Featured
getting started
07 Oct, 2026
Market Depth: শেয়ারের ক্রয়-বিক্রয় চাপ (Buy/Sell Pressure) কীভাবে সহজে বুঝবেন?
শেয়ার বাজারে কোনো কোম্পানির শেয়ারের দাম কেন বাড়ে বা কমে? এর খুব সহজ উত্তর হলো— ডিমান্ড (চাহিদা) এবং সাপ্লাই (যোগান)। যখন বিক্রেতার চেয়ে ক্রেতা বেশি থাকে, তখন দাম বাড়ে; আর যখন ক্রেতার চেয়ে বিক্রেতা বেশি থাকে, তখন দাম কমে।
লাইভ মার্কেটে এই ক্রেতা এবং বিক্রেতার সঠিক পরিমাণ বা চাপ (Pressure) বোঝার সবচেয়ে কার্যকর টুল হলো Market Depth (মার্কেট ডেপথ)। DSEPlex-এর Market Depth ফিচার ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই যেকোনো শেয়ারের রিয়েল-টাইম ডিমান্ড এবং সাপ্লাই বুঝতে পারবেন।
Market Depth আসলে কী? মার্কেট ডেপথ হলো একটি লাইভ টেবিল বা অর্ডার বুক (Order Book)। এখানে আপনি দেখতে পাবেন বর্তমানে কত দামে কতজন ক্রেতা শেয়ার কিনতে চাচ্ছেন এবং কত দামে কতজন বিক্রেতা শেয়ার বিক্রি করতে চাচ্ছেন।
কীভাবে Market Depth দেখবেন? DSEPlex-এর সাইডবার মেনু থেকে সরাসরি 'Market Depth' অপশনে ক্লিক করুন। এরপর সার্চ বক্সে আপনার পছন্দের শেয়ারটির নাম লিখলেই তার লাইভ ডেপথ আপনার সামনে চলে আসবে।
কীভাবে মার্কেট ডেপথ পড়বেন? মার্কেট ডেপথের টেবিলে মূলত দুটি অংশ থাকে:
Buy (ক্রেতাদের সাইড): এখানে Bid Price (ক্রেতা যে দামে কিনতে চাচ্ছে) এবং Buy Volume (কতগুলো শেয়ার কিনতে চাচ্ছে) দেখানো হয়।
Sell (বিক্রেতাদের সাইড): এখানে Ask Price (বিক্রেতা যে দামে বিক্রি করতে চাচ্ছে) এবং Sell Volume (কতগুলো শেয়ার বিক্রি করতে চাচ্ছে) দেখানো হয়।
Market Depth থেকে কীভাবে সিদ্ধান্ত নিবেন?
১. ক্রয় চাপ (Buy Pressure): যদি দেখেন Buy-এর ঘরে ক্রেতাদের ভলিউম Sell-এর ঘরের ভলিউমের চেয়ে অনেক বেশি, তার মানে হলো বাজারে ওই শেয়ারটির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কেউ কেউ বেশি দাম দিয়ে হলেও শেয়ারটি কিনতে চাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে শেয়ারটির দাম বাড়ার সম্ভাবনা থাকে।
২. বিক্রয় চাপ (Sell Pressure): উল্টোদিকে, যদি দেখেন Sell-এর ঘরে বিক্রেতাদের বিশাল ভলিউম জমা হয়ে আছে, কিন্তু কেনার মতো পর্যাপ্ত ক্রেতা নেই, তার মানে সাপ্লাই অনেক বেশি। এমন অবস্থায় পেনিক সেল হতে পারে এবং শেয়ারের দাম কমার ঝুঁকি থাকে।
৩. সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স বোঝা: মার্কেট ডেপথ দেখে ডে-ট্রেডাররা খুব সহজেই বুঝতে পারেন কোন নির্দিষ্ট দামে এসে বিশাল বাই অর্ডার (Support) বা সেল অর্ডার (Resistance) জমে আছে।
একটি সতর্কতা: মার্কেট ডেপথ খুবই পাওয়ারফুল একটি টুল, তবে কখনো কখনো বড় বিনিয়োগকারীরা (Smart Money) ফেক (Fake) বা ভুয়া অর্ডার দিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন। তাই মার্কেট ডেপথের সাথে শেয়ারের চার্ট এবং ভলিউম মিলিয়ে দেখাটা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।
শেয়ার কেনাবেচার সিদ্ধান্ত তো নিবেন, কিন্তু কোম্পানি বা মার্কেট নিয়ে লেটেস্ট কোনো খবর আছে কি না তা জানবেন কীভাবে?
