DSEPlex Academy

অনুসন্ধানের ফলাফল

আপনি খুঁজছেন: "Market Depth"

মোট 4 টি ফলাফল পাওয়া গেছে

শেয়ারের দাম কীভাবে ওঠানামা করে? Bid, Ask ও Bid-Ask Spread-এর বিস্তারিত নির্দেশিকা
market basics 06 Sep, 2026

শেয়ারের দাম কীভাবে ওঠানামা করে? Bid, Ask ও Bid-Ask Spread-এর বিস্তারিত নির্দেশিকা

শেয়ারের দাম কেন প্রতি সেকেন্ডে পরিবর্তিত হয়? বাজারে ক্রেতা ও বিক্রেতার দরকষাকষি, Bid, Ask, Spread এবং Market Depth কীভাবে কাজ করে তার বাস্তব ও সহজ ব্যাখ্যা। শেয়ার বাজারে কোনো নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা স্টক এক্সচেঞ্জ নিজে থেকে কোনো কোম্পানির শেয়ারের দর নির্ধারণ করে দেয় না। শেয়ারের দাম সম্পূর্ণভাবে পরিচালিত হয় মুক্ত বাজারের প্রধান নীতি—চাহিদা ও সরবরাহ (Demand and Supply) এবং ক্রেতা-বিক্রেতার পারস্পরিক দরকষাকষির ওপর ভিত্তি করে। চাহিদা ও সরবরাহ কীভাবে মূল্য নির্ধারণ করে? একটি সাধারণ কাঁচাবাজারে যেভাবে দ্রব্যের দাম ওঠানামা করে, শেয়ার বাজারেও ঠিক একই নিয়ম প্রযোজ্য। চাহিদা বেশি, সরবরাহ কম (দাম বৃদ্ধি): কোনো কোম্পানির শেয়ার কেনার জন্য যদি বহু বিনিয়োগকারী আগ্রহী থাকেন কিন্তু সেই তুলনায় বাজারে বিক্রেতা কম থাকে, তাহলে শেয়ারটি পাওয়ার জন্য ক্রেতারা বেশি দাম দিতে রাজি হন। ফলে শেয়ারের দাম বাড়তে থাকে। সরবরাহ বেশি, চাহিদা কম (দাম হ্রাস): কোনো প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে নেতিবাচক খবর এলে বা বিনিয়োগকারীরা মুনাফা তুলে নিতে চাইলে অনেকে একসঙ্গে শেয়ার বিক্রির চেষ্টা করেন। ক্রেতার তুলনায় বিক্রেতার চাপ বেশি হলে শেয়ার দ্রুত বিক্রি করার জন্য বিক্রেতারা কম দামে রাজি হন, ফলে শেয়ারের দাম কমে যায়। ট্রেডিং চলাকালীন মোবাইল অ্যাপ বা কম্পিউটারের স্ক্রিনে যে দাম পরিবর্তন হতে দেখা যায়, তা মূলত ক্রেতা ও বিক্রেতার চলমান প্রস্তাবের ফলাফল। Bid Price কী? Bid Price হলো বাজারে কোনো একটি নির্দিষ্ট মুহূর্তে শেয়ারটি কেনার জন্য ক্রেতা সর্বোচ্চ যে মূল্য দিতে ইচ্ছুক। ধরুন, একটি কোম্পানির শেয়ার কেনার জন্য একাধিক ক্রেতা বিভিন্ন দাম প্রস্তাব করেছেন: ক্রেতা ক: ৪৯.৫০ টাকা ক্রেতা খ: ৪৯.৮০ টাকা ক্রেতা গ: ৫০.০০ টাকা এখানে বাজারে সর্বোচ্চ প্রস্তাবিত ক্রয়মূল্য হলো ৫০.০০ টাকা। ট্রেডিং স্ক্রিনে এই ৫০.