থিতি হতে পারে।

এখানে আমরা এখনও Buy/Sell সিদ্ধান্ত দিচ্ছি না।

আমরা শুধু Price Behaviour পড়ছি।

এটাই Technical Analysis শেখার সঠিক পদ্ধতি।


নতুনদের ৮টি সাধারণ ভুল

ভুল ১

একটি High দেখেই Resistance ধরে নেওয়া।

ভুল ২

Resistance-কে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা মনে করা।

ভুল ৩

Resistance-এ পৌঁছালেই Sell করা।

ভুল ৪

Intraday-তে সামান্য ওপরে গেলেই Breakout বলা।

ভুল ৫

Breakout-এর সময় Volume না দেখা।

ভুল ৬

Breakout-এর পরে Retest না দেখা।

ভুল ৭

বড় Timeframe-এর Resistance উপেক্ষা করা।

ভুল ৮

একটি Resistance কাজ না করলেই মনে করা Technical Analysis কাজ করে না।


Resistance বিশ্লেষণের সহজ Checklist

কোনো শেয়ারের Resistance খুঁজে এই প্রশ্নগুলো করুন:

১. আগে কি এই অঞ্চলে Price আটকে গেছে?

২. কতবার Test হয়েছে?

৩. প্রতিবার Reaction কতটা শক্তিশালী ছিল?

৪. এটি একটি Level নাকি Zone?

৫. গুরুত্বপূর্ণ Swing High আছে কি?

৬. Volume কেমন ছিল?

৭. Resistance-এর কাছে কোন Candlestick তৈরি হয়েছে?

৮. Trend কী?

৯. Trendline Resistance আছে কি?

১০. Resistance Break হলে Close কোথায় হয়েছে?

১১. Break-এর সময় Volume কেমন?

১২. Breakout-এর পরে Retest হয়েছে কি?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে পারলে Resistance Analysis-এর ভালো ভিত্তি তৈরি হবে।


Support ও Resistance একসঙ্গে বুঝুন

এখন আগের দুই অধ্যায়ের ধারণা একসঙ্গে দেখি।

ধরুন:

Support = ১০০–১০২

Resistance = ১২৯–১৩২

Price এই দুই অঞ্চলের মধ্যে ঘুরছে।

এখন:

১০০ → ১১০ → ১৩০ → ১২০ → ১০১ → ১১৫ → ১৩১

এটি একটি Range-bound Market-এর মতো আচরণ করতে পারে।

সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স — ডিএসইপ্লেক্স গ্লসারি

পরবর্তী পর্যায়ে আমরা শিখব কীভাবে এই Range-এর Breakout বা Breakdown বিশ্লেষণ করতে হয়।


এই অধ্যায়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা

Resistance মানে এমন কোনো জায়গা নয় যেখানে দাম অবশ্যই থামবে।

বরং:

Resistance হলো এমন একটি সম্ভাব্য Price Zone যেখানে ওপরে ওঠার সময় বিক্রির চাপ বাড়তে পারে এবং Price প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে।

একটি ভালো Resistance Analysis করতে হলে দেখবেন:

Swing High

↓

Resistance Zone

↓

Candlestick

↓

Volume

↓

Trend

↓

Breakout

↓

Retest

এই পুরো Price Behaviour একসঙ্গে বিশ্লেষণ করতে হবে।


সহজে মনে রাখুন

Support

নিচে সম্ভাব্য ক্রেতার আগ্রহ

Resistance

ওপরে সম্ভাব্য বিক্রির চাপ

Support Break

পুরোনো Support ভবিষ্যতে Resistance হতে পারে

Resistance Break

পুরোনো Resistance ভবিষ্যতে Support হতে পারে

Resistance + Breakout + Confirmation

গুরুত্বপূর্ণ Price Behaviour


ছোট্ট অনুশীলন

DSEPlex-এর একটি শেয়ারের Daily Chart খুলুন।

DSEPlex চার্ট

গত কয়েক মাসের Chart দেখুন।

তারপর তিনটি সম্ভাব্য Resistance Zone খুঁজুন।

প্রতিটির জন্য লিখুন:

Resistance Zone: ?

কতবার Test: ?

সর্বশেষ Reaction: ?

Candlestick: ?

Volume: ?

Trend: ?

তারপর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন:

“Price আবার এই Resistance Zone-এ গেলে আমি Breakout নাকি Rejection—কীভাবে আলাদা করব?”

এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার অভ্যাস আপনাকে পরবর্তী অধ্যায়ের জন্য প্রস্তুত করবে।


পরবর্তী অধ্যায়

অধ্যায় ৯: Support ও Resistance একসঙ্গে — Price-এর গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল কীভাবে চিহ্নিত করবেন

পরবর্তী অধ্যায়ে আমরা আলাদা আলাদা Support ও Resistance থেকে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাব।

শিখব:

  • Support ও Resistance একসঙ্গে কীভাবে ব্যবহার করবেন

  • Support Zone বনাম Resistance Zone

  • Range কী

  • Range-এর মধ্যে Price কীভাবে চলাচল করে

  • Support থেকে Resistance পর্যন্ত Price Movement

  • Resistance থেকে Support পর্যন্ত Price Movement

  • Breakout

  • Breakdown

  • False Breakout

  • Retest

  • Role Reversal

  • Strong Level কীভাবে চিহ্নিত করবেন

  • একাধিক Timeframe-এ Level যাচাই

  • Candlestick + Volume দিয়ে Level যাচাই

  • DSE শেয়ারে বাস্তব উদাহরণ

  • নতুনদের সাধারণ ভুল

এরপর আমরা ধীরে ধীরে যাব Breakout ও Breakdown-এর দিকে।

এই টিউটোরিয়ালটি কি আপনার জন্য উপকারী ছিল?

Latest Price
Workspace
AI Desk
Profile