platform guide
07 Oct, 2026
Sector Analysis এবং Sector Chart: কোন খাতের শেয়ারে এখন বিনিয়োগের সুযোগ বেশি?
শেয়ার বাজারে একটি খুব পরিচিত কথা আছে— "Trend is your friend" (ট্রেন্ডই আপনার বন্ধু)। আর মার্কেটে এই ট্রেন্ড তৈরি হয় মূলত 'সেক্টর রোটেশন (Sector Rotation)'-এর মাধ্যমে।
স্মার্ট মানি বা বড় বিনিয়োগকারীরা কখনোই একসাথে সব খাতের (Sector) শেয়ার কেনেন না। তারা হয়তো এক মাসে 'ব্যাংকিং' খাতে টাকা খাটান, পরের মাসে 'ফার্মাসিউটিক্যালস' এবং তারপর হয়তো 'আইটি' খাতে চলে যান। আপনি যদি ধরতে পারেন যে বর্তমানে বড় বিনিয়োগকারীদের টাকা কোন সেক্টরে ঢুকছে, তবে আপনার লাভের সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যাবে।
এই কাজটি করার জন্যই DSEPlex-এ রয়েছে দুটি দুর্দান্ত টুল: Sector Analysis এবং Sector Chart।
টপ-ডাউন অ্যাপ্রোচ (Top-down Approach) কী? সফল বিনিয়োগকারীরা শেয়ার খোঁজার ক্ষেত্রে 'টপ-ডাউন অ্যাপ্রোচ' ব্যবহার করেন। এর মানে হলো— তারা প্রথমেই কোনো নির্দিষ্ট শেয়ার খোঁজেন না। তারা প্রথমে খোঁজেন "বর্তমানে কোন সেক্টরটি সবচেয়ে ভালো করছে?"। ভালো সেক্টরটি খুঁজে পাওয়ার পর তারা সেই সেক্টরের ভেতরের সেরা শেয়ারটি কেনেন।
Sector Analysis (সেক্টর অ্যানালাইসিস) মেনু থেকে 'Sector Analysis'-এ গেলে আপনি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (DSE) সবগুলো খাতের একটি তুলনামূলক চিত্র দেখতে পাবেন।
এখান থেকে আপনি জানতে পারবেন আজ কোন সেক্টরের মোট মার্কেট ক্যাপ বা ভলিউম (লেনদেন) সবচেয়ে বেশি।
কোন সেক্টরের গড় P/E রেশিও সবচেয়ে কম (অর্থাৎ কোন খাতটি এখন আন্ডারভ্যালুড বা সস্তা অবস্থায় আছে)।
কোন সেক্টর আজ সবচেয়ে বেশি পজিটিভ রিটার্ন দিচ্ছে।
Sector Chart (সেক্টর চার্ট) আমরা তো জানি নির্দিষ্ট শেয়ারের চার্ট হয়, কিন্তু পুরো একটি সেক্টরের কি চার্ট হয়? হ্যাঁ! DSEPlex-এর 'Sector Chart' ফিচারে গিয়ে আপনি চাইলে পুরো 'ফার্মাসিউটিক্যালস' বা 'ইঞ্জিনিয়ারিং' খাতের সম্মিলিত চার্ট দেখতে পারবেন।
এর সুবিধা হলো, আপনি টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস করে দেখতে পারবেন যে পুরো সেক্টরটি কি এখন আপট্রেন্ডে (Uptrend) আছে, নাকি ডাউনট্রেন্ডে (Downtrend) আছে।
যদি দেখেন কোনো একটি সেক্টর চার্টে দীর্ঘদিন পর ব্রেকআউট (Breakout) দিচ্ছে, তার মানে ওই খাতের শেয়ারগুলোতে সামনে ভালো র‍্যালি হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
সেক্টর অ্যানালাইসিস করে তো আপনি খাতের অবস্থা বুঝলেন। কিন্তু সেই খাতের নির্দিষ্ট কোনো কোম্পানির আর্থিক অবস্থা (Fundamental Analysis) কতটা মজবুত, তা যাচাই করবেন কীভাবে?
পরবর্তী আর্টিকেলে আমরা শিখবো— Company P/E, Share Holding এবং Marginable Sec: ফান্ডামেন্টাল তথ্যগুলো কীভাবে যাচাই করবেন?
3
পড়ুন →
platform guide
07 Oct, 2026
Company P/E, Share Holding এবং Marginable Sec: কোম্পানির ফান্ডামেন্টাল অবস্থা কীভাবে যাচাই করবেন?