০০ টাকাই হবে বর্তমান সর্বোচ্চ Bid Price। আপনি যদি তৎক্ষণাৎ শেয়ার বিক্রি করতে চান, তবে সর্বোচ্চ এই দামে বিক্রি করতে পারবেন। Ask Price (বা Offer Price) কী? Ask Price হলো বাজারে থাকা বিক্রেতা তার শেয়ার বিক্রি করার জন্য সর্বনিম্ন যে মূল্য গ্রহণ করতে প্রস্তুত। ধরুন, শেয়ারটির বিক্রেতারা বিভিন্ন দামে বিক্রির প্রস্তাব দিয়ে রেখেছেন: বিক্রেতা ১: ৫০.৫০ টাকা বিক্রেতা ২: ৫০.৮০ টাকা বিক্রেতা ৩: ৫১.০০ টাকা এখানে বিক্রেতাদের মধ্যে সবচেয়ে কম দামে বিক্রি করতে রাজি বিক্রেতা ১ (৫০.৫০ টাকা)। এটিই হবে বর্তমান সর্বনিম্ন Ask Price। আপনি যদি তৎক্ষণাৎ বাজার থেকে শেয়ার কিনতে চান, তবে এই সর্বনিম্ন মূল্যে কিনতে হবে। Bid-Ask Spread কী এবং এর গুরুত্ব কী? বাজারে সর্বোচ্চ ক্রয়মূল্য (Bid) এবং সর্বনিম্ন বিক্রয়মূল্যের (Ask) মধ্যকার ব্যবধানকে Bid-Ask Spread বলা হয়। $$\text{Bid-Ask Spread} = \text{Ask Price} - \text{Bid Price}$$ উপরের উদাহরণ অনুযায়ী: Ask Price = ৫০.৫০ টাকা Bid Price = ৫০.০০ টাকা Spread = ০.৫০ টাকা স্প্রেডের পরিমাণ দেখে বোঝা যায় বাজারে লেনদেনের তারল্য বা Liquidity কেমন: ন্যারো স্প্রেড (Narrow Spread): যেসব শেয়ারে লেনদেনের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে, সেগুলোতে Bid এবং Ask-এর ব্যবধান খুব কম হয় (যেমন—১০ পয়সা বা ২০ পয়সা)। এতে বিনিয়োগকারী তাৎক্ষণিকভাবে ন্যায্য মূল্যে শেয়ার কেনাবেচা করতে পারেন। ওয়াইড স্প্রেড (Wide Spread): কম লেনদেন হওয়া বা স্বল্প মূলধনী কোম্পানিতে ক্রেতা ও বিক্রেতার প্রস্তাবিত মূল্যের দূরত্ব অনেক বেশি হতে পারে (যেমন—১ টাকা থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত)। এমন শেয়ারে তাৎক্ষণিক কেনাবেচা করতে গেলে অযথা ক্ষতি হতে পারে। Market Depth বা Order Book কীভাবে পড়তে হয়? ট্রেডিং প্ল্যাটফর্মে প্রতিটি শেয়ারের পাশে একটি চার্ট বা তালিকা দেখা যায়, যাকে মার্কেট ডেপথ (Market Depth) বলা হয়। ক্রেতার তালিকা (Buyer / Bid) বিক্রেতার তালিকা (Seller / Ask) দর (Bid Price) পরিমাণ (Volume) ৫০.০০ ৫,০০০ ৪৯.৮০ ১০,০০০ ৪৯.৫০ ১২,০০০ এই ছকটি দেখে বোঝা যায়: ৫০.০০ টাকায় মোট ৫,০০০টি শেয়ার কেনার অর্ডার জমা আছে। ৫০.৫০ টাকায় মোট ২,০০০টি শেয়ার বিক্রির অর্ডার ঝুলে আছে। যতক্ষণ না কোনো ক্রেতা ৫০.৫০ টাকা দিতে রাজি হচ্ছেন অথবা কোনো বিক্রেতা ৫০.০০ টাকায় নেমে এসে বিক্রি করছেন, ততক্ষণ নতুন কোনো লেনদেন কার্যকর হবে না। যখনই কোনো এক পক্ষ অন্য পক্ষের দাম মেনে নেয়, তখনই লেনদেন সম্পন্ন হয় এবং সেই মূল্যটিই নতুন বাজারদর বা LTP হিসেবে চার্টে প্রতিফলিত হয়।
126 2
পড়ুন →
getting started 07 Oct, 2026