পরবর্তী আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করবো— Market News এবং IPO Corner: বাজারের সব খবর এবং নতুন আইপিও আপডেট কোথায় পাবেন?
15
পড়ুন →
platform guide
07 Oct, 2026
Sector Analysis এবং Sector Chart: কোন খাতের শেয়ারে এখন বিনিয়োগের সুযোগ বেশি?
শেয়ার বাজারে একটি খুব পরিচিত কথা আছে— "Trend is your friend" (ট্রেন্ডই আপনার বন্ধু)। আর মার্কেটে এই ট্রেন্ড তৈরি হয় মূলত 'সেক্টর রোটেশন (Sector Rotation)'-এর মাধ্যমে।
স্মার্ট মানি বা বড় বিনিয়োগকারীরা কখনোই একসাথে সব খাতের (Sector) শেয়ার কেনেন না। তারা হয়তো এক মাসে 'ব্যাংকিং' খাতে টাকা খাটান, পরের মাসে 'ফার্মাসিউটিক্যালস' এবং তারপর হয়তো 'আইটি' খাতে চলে যান। আপনি যদি ধরতে পারেন যে বর্তমানে বড় বিনিয়োগকারীদের টাকা কোন সেক্টরে ঢুকছে, তবে আপনার লাভের সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যাবে।
এই কাজটি করার জন্যই DSEPlex-এ রয়েছে দুটি দুর্দান্ত টুল: Sector Analysis এবং Sector Chart।
টপ-ডাউন অ্যাপ্রোচ (Top-down Approach) কী? সফল বিনিয়োগকারীরা শেয়ার খোঁজার ক্ষেত্রে 'টপ-ডাউন অ্যাপ্রোচ' ব্যবহার করেন। এর মানে হলো— তারা প্রথমেই কোনো নির্দিষ্ট শেয়ার খোঁজেন না। তারা প্রথমে খোঁজেন "বর্তমানে কোন সেক্টরটি সবচেয়ে ভালো করছে?"। ভালো সেক্টরটি খুঁজে পাওয়ার পর তারা সেই সেক্টরের ভেতরের সেরা শেয়ারটি কেনেন।
Sector Analysis (সেক্টর অ্যানালাইসিস) মেনু থেকে 'Sector Analysis'-এ গেলে আপনি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (DSE) সবগুলো খাতের একটি তুলনামূলক চিত্র দেখতে পাবেন।
এখান থেকে আপনি জানতে পারবেন আজ কোন সেক্টরের মোট মার্কেট ক্যাপ বা ভলিউম (লেনদেন) সবচেয়ে বেশি।
কোন সেক্টরের গড় P/E রেশিও সবচেয়ে কম (অর্থাৎ কোন খাতটি এখন আন্ডারভ্যালুড বা সস্তা অবস্থায় আছে)।
কোন সেক্টর আজ সবচেয়ে বেশি পজিটিভ রিটার্ন দিচ্ছে।
Sector Chart (সেক্টর চার্ট) আমরা তো জানি নির্দিষ্ট শেয়ারের চার্ট হয়, কিন্তু পুরো একটি সেক্টরের কি চার্ট হয়? হ্যাঁ! DSEPlex-এর 'Sector Chart' ফিচারে গিয়ে আপনি চাইলে পুরো 'ফার্মাসিউটিক্যালস' বা 'ইঞ্জিনিয়ারিং' খাতের সম্মিলিত চার্ট দেখতে পারবেন।
এর সুবিধা হলো, আপনি টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস করে দেখতে পারবেন যে পুরো সেক্টরটি কি এখন আপট্রেন্ডে (Uptrend) আছে, নাকি ডাউনট্রেন্ডে (Downtrend) আছে।
যদি দেখেন কোনো একটি সেক্টর চার্টে দীর্ঘদিন পর ব্রেকআউট (Breakout) দিচ্ছে, তার মানে ওই খাতের শেয়ারগুলোতে সামনে ভালো র‍্যালি হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
সেক্টর অ্যানালাইসিস করে তো আপনি খাতের অবস্থা বুঝলেন। কিন্তু সেই খাতের নির্দিষ্ট কোনো কোম্পানির আর্থিক অবস্থা (Fundamental Analysis) কতটা মজবুত, তা যাচাই করবেন কীভাবে?