শেয়ার বাজারে একটি প্রচলিত নিয়ম আছে— "টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আপনাকে বলে কখন কিনতে হবে (When to buy), আর ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস আপনাকে বলে কী কিনতে হবে (What to buy)"।
আপনি যদি এমন কোনো কোম্পানির শেয়ার কেনেন যার ব্যবসার অবস্থা খুব খারাপ, তবে টেকনিক্যাল চার্ট যতোই ভালো দেখাক না কেন, দিন শেষে আপনার লস হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তাই কোনো কোম্পানিতে বিনিয়োগের আগে তার ফান্ডামেন্টাল অবস্থা যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি। DSEPlex-এর তিনটি ফিচারের মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই এই কাজটি করতে পারেন।
১. Company P/E (শেয়ারটি কি সস্তা নাকি দামি?) কোনো শেয়ারের বর্তমান দাম ১০০ টাকা মানেই সেটি দামি নয়, আবার ১০ টাকা মানেই সস্তা নয়। শেয়ারটি সস্তা নাকি দামি, তা বোঝার সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায় হলো P/E Ratio (Price to Earnings Ratio) দেখা।
DSEPlex-এর সাইডবার মেনু থেকে 'Company P/E'-তে ক্লিক করলে আপনি সব কোম্পানির লেটেস্ট P/E রেশিও দেখতে পাবেন।
সহজ কথায়, P/E রেশিও যত কম, শেয়ারটি ফান্ডামেন্টাল দিক থেকে তত বেশি আন্ডারভ্যালুড বা সস্তা হিসেবে বিবেচিত হয় (তবে অবশ্যই কোম্পানির অন্যান্য গ্রোথ দেখতে হবে)।
২. Share Holding (কোম্পানির মালিকানা কাদের হাতে?) একটি কোম্পানির শেয়ার কাদের হাতে আছে, তার ওপর শেয়ারটির ভবিষ্যৎ অনেকখানি নির্ভর করে।
মেনু থেকে 'Share Holding'-এ গেলে আপনি দেখতে পাবেন কোম্পানির কত শতাংশ শেয়ার উদ্যোক্তা/পরিচালক (Sponsor/Director), কত শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী (Institute), এবং কত শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের (Public) হাতে রয়েছে।
কেন এটি জরুরি? যদি দেখেন কোনো কোম্পানির বেশিরভাগ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে (Public holding বেশি), তবে ওই শেয়ারের দাম খুব একটা বাড়ে না। অন্যদিকে, উদ্যোক্তা এবং ইনস্টিটিউটদের কাছে বেশি শেয়ার থাকা মানে হলো তারা কোম্পানিটির ভবিষ্যতের ওপর আস্থা রাখছেন।
৩. Marginable Sec. (মার্জিন সুবিধাযোগ্য শেয়ার) মার্জিন লোন বা ঋণ নিয়ে শেয়ার ব্যবসা করা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। তবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (DSE) শুধুমাত্র সেইসব কোম্পানির শেয়ারেই মার্জিন লোন নেওয়ার অনুমতি দেয়, যাদের ফান্ডামেন্টাল ভিত্তি কিছুটা মজবুত এবং যারা নিয়মিত লভ্যাংশ (Dividend) প্রদান করে (যেমন: 'A' বা 'B' ক্যাটাগরির শেয়ার)।
DSEPlex-এর 'Marginable Sec.' পেজে গেলে আপনি দেখতে পাবেন বর্তমানে কোন কোন কোম্পানির শেয়ারে মার্জিন লোন পাওয়া যায়।
আপনি লোন নিয়ে ট্রেড না করলেও, এই তালিকাটি দেখে অন্তত বুঝতে পারবেন কোন শেয়ারগুলো এক্সচেঞ্জের নজরে তুলনামূলক নিরাপদ।
ফান্ডামেন্টাল যাচাই তো হলো, কিন্তু আপনি কি জানেন মূল বাজারের বাইরেও বড় বড় বিনিয়োগকারীরা আলাদা একটি বাজারে বিশাল অঙ্কের শেয়ার লেনদেন করেন?
পরবর্তী আর্টিকেলে আমরা শিখবো— Block Market এবং SME Market: মূল বাজারের বাইরের লেনদেনের তথ্য কীভাবে দেখবেন?
2
পড়ুন →