DSEPlex Academy

অনুসন্ধানের ফলাফল

আপনি খুঁজছেন: ""

মোট 315 টি ফলাফল পাওয়া গেছে

Featured
getting started 07 Oct, 2026

Virtual Portfolio (পার্ট ২): কীভাবে ট্রেডিং প্র্যাকটিস করে নিজের ভুলগুলো শুধরাবেন?

আগের আর্টিকেলে আমরা দেখেছি DSEPlex-এর Virtual Portfolio ব্যবহার করে কীভাবে কোনো আসল টাকা ছাড়াই শেয়ার কেনাবেচা শুরু করা যায়। কিন্তু শুধু শেয়ার কিনে রেখে দিলেই তো হবে না; এই টুলের আসল উদ্দেশ্য হলো আপনার ট্রেডিং স্কিল বা দক্ষতা বৃদ্ধি করা। আজ আমরা জানবো কীভাবে ভার্চুয়াল পোর্টফোলিওকে কাজে লাগিয়ে আপনি আপনার ট্রেডিংয়ের ভুলগুলো চিহ্নিত করবেন এবং নিজেকে আসল মার্কেটের জন্য প্রস্তুত করবেন। ১. নিজের স্ট্র্যাটেজি টেস্ট করুন ধরুন, আপনি ইউটিউব বা কোনো আর্টিকেল থেকে 'RSI' বা 'Moving Average' ইন্ডিকেটর সম্পর্কে শিখলেন। এখন এই ইন্ডিকেটরটি আসলেই কাজ করে কি না, তা টেস্ট করবেন কীভাবে? ভার্চুয়াল পোর্টফোলিও হলো এর সেরা ল্যাবরেটরি! আপনি আপনার শেখা নিয়ম অনুযায়ী কিছু শেয়ার ভার্চুয়ালি কিনে কয়েকদিন নজরে রাখুন। যদি দেখেন আপনার টার্গেট অনুযায়ী লাভ হচ্ছে, তার মানে আপনার স্ট্র্যাটেজি ঠিক আছে। আর লস হলে বুঝবেন আপনাকে আরও শিখতে হবে। ২. ইমোশন বা আবেগ কন্ট্রোল করা শেয়ার বাজারে ৯৫% মানুষ টাকা হারায় শুধু আবেগের কারণে। দাম একটু কমলেই ভয়ে বিক্রি করে দেওয়া, আবার দাম বাড়তে থাকলে লোভে পড়ে আরও বেশি দামে শেয়ার কেনা— এগুলো নতুনদের সাধারণ ভুল। ভার্চুয়াল পোর্টফোলিওতে ট্রেড করার সময় এই ভার্চুয়াল টাকাগুলোকে আপনার 'আসল টাকা' মনে করে সিদ্ধান্ত নিন। এতে আপনার ট্রেডিং সাইকোলজি (Trading Psychology) শক্তিশালী হবে। ৩. ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া ভার্চুয়াল ট্রেডিংয়ে লস হলে মন খারাপ করবেন না। বরং এই লস হওয়াটাই আপনার জন্য আশীর্বাদ! কারণ এই লস আপনার আসল টাকার হয়নি। যখনই কোনো শেয়ারে লস হবে, নিজেকে প্রশ্ন করুন: আমি কি হুজুগে পড়ে বা কোনো গুজবে কান দিয়ে শেয়ারটি কিনেছিলাম? আমি কি শেয়ারটি অনেক বেশি দামে (Top price) কিনে ফেলেছিলাম? আমি কি স্টপ-লস (Stop-Loss) ব্যবহার করতে ভুলে গিয়েছিলাম? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজলেই আপনি আপনার ভুলগুলো ধরতে পারবেন এবং আসল মার্কেটে সেই ভুলগুলো আর রিপিট করবেন না। একটি ছোট্ট টিপস: ভার্চুয়াল পোর্টফোলিওতে আপনি যখনই কোনো শেয়ার কিনবেন, একটি ডায়েরিতে লিখে রাখুন কেন আপনি শেয়ারটি কিনলেন। সপ্তাহ শেষে ডায়েরিটি মিলিয়ে দেখুন আপনার ধারণা কতটুকু সঠিক ছিল। ট্রেডিং প্র্যাকটিস তো হলো, কিন্তু প্রতিদিন সকালে মার্কেট খোলার পর কীভাবে বুঝবেন আজ কোন শেয়ারগুলো সবচেয়ে বেশি অ্যাকটিভ? পরবর্তী আর্টিকেলে আমরা জানবো— Top Shares এবং Top Movers: আজকের দিনের সেরা শেয়ারগুলো এক ক্লিকে কীভাবে খুঁজে পাবেন?
11
পড়ুন →
getting started 07 Oct, 2026