পরবর্তী আর্টিকেলে আমরা শিখবো— Company P/E, Share Holding এবং Marginable Sec: ফান্ডামেন্টাল তথ্যগুলো কীভাবে যাচাই করবেন?
3
পড়ুন →
platform guide
07 Oct, 2026
Block Market এবং SME Market: মূল বাজারের বাইরের লেনদেনের তথ্য কীভাবে দেখবেন?
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (DSE) সাধারণ বিনিয়োগকারীরা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২:২০ পর্যন্ত যে বাজারে শেয়ার কেনাবেচা করেন, তাকে বলা হয় 'মেইন বোর্ড' বা মূল বাজার। কিন্তু আপনি কি জানেন, এই মূল বাজারের পাশাপাশি আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার রয়েছে?
বড় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের লেনদেন এবং ছোট ও মাঝারি কোম্পানিগুলোর জন্য আলাদা এই বাজারগুলো হলো— Block Market এবং SME Market। DSEPlex-এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই এই দুটি বাজারের লাইভ আপডেট নজরে রাখতে পারবেন।
Block Market (ব্লক মার্কেট) কী? ধরুন, কোনো বড় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী বা স্পন্সর একসাথে ১০ কোটি টাকার শেয়ার কিনতে বা বিক্রি করতে চাচ্ছেন। মূল বাজারে এতগুলো শেয়ার একসাথে বিক্রি করলে শেয়ারের দাম ধসে যেতে পারে, আবার কিনতে চাইলে দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যেতে পারে। এই সমস্যা এড়াতে তারা 'ব্লক মার্কেট' ব্যবহার করেন। এখানে ক্রেতা ও বিক্রেতা নিজেদের মধ্যে দাম ও পরিমাণ ঠিক করে বিশাল অঙ্কের (সাধারণত ৫ লাখ টাকার ওপরে) লেনদেন করেন।
কেন ব্লক মার্কেট ট্র্যাক করবেন?
DSEPlex-এর মেনু থেকে 'Block Market'-এ গেলে আপনি দেখতে পাবেন আজ কোন কোম্পানির কতগুলো শেয়ার ব্লক মার্কেটে হাতবদল হয়েছে এবং কত দামে হয়েছে।
এর মাধ্যমে আপনি 'স্মার্ট মানি' বা বড় বিনিয়োগকারীদের গতিবিধি (Smart Money Footprint) বুঝতে পারবেন। যদি দেখেন কোনো নির্দিষ্ট শেয়ার ব্লক মার্কেটে নিয়মিত বিশাল ভলিউমে কেনাবেচা হচ্ছে, তবে বুঝতে হবে ওই শেয়ার নিয়ে বড় কোনো প্ল্যান চলছে।
SME Market (এসএমই মার্কেট) কী? যেসব কোম্পানির মূলধন তুলনামূলক কম (Small and Medium Enterprises) এবং যারা মূল বাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার শর্তগুলো পূরণ করতে পারে না, তাদের মূলধন সংগ্রহের জন্য DSE-তে রয়েছে SME Market।
এই বাজারে সব সাধারণ বিনিয়োগকারী ট্রেড করতে পারেন না। এখানে ট্রেড করার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার পোর্টফোলিও থাকতে হয় (Qualified Investor)।
DSEPlex-এর মেনু থেকে 'SME Market'-এ ক্লিক করলে আপনি এই বাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর লাইভ প্রাইস, ভলিউম এবং মুভমেন্ট দেখতে পাবেন।
এসএমই মার্কেটের শেয়ারগুলোর মূলধন কম হওয়ায় এগুলোর দাম খুব দ্রুত বাড়ে বা কমে। তাই যারা হাই-রিস্ক এবং হাই-রিটার্ন খুঁজছেন, তাদের জন্য এই বাজার ট্র্যাক করা বেশ উপকারী।
মার্কেটের বর্তমান অবস্থা তো বুঝলেন, কিন্তু কোনো কোম্পানির অতীতের পারফরম্যান্স কেমন ছিল, তা কীভাবে জানবেন?
পরবর্তী আর্টিকেলে আমরা শিখবো— Div Archive এবং Data Archive: কোম্পানির ডিভিডেন্ড হিস্ট্রি এবং অতীত রেকর্ড কীভাবে খুঁজবেন?
2
পড়ুন →
Featured
platform guide
07 Oct, 2026
Market Anomalies: বাজারে অস্বাভাবিক দাম বা ভলিউম পরিবর্তন কীভাবে ধরবেন?