DS30 ও DSES ইনডেক্স: সেরা ৩০টি এবং শরিয়াহ ভিত্তিক শেয়ার কীভাবে ট্র্যাক করবেন?

শেয়ার বাজারে চারশোর বেশি কোম্পানি এবং মিউচুয়াল ফান্ড তালিকাভুক্ত রয়েছে। এতগুলো কোম্পানির মধ্যে ফান্ডামেন্টালি সবচেয়ে ভালো কোম্পানি কোনগুলো বা ইসলামি শরিয়াহ মোতাবেক পরিচালিত কোম্পানি কোনগুলো—নতুন অবস্থায় তা খুঁজে বের করা বেশ কঠিন। বিনিয়োগকারীদের এই কাজটি সহজ করতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (DSE) দুটি বিশেষ সূচক বা ইনডেক্স রয়েছে: DS30 এবং DSES। DSEPlex-এ এই দুটি সূচকের জন্য আলাদা ডেডিকেটেড পেজ রয়েছে, যার মাধ্যমে আপনি সহজেই ফিল্টার করা শেয়ারগুলো দেখতে পারবেন। DS30 (ব্লু-চিপ বা বাজারের সেরা ৩০ কোম্পানি) DS30 হলো ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে মূলধনের আকার, তারল্য (Liquidity) এবং আর্থিক ভিত্তির ওপর নির্ভর করে বাছাই করা শীর্ষ ৩০টি কোম্পানির একটি সূচক। এই কোম্পানিগুলোকে শেয়ার বাজারের ভাষায় "ব্লু-চিপ" (Blue-chip) কোম্পানিও বলা হয়। কেন দেখবেন? যারা বাজারে তুলনামূলক কম ঝুঁকি নিতে চান এবং দীর্ঘমেয়াদে ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানিতে বিনিয়োগ করতে চান, তাদের জন্য DS30-এর শেয়ারগুলো আদর্শ। কীভাবে দেখবেন? DSEPlex-এর সাইডবার মেনু থেকে সরাসরি 'DS30'-এ ক্লিক করুন। এখানে শুধু এই ৩০টি কোম্পানিরই লাইভ দাম, মার্কেট মুভমেন্ট এবং ভলিউম আপনার সামনে ফিল্টার হয়ে চলে আসবে। পুরো বাজারের ভিড়ে ভালো শেয়ারগুলো খুঁজতে আপনাকে আর কষ্ট করতে হবে না। DSES (শরিয়াহ ইনডেক্স) DSES (DSE Shariah Index) হলো সেসব কোম্পানির সূচক, যাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্পূর্ণ ইসলামি শরিয়াহ মোতাবেক পরিচালিত হয়। যেসব কোম্পানি সুদভিত্তিক ঋণ থেকে দূরে থাকে বা শরিয়াহ নিষিদ্ধ কোনো ব্যবসার সাথে যুক্ত নয়, তারাই এই সূচকের অন্তর্ভুক্ত হয়। কেন দেখবেন? অনেক বিনিয়োগকারীই আছেন যারা ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে সম্পূর্ণ হালাল এবং শরিয়াহ সম্মত কোম্পানিতে বিনিয়োগ করতে চান। তাদের জন্যই এই ইনডেক্স। কীভাবে দেখবেন? DSEPlex-এর মেনু থেকে 'DSES'-এ ক্লিক করলেই আপনি শরিয়াহ ভিত্তিক সকল কোম্পানির একটি তালিকা পেয়ে যাবেন। এখানে আপনি নিশ্চিন্তে আপনার পছন্দের কোম্পানির এনালাইসিস করতে পারবেন। DSEPlex-এর সুবিধা সাধারণত ইনডেক্সগুলো শুধু একটি সংখ্যা (যেমন: সূচক ১০ পয়েন্ট বাড়ল) হিসেবে দেখানো হয়। কিন্তু DSEPlex-এ DS30 এবং DSES পেজে গেলে আপনি ওই ইনডেক্সের ভেতরে থাকা প্রতিটি শেয়ারের আলাদা পারফরম্যান্স রিয়েল-টাইমে দেখতে পারবেন। বাজারের সেরা বা শরিয়াহ সম্মত শেয়ারগুলো তো খুঁজে পেলেন, কিন্তু কোনো শেয়ার কেনার আগে কিভাবে বুঝবেন যে সেখানে ক্রেতাদের চাপ বেশি নাকি বিক্রেতাদের? পরবর্তী আর্টিকেলে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো— Market Depth: শেয়ারের ক্রয়-বিক্রয় চাপ (Buy/Sell Pressure) কীভাবে সহজে বুঝবেন?
13
পড়ুন →
Featured
getting started 07 Oct, 2026

Market Depth: শেয়ারের ক্রয়-বিক্রয় চাপ (Buy/Sell Pressure) কীভাবে সহজে বুঝবেন?

শেয়ার বাজারে কোনো কোম্পানির শেয়ারের দাম কেন বাড়ে বা কমে? এর খুব সহজ উত্তর হলো— ডিমান্ড (চাহিদা) এবং সাপ্লাই (যোগান)। যখন বিক্রেতার চেয়ে ক্রেতা বেশি থাকে, তখন দাম বাড়ে; আর যখন ক্রেতার চেয়ে বিক্রেতা বেশি থাকে, তখন দাম কমে। লাইভ মার্কেটে এই ক্রেতা এবং বিক্রেতার সঠিক পরিমাণ বা চাপ (Pressure) বোঝার সবচেয়ে কার্যকর টুল হলো Market Depth (মার্কেট ডেপথ)। DSEPlex-এর Market Depth ফিচার ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই যেকোনো শেয়ারের রিয়েল-টাইম ডিমান্ড এবং সাপ্লাই বুঝতে পারবেন। Market Depth আসলে কী? মার্কেট ডেপথ হলো একটি লাইভ টেবিল বা অর্ডার বুক (Order Book)। এখানে আপনি দেখতে পাবেন বর্তমানে কত দামে কতজন ক্রেতা শেয়ার কিনতে চাচ্ছেন এবং কত দামে কতজন বিক্রেতা শেয়ার বিক্রি করতে চাচ্ছেন। কীভাবে Market Depth দেখবেন? DSEPlex-এর সাইডবার মেনু থেকে সরাসরি 'Market Depth' অপশনে ক্লিক করুন। এরপর সার্চ বক্সে আপনার পছন্দের শেয়ারটির নাম লিখলেই তার লাইভ ডেপথ আপনার সামনে চলে আসবে। কীভাবে মার্কেট ডেপথ পড়বেন? মার্কেট ডেপথের টেবিলে মূলত দুটি অংশ থাকে: Buy (ক্রেতাদের সাইড): এখানে Bid Price (ক্রেতা যে দামে কিনতে চাচ্ছে) এবং Buy Volume (কতগুলো শেয়ার কিনতে চাচ্ছে) দেখানো হয়। Sell (বিক্রেতাদের সাইড): এখানে Ask Price (বিক্রেতা যে দামে বিক্রি করতে চাচ্ছে) এবং Sell Volume (কতগুলো শেয়ার বিক্রি করতে চাচ্ছে) দেখানো হয়। Market Depth থেকে কীভাবে সিদ্ধান্ত নিবেন? ১. ক্রয় চাপ (Buy Pressure): যদি দেখেন Buy-এর ঘরে ক্রেতাদের ভলিউম Sell-এর ঘরের ভলিউমের চেয়ে অনেক বেশি, তার মানে হলো বাজারে ওই শেয়ারটির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কেউ কেউ বেশি দাম দিয়ে হলেও শেয়ারটি কিনতে চাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে শেয়ারটির দাম বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। ২. বিক্রয় চাপ (Sell Pressure): উল্টোদিকে, যদি দেখেন Sell-এর ঘরে বিক্রেতাদের বিশাল ভলিউম জমা হয়ে আছে, কিন্তু কেনার মতো পর্যাপ্ত ক্রেতা নেই, তার মানে সাপ্লাই অনেক বেশি। এমন অবস্থায় পেনিক সেল হতে পারে এবং শেয়ারের দাম কমার ঝুঁকি থাকে। ৩. সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স বোঝা: মার্কেট ডেপথ দেখে ডে-ট্রেডাররা খুব সহজেই বুঝতে পারেন কোন নির্দিষ্ট দামে এসে বিশাল বাই অর্ডার (Support) বা সেল অর্ডার (Resistance) জমে আছে। একটি সতর্কতা: মার্কেট ডেপথ খুবই পাওয়ারফুল একটি টুল, তবে কখনো কখনো বড় বিনিয়োগকারীরা (Smart Money) ফেক (Fake) বা ভুয়া অর্ডার দিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন। তাই মার্কেট ডেপথের সাথে শেয়ারের চার্ট এবং ভলিউম মিলিয়ে দেখাটা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। শেয়ার কেনাবেচার সিদ্ধান্ত তো নিবেন, কিন্তু কোম্পানি বা মার্কেট নিয়ে লেটেস্ট কোনো খবর আছে কি না তা জানবেন কীভাবে? পরবর্তী আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করবো— Market News এবং IPO Corner: বাজারের সব খবর এবং নতুন আইপিও আপডেট কোথায় পাবেন?
15
পড়ুন →
Glossary

শব্দকোষ: Market Depth (বাজারের গভীরতা)

বিভিন্ন মূল্যে বাজারে থাকা ক্রয় ও বিক্রয় অর্ডারের পরিমাণ ও বিস্তৃতি বোঝাতে Market Depth ব্যবহৃত হয়।
পড়ুন →
Latest Price
Workspace
AI Desk
Profile