Top Shares এবং Top Movers: আজকের দিনের সেরা শেয়ারগুলো এক ক্লিকে কীভাবে খুঁজে পাবেন?

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (DSE) প্রতিদিন চারশোর বেশি কোম্পানির শেয়ার কেনাবেচা হয়। এতগুলো কোম্পানির মধ্যে আজ কোন শেয়ারগুলো সবচেয়ে বেশি অ্যাকটিভ বা কোনগুলোর দাম সবচেয়ে বেশি বাড়ছে—তা ম্যানুয়ালি খুঁজে বের করা প্রায় অসম্ভব। ডে-ট্রেডার বা অ্যাকটিভ বিনিয়োগকারীদের এই কাজটি সেকেন্ডের মধ্যে করে দিতে DSEPlex-এ রয়েছে দুটি দুর্দান্ত ফিচার: Top Shares এবং Top Movers। চলুন জেনে নিই কীভাবে এগুলো ব্যবহার করে আপনি বাজারের ট্রেন্ড ধরতে পারবেন। Top Shares (শীর্ষ লেনদেন হওয়া শেয়ার) একটি শেয়ারে যদি কেনাবেচা বা লেনদেন (Volume/Trade Value) খুব কম হয়, তবে সেই শেয়ার কেনা যেমন কঠিন, পরে বিক্রি করাও সমান কঠিন। তাই স্মার্ট বিনিয়োগকারীরা সবসময় এমন শেয়ার খোঁজেন যেখানে অনেক বেশি লেনদেন হচ্ছে। DSEPlex-এর সাইডবার মেনু থেকে 'Top Shares'-এ ক্লিক করলে আপনি দেখতে পাবেন আজ কোন শেয়ারগুলোতে সবচেয়ে বেশি টাকার ট্রেড হচ্ছে এবং কোনগুলোর ভলিউম সবচেয়ে বেশি। যে শেয়ারগুলো Top Shares-এর তালিকায় থাকে, ধরে নেওয়া যায় আজ বাজারে ওই শেয়ারগুলোর প্রতি ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়েরই সবচেয়ে বেশি আগ্রহ রয়েছে। Top Movers (টপ গেইনার এবং টপ লুজার) বাজারের সেন্টিমেন্ট বা পালস বোঝার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো 'Top Movers' দেখা। সাইডবার থেকে 'Top Movers' অপশনে গেলে আপনি আজকের বাজারের Top Gainers (যাদের দাম শতকরা হিসেবে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে) এবং Top Losers (যাদের দাম সবচেয়ে বেশি কমেছে) এর তালিকা পেয়ে যাবেন। এর মাধ্যমে আপনি খুব দ্রুত বুঝতে পারবেন আজ কোন নির্দিষ্ট খাতের বা কোম্পানির শেয়ারগুলো মার্কেটে আধিপত্য বিস্তার করছে। নতুনদের জন্য একটি সতর্কতা: অনেক নতুন বিনিয়োগকারী 'Top Gainers'-এর তালিকায় কোনো শেয়ার দেখলেই সেটি কিনে ফেলেন। এটি একটি মারাত্মক ভুল হতে পারে! একটি শেয়ার যখন টপ গেইনার তালিকায় আসে, তখন তার দাম হয়তো ইতোমধ্যেই অনেক বেড়ে গেছে। তাই শুধু এই তালিকা দেখেই শেয়ার কিনবেন না; বরং তালিকা থেকে শেয়ার বাছাই করে তার 'চার্ট' বা 'ফান্ডামেন্টাল' এনালাইসিস করে তারপর সিদ্ধান্ত নিন। আচ্ছা, শেয়ার বাছাই করা তো শিখলেন, কিন্তু একটি নির্দিষ্ট দাম ও পরিমাণ শেয়ার কিনলে ব্রোকার হাউজের কমিশন ও অন্যান্য খরচ বাদে আপনার ঠিক কত টাকা লাভ বা লস হতে পারে, তার হিসাব করবেন কীভাবে? পরবর্তী আর্টিকেলে আমরা জানবো— Investment Calculator: শেয়ার কেনার আগে লাভ-লসের হিসাব কীভাবে সহজে বের করবেন?
7
পড়ুন →
getting started 07 Oct, 2026