শেয়ার বাজারে সাধারণত দাম বাড়ে ভালো কোনো খবর এলে, আর দাম কমে খারাপ কোনো খবরে। কিন্তু ধরুন, কোনো কোম্পানির ফান্ডামেন্টাল তেমন ভালো নয় এবং কোনো পজিটিভ খবরও নেই, তবুও হঠাৎ করে শেয়ারটির লেনদেন (Volume) গত এক মাসের গড়ের চেয়ে ১০ গুণ বেড়ে গেলো!
কিংবা কোনো শেয়ারের দাম কোনো কারণ ছাড়াই টানা কয়েকদিন ধরে শুধু সার্কিট ব্রেক করে বাড়ছে। বাজারের এই ধরনের অস্বাভাবিক এবং সন্দেহজনক আচরণকে বলা হয় 'Market Anomalies' (মার্কেট অ্যানোম্যালিস)। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পক্ষে ৪০০টি শেয়ারের মধ্যে এই অস্বাভাবিক আচরণগুলো খালি চোখে ধরা প্রায় অসম্ভব। কিন্তু DSEPlex-এর Market Anomalies টুলের সাহায্যে আপনি মুহূর্তেই এগুলো ধরে ফেলতে পারবেন।
অ্যানোম্যালিস (Anomalies) ধরা কেন জরুরি? অস্বাভাবিক ভলিউম বা দামের পরিবর্তন সাধারণত ইঙ্গিত দেয় যে 'স্মার্ট মানি' বা বড় কোনো বিনিয়োগকারী চক্র (Syndicate) নিঃশব্দে শেয়ারটি কিনছে (Accumulation) অথবা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মাঝে গুছিয়ে বিক্রি করে দিচ্ছে (Distribution)। আপনি যদি এই অস্বাভাবিক আচরণগুলো আগে থেকে ধরতে পারেন, তবে আপনি তাদের ফাঁদে পা দেওয়া থেকে বেঁচে যেতে পারবেন অথবা সঠিক সময়ে এন্ট্রি নিয়ে লাভবান হতে পারবেন।
DSEPlex-এ Market Anomalies কীভাবে কাজ করে? আমাদের সিস্টেম সারাদিন পুরো মার্কেটকে স্ক্যান করে এবং গাণিতিক অ্যালগরিদমের মাধ্যমে অস্বাভাবিক শেয়ারগুলোকে আলাদা করে ফেলে। মেনু থেকে '🎯 Market Anomalies'-এ ক্লিক করলে আপনি মূলত দুটি জিনিস দেখতে পাবেন:
১. Volume Shockers (অস্বাভাবিক লেনদেন): যেসব শেয়ারের আজকের ভলিউম তাদের গত কয়েক সপ্তাহ বা মাসের গড় ভলিউমের চেয়ে অস্বাভাবিকভাবে অনেক বেশি। ২. Price Shockers (অস্বাভাবিক দামের পরিবর্তন): যেসব শেয়ারের দাম বাজারের স্বাভাবিক গতির চেয়ে খুব দ্রুত এবং অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে বা কমছে।
কীভাবে ট্রেডে ব্যবহার করবেন? Anomalies পেজে কোনো শেয়ারের নাম দেখলেই সাথে সাথে সেটি কিনে ফেলা বা বিক্রি করা উচিত নয়। এটি মূলত আপনাকে একটি "সতর্ক সংকেত" বা "এলার্ট" দেয়। এই তালিকা থেকে শেয়ার বাছাই করে এরপর তার 'Advanced Chart' দেখুন। যদি দেখেন কোনো গুরুত্বপূর্ণ 'রেজিস্ট্যান্স' ব্রেক করে এই অস্বাভাবিক ভলিউম তৈরি হয়েছে, তবে সেটি একটি ভালো এন্ট্রি পয়েন্ট হতে পারে।
মার্কেটের ডেটা এবং অ্যানোম্যালিস তো স্ক্যান করলেন, কিন্তু আপনি কি জানেন এই স্ক্যানিংয়ের কাজটিকে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা AI দিয়ে আরও নিখুঁত ও পাওয়ারফুল করা যায়?
পরবর্তী আর্টিকেলে আমরা আমাদের সবচেয়ে অ্যাডভান্সড ফিচারগুলোর একটি নিয়ে আলোচনা শুরু করবো— AI Market Scanner: আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে কীভাবে স্টক স্ক্যান করবেন?
2
পড়ুন →