Investment Calculator: শেয়ার কেনার আগে লাভ-লসের হিসাব কীভাবে সহজে বের করবেন?

শেয়ার বাজারে নতুন বিনিয়োগকারীরা প্রায়ই একটি সাধারণ ভুল করেন। ধরুন, আপনি ১০০ টাকা দরে ১০০০টি শেয়ার কিনলেন এবং কিছুদিন পর ১০২ টাকা দরে তা বিক্রি করে দিলেন। আপনি হয়তো ভাবছেন আপনার ২০০০ টাকা লাভ হয়েছে! কিন্তু ব্রোকারেজ হাউজের স্টেটমেন্ট চেক করে দেখলেন আপনার লাভ হয়েছে তার চেয়ে অনেক কম, অথবা হয়তো লস হয়ে গেছে! এর কারণ কী? কারণ শেয়ার কেনা এবং বিক্রি করা— উভয় সময়েই ব্রোকারেজ কমিশন, সরকারি ট্যাক্স (AIT), এবং অন্যান্য কিছু চার্জ (যেমন: হাউলা ও লাগা চার্জ) দিতে হয়। এই জটিল হিসাবটি ম্যানুয়ালি করা বেশ কঠিন। আপনার এই কাজটি একদম সহজ করে দিতে DSEPlex-এ রয়েছে Investment Calculator। Investment Calculator কী? এটি এমন একটি স্মার্ট টুল যেখানে আপনি শেয়ারের ক্রয়মূল্য, সম্ভাব্য বিক্রয়মূল্য এবং শেয়ারের সংখ্যা বসিয়ে দিলে, সমস্ত কমিশন ও চার্জ বাদ দিয়ে আপনার পকেটে ঠিক কত টাকা 'নিট লাভ' (Net Profit) আসবে বা কত টাকা লস হবে, তা এক সেকেন্ডে হিসাব করে দিবে। কীভাবে ব্যবহার করবেন? ১. সাইডবার মেনু থেকে 'Inv. Calculator'-এ ক্লিক করুন। ২. আপনার টার্গেট করা শেয়ারের 'Buy Price' (যে দামে কিনতে চান) এবং 'Quantity' (যতগুলো শেয়ার কিনতে চান) বসান। ৩. এরপর আপনার টার্গেট করা 'Sell Price' (যে দামে বিক্রি করতে চান) বসান। ৪. আপনার ব্রোকারেজ হাউজ আপনার কাছ থেকে কত শতাংশ কমিশন কাটে (যেমন: ০.৪% বা ০.৫%), তা 'Commission Rate'-এর ঘরে বসিয়ে দিন। ব্যাস! ক্যালকুলেটরটি সাথে সাথেই আপনাকে দেখিয়ে দিবে কমিশন বাদে আপনার প্রকৃত লাভ বা লস কত। ব্রেক-ইভেন পয়েন্ট (Breakeven Point) জানা কেন জরুরি? এই ক্যালকুলেটরের সবচেয়ে দারুণ ফিচার হলো এটি আপনাকে আপনার "Breakeven Price" দেখিয়ে দিবে। ব্রেক-ইভেন মানে হলো, ১০০ টাকায় কেনা শেয়ারটি অন্তত কত টাকায় বিক্রি করলে আপনার কোনো লাভও হবে না, আবার কমিশন ও চার্জ বাবদ কোনো লসও হবে না (অর্থাৎ ব্যালেন্স জিরো থাকবে)। শেয়ার কেনার আগেই ব্রেক-ইভেন পয়েন্ট জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরি, যাতে আপনি বুঝতে পারেন অন্তত কতটুকু দাম না বাড়লে আপনি লাভে মুখ দেখবেন না। হিসাব-নিকাশ তো হলো, কিন্তু শেয়ার বাজার নিয়ে পড়াশোনা করার সময় যদি এমন কোনো শব্দ বা টার্ম সামনে আসে যা আপনি বোঝেন না, তখন কী করবেন? পরবর্তী আর্টিকেলে আমরা জানবো— DSEPlex Academy এবং Glossary: বাজারের অজানা শব্দ ও বিষয়গুলো কীভাবে শিখবেন?
9
পড়ুন →
getting started 07 Oct, 2026

DSEPlex Academy এবং Glossary: বাজারের অজানা শব্দ ও বিষয়গুলো কীভাবে শিখবেন?

শেয়ার বাজারে নতুন পা দেওয়ার পর সবচেয়ে বড় যে ধাক্কাটি খেতে হয়, তা হলো এর ভাষা বা শব্দগুলো বুঝতে না পারা। আপনি হয়তো কোনো গ্রুপে বা খবরে পড়লেন: "কোম্পানিটির EPS বেড়েছে, P/E রেশিও এখন আকর্ষণীয় পর্যায়ে আছে এবং চার্টে একটি বুলিশ ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন তৈরি হয়েছে।" একজন নতুন মানুষ হিসেবে এই লাইনটি পড়া আর ভিনদেশি ভাষায় কিছু পড়া— দুটোর মধ্যে খুব একটা পার্থক্য নেই! শেয়ার বাজারে সফল হতে হলে আগে এর ভাষা বুঝতে হবে। আপনার এই শেখার জার্নিকে একদম সহজ করতে DSEPlex নিয়ে এসেছে Academy এবং Stock Glossary। DSEPlex Academy (শেখার উন্মুক্ত পাঠশালা) আপনি বর্তমানে যে আর্টিকেলটি পড়ছেন, এটি DSEPlex Academy-এরই একটি অংশ। সাইডবার মেনু থেকে 'Academy'-তে ক্লিক করলে আপনি শেয়ার বাজার সম্পর্কিত অসংখ্য আর্টিকেল, গাইডলাইন এবং টিউটোরিয়াল পেয়ে যাবেন। একদম বেসিক বিষয় (যেমন: কীভাবে শেয়ার কিনবেন) থেকে শুরু করে অ্যাডভান্সড টেকনিক্যাল ও ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস পর্যন্ত সবকিছু এখানে সহজ বাংলায় ধাপে ধাপে সাজানো আছে। যেকোনো সময় বিনা মূল্যে আপনি এগুলো পড়ে নিজের জ্ঞান বাড়াতে পারেন। Stock Glossary (শেয়ার বাজারের ডিকশনারি) আর্টিকেল পড়ার সময় বা বাজারে ট্রেড করার সময় হুট করে এমন কোনো শব্দ (Term) সামনে চলে আসতে পারে যার অর্থ আপনি জানেন না। যেমন: NAV, Free Float, Circuit Breaker বা RSI কী? এর জন্য গুগলে গিয়ে খোঁজার দরকার নেই। DSEPlex মেনু থেকে সরাসরি 'Stock Glossary'-তে চলে যান। এটি হলো শেয়ার বাজারের একটি A to Z ডিকশনারি। এখানে অ্যালফাবেট (A-Z) অনুযায়ী বাজারের প্রতিটি কঠিন শব্দের অত্যন্ত সহজ ও সাবলীল বাংলা ব্যাখ্যা দেওয়া আছে। বিনিয়োগের আগে জ্ঞানে বিনিয়োগ করুন ওয়ারেন বাফেটের একটি বিখ্যাত কথা আছে, "Risk comes from not knowing what you're doing." (আপনি কী করছেন তা না জানার কারণেই ঝুঁকির সৃষ্টি হয়)। তাই নিজের কষ্টের টাকা বাজারে খাটানোর আগে DSEPlex Academy এবং Glossary ব্যবহার করে প্রতিদিন অন্তত একটি নতুন বিষয় শেখার চেষ্টা করুন। DSEPlex-এর চমৎকার সব ফিচার সম্পর্কে তো জানলেন, কিন্তু সবসময় তো আর ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের সামনে বসে থাকা সম্ভব নয়। চলতে-ফিরতে কীভাবে মার্কেট ট্র্যাক করবেন? পরবর্তী এবং এই ক্যাটাগরির শেষ আর্টিকেলে আমরা জানবো— DSEPlex মোবাইল ভিউ এবং প্রোফাইল সেটিংস: যেকোনো জায়গা থেকে কীভাবে বাজার মনিটর করবেন?
10
পড়ুন →
getting started 07 Oct, 2026

DSEPlex মোবাইল ভিউ এবং প্রোফাইল সেটিংস: যেকোনো জায়গা থেকে কীভাবে বাজার মনিটর করবেন?

কর্মব্যস্ত জীবনে সবসময় ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের সামনে বসে শেয়ার বাজার মনিটর করা সম্ভব হয় না। আপনি হয়তো অফিসে আছেন, ট্রাফিক জ্যামে বসে আছেন, বা ঢাকার বাইরে কোথাও ভ্রমণে আছেন—এমন সময় মার্কেটের একটি বড় মুভমেন্ট মিস হয়ে গেলে আফসোসের সীমা থাকে না। আপনার এই সমস্যার সমাধান দিতে DSEPlex-কে তৈরি করা হয়েছে সম্পূর্ণ মোবাইল-বান্ধব (Mobile-responsive) হিসেবে। DSEPlex অ্যাপ ইনস্টল (PWA) আপনাকে প্লে-স্টোর বা অ্যাপ-স্টোর থেকে আলাদা কোনো ভারী অ্যাপ নামানোর প্রয়োজন নেই। DSEPlex হলো একটি প্রগ্রেসিভ ওয়েব অ্যাপ (PWA)। আপনি মোবাইল ব্রাউজার (Google Chrome বা Safari) থেকে dseplex.com-এ প্রবেশ করলেই মেনুর একদম ওপরে "Install DsePlex App" বা "Add to Home Screen" নামের একটি অপশন দেখতে পাবেন। এটিতে ক্লিক করলেই DSEPlex একটি অ্যাপের মতো আপনার মোবাইলের হোমস্ক্রিনে ইনস্টল হয়ে যাবে। এরপর থেকে এক ক্লিকেই, স্ক্রিনের পুরোটা জুড়ে অত্যন্ত ফাস্ট এবং স্মুথভাবে আপনি মার্কেট মনিটর করতে পারবেন। প্রোফাইল ও বেসিক সেটিংস আপনার DSEPlex অভিজ্ঞতাকে নিজের মতো করে সাজিয়ে নিতে প্রোফাইল সেটিংস ব্যবহার করতে পারেন। লগইন করার পর ওয়েবসাইটের ওপরের ডানদিকে আপনার প্রোফাইল আইকনে ক্লিক করুন। এখান থেকে আপনি আপনার নাম পরিবর্তন, পাসওয়ার্ড আপডেট এবং অন্যান্য পার্সোনাল সেটিংস ম্যানেজ করতে পারবেন। ড্যাশবোর্ড এবং চার্টগুলো এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যা মোবাইলের ছোট স্ক্রিনেও খুব সুন্দরভাবে মানিয়ে যায় এবং চোখের ওপর কোনো চাপ ফেলে না (Dark Theme)। পরবর্তী ধাপে আপনাকে স্বাগতম! অভিনন্দন! এই ১২টি আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনি সফলভাবে DSEPlex-এর বেসিক ফিচারগুলো ব্যবহার করা শিখে গেছেন। এখন আপনি অনায়াসেই মার্কেটের ডেটা দেখতে পারবেন, ভার্চুয়াল পোর্টফোলিও বানাতে পারবেন এবং লাইভ প্রাইস ট্র্যাক করতে পারবেন। কিন্তু শেয়ার বাজারে সাধারণদের চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে থাকতে হলে আপনাকে প্রফেশনাল লেভেলের এনালাইসিস এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (AI) সাহায্য নিতে হবে। আমাদের পরবর্তী ক্যাটাগরি "DSEPlex Guide"-এ আমরা শিখবো কীভাবে Advanced Chart, Market Heatmap, এবং আমাদের অত্যাধুনিক AI Tools (AI Scanner, AI Wealth) ব্যবহার করে আপনি সেরা শেয়ারগুলো খুঁজে বের করবেন!
12
পড়ুন →
platform guide 07 Oct, 2026

Advanced Chart: DSEPlex-এ টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিসের জন্য চার্ট কীভাবে ব্যবহার করবেন?

"Getting Started" সিরিজে আমরা DSEPlex-এর বেসিক ফিচারগুলো সম্পর্কে জেনেছি। এবার আমরা প্রবেশ করছি অ্যাডভান্সড লেভেলে! DSEPlex Guide-এর এই সিরিজে আমরা শিখবো কীভাবে প্রফেশনাল ট্রেডারদের মতো এনালাইসিস করতে হয়। আর টেকনিক্যাল এনালাইসিসের কথা উঠলেই সবার আগে যে জিনিসটি প্রয়োজন, তা হলো একটি শক্তিশালী চার্ট (Chart)। শেয়ার বাজারে অতীত ডেটা বা প্রাইস হিস্ট্রি দেখে ভবিষ্যৎ দামের একটি সম্ভাব্য ধারণা পাওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো চার্ট। DSEPlex-এ প্রফেশনাল ট্রেডারদের জন্য রয়েছে অত্যাধুনিক Advanced Chart। Advanced Chart-এ কী কী সুবিধা রয়েছে? ১. বিভিন্ন টাইমফ্রেম (Timeframes): ডে-ট্রেডিং বা লং-টার্ম ইনভেস্টমেন্ট—আপনার স্ট্র্যাটেজি যাই হোক না কেন, এখানে আপনি ১ মিনিট, ৫ মিনিট, ১ দিন (1D), ১ সপ্তাহ (1W) বা ১ মাসের (1M) টাইমফ্রেমে শেয়ারের দামের ওঠানামা দেখতে পারবেন। ২. ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন (Candlesticks): সাধারণ লাইন চার্টের বদলে এখানে ডিফল্টভাবে 'ক্যান্ডেলস্টিক' চার্ট দেওয়া থাকে। এর মাধ্যমে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন কোনো নির্দিষ্ট দিনে শেয়ারের Open, High, Low এবং Close প্রাইস কত ছিল এবং বাজারে ক্রেতা নাকি বিক্রেতার জোর বেশি ছিল। ৩. পাওয়ারফুল ইন্ডিকেটরস (Indicators): Advanced Chart-এ শত শত টেকনিক্যাল ইন্ডিকেটর বিল্ট-ইন রয়েছে। চার্টের ওপরের মেনু থেকে 'Indicators'-এ ক্লিক করে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় RSI, MACD, Moving Average, Bollinger Bands-এর মতো জনপ্রিয় সব টুল অ্যাড করে নিতে পারবেন। ৪. ড্রয়িং টুলস (Drawing Tools): সাপোর্ট-রেজিস্ট্যান্স (Support & Resistance) আঁকা কিংবা ট্রেন্ডলাইন (Trendline) টানার জন্য চার্টের বাঁ পাশে রয়েছে চমৎকার সব ড্রয়িং টুলস। এছাড়া ফিবোনাচি (Fibonacci) বা বিভিন্ন চার্ট প্যাটার্ন আঁকার সব সুবিধাও এখানে রয়েছে। কীভাবে ব্যবহার করবেন? খুবই সহজ! DSEPlex-এর সাইডবার মেনু থেকে সরাসরি 'Adv. Chart'-এ ক্লিক করুন। এরপর ওপরের সার্চ বক্সে আপনার পছন্দের শেয়ারের নাম লিখলেই তার বিস্তারিত চার্ট আপনার সামনে ওপেন হয়ে যাবে। আপনি চাইলে আপনার এনালাইসিস সেভ (Save) করেও রাখতে পারবেন, যাতে পরবর্তীতে আবার নতুন করে আঁকতে না হয়। একটি শেয়ারের চার্ট তো দেখলেন, কিন্তু আপনি যদি একসাথে একাধিক শেয়ারের চার্ট পাশাপাশি রেখে তুলনা করতে চান? পরবর্তী আর্টিকেলে আমরা শিখবো— Multi Chart: একসাথে একাধিক শেয়ারের চার্ট কীভাবে বিশ্লেষণ করবেন?
3
পড়ুন →
platform guide 07 Oct, 2026

Multi Chart: একসাথে একাধিক শেয়ারের চার্ট কীভাবে বিশ্লেষণ করবেন?

ধরুন, আপনি একই খাতের দুটি ভিন্ন কোম্পানির (যেমন: গ্রামীণফোন এবং রবি) চার্ট এনালাইসিস করছেন। বারবার একটির চার্ট দেখে অন্য ট্যাব ওপেন করে আরেকটির চার্ট দেখা বেশ বিরক্তিকর এবং এতে এনালাইসিসের ফ্লো নষ্ট হয়ে যায়। আবার অনেক সময় ডে-ট্রেডারদের মার্কেটের প্রধান সূচক (DSEX)-এর মুভমেন্টের সাথে নির্দিষ্ট কোনো শেয়ারের মুভমেন্ট মিলিয়ে দেখতে হয়। এই কাজগুলোকে একদম পানির মতো সহজ করতে DSEPlex নিয়ে এসেছে Multi Chart (মাল্টি চার্ট) ফিচার! Multi Chart কী? মাল্টি চার্ট হলো এমন একটি টুল যার সাহায্যে আপনি আপনার স্ক্রিনকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে একই সাথে একাধিক শেয়ারের চার্ট দেখতে পারবেন। এটি প্রফেশনাল ট্রেডারদের জন্য অন্যতম সেরা একটি ফিচার, যা আগে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের নাগালের বাইরে ছিল। Multi Chart-এর চমৎকার কিছু ব্যবহার: ১. সূচকের সাথে তুলনা করা: এক স্ক্রিনে DSEX (প্রধান সূচক) এর চার্ট রাখুন এবং অন্য স্ক্রিনে আপনার কেনা শেয়ারটির চার্ট রাখুন। সূচক কমার সাথে সাথে আপনার শেয়ারটি কতটা শক্তিশালী আচরণ করছে তা সহজেই বুঝতে পারবেন। ২. একই শেয়ারের ভিন্ন টাইমফ্রেম দেখা: ধরুন আপনি একটি শেয়ার কিনবেন। মাল্টি চার্ট ব্যবহার করে একপাশে শেয়ারটির 'ডেইলি (1D)' চার্ট ওপেন করুন লং-টার্ম ট্রেন্ড বোঝার জন্য, এবং অন্য পাশে 'আওয়ারলি (1H)' বা '৫ মিনিটের (5m)' চার্ট ওপেন করুন সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট বের করার জন্য। ৩. একই খাতের শেয়ার তুলনা করা: যেকোনো খাতের লিডিং কোম্পানিগুলোর চার্ট পাশাপাশি রেখে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন আজ কোন কোম্পানিটি বেশি ভালো পারফর্ম করছে। কীভাবে ব্যবহার করবেন? DSEPlex-এর সাইডবার মেনু থেকে '▦ Multi Chart' অপশনটিতে ক্লিক করুন। আপনার স্ক্রিনের ওপরের দিকে লে-আউট (Layout) সিলেক্ট করার অপশন পাবেন। আপনি চাইলে স্ক্রিনকে ২ ভাগে, ৩ ভাগে বা ৪ ভাগে (Grid) ভাগ করে নিতে পারেন। প্রতিটি ভাগের ওপরের সার্চ বক্সে গিয়ে আপনার পছন্দের আলাদা আলাদা শেয়ারের নাম লিখলেই সেগুলো পাশাপাশি ওপেন হয়ে যাবে। চার্ট এনালাইসিস করে তো শেয়ারের ট্রেন্ড বুঝলেন। কিন্তু আপনার নিজস্ব কোনো ফর্মুলা বা স্ট্র্যাটেজি অনুযায়ী চারশো শেয়ারের ভেতর থেকে মাত্র ৩-৪টি সেরা শেয়ার ফিল্টার করে বের করবেন কীভাবে? পরবর্তী আর্টিকেলে আমরা শিখবো— Advanced Screener: ফিল্টার করে কীভাবে আপনার স্ট্র্যাটেজি অনুযায়ী শেয়ার খুঁজবেন?
3
পড়ুন →
platform guide 07 Oct, 2026

Advanced Screener: ফিল্টার করে কীভাবে আপনার স্ট্র্যাটেজি অনুযায়ী শেয়ার খুঁজবেন?

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (DSE) বর্তমানে প্রায় ৪০০-এর বেশি কোম্পানি এবং মিউচুয়াল ফান্ড তালিকাভুক্ত রয়েছে। এখন ধরুন, আপনার এমন কিছু শেয়ার দরকার যাদের P/E রেশিও ১৫ এর নিচে, যারা নিয়মিত ডিভিডেন্ড দেয় এবং যাদের আজকের ভলিউম অনেক বেশি। ৪০০টি কোম্পানির ডেটা ম্যানুয়ালি ঘেঁটে এই শর্তগুলো পূরণ করে এমন শেয়ার বের করাটা খড়ের গাদায় সুঁচ খোঁজার মতোই কঠিন! কিন্তু এই অসাধ্য কাজটি কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে করে দিতে পারে DSEPlex-এর Advanced Screener (অ্যাডভান্সড স্ক্রিনার)। Advanced Screener কী? স্ক্রিনার হলো এমন একটি স্মার্ট টুল যেখানে আপনি আপনার নিজস্ব স্ট্র্যাটেজি বা শর্ত (Parameters) সেট করে দিলে, টুলটি পুরো মার্কেট স্ক্যান করে শুধুমাত্র সেই শেয়ারগুলোই আপনার সামনে এনে দিবে যেগুলো আপনার শর্তগুলো পূরণ করে। কী ধরনের ফিল্টার বা শর্ত আপনি সেট করতে পারবেন? ১. ফান্ডামেন্টাল ফিল্টার (Fundamental Filters): আপনি যদি লং-টার্ম বিনিয়োগকারী হন, তবে ফান্ডামেন্টাল ডেটা দিয়ে স্ক্রিনিং করতে পারেন। যেমন: EPS (আয়) ৫ টাকার বেশি হতে হবে। P/E রেশিও (Price to Earnings) ১০ থেকে ১৫ এর মধ্যে হতে হবে। Dividend Yield (লভ্যাংশ হার) ৫% এর বেশি হতে হবে। ২. টেকনিক্যাল ও প্রাইস ফিল্টার (Technical Filters): আপনি যদি শর্ট-টার্ম বা ডে-ট্রেডার হন, তবে টেকনিক্যাল ডেটা দিয়ে ফিল্টার করতে পারেন। যেমন: শেয়ারের দাম ৫০ টাকা থেকে ১০০ টাকার মধ্যে হতে হবে। আজকের ভলিউম (Volume) ১ মিলিয়নের বেশি হতে হবে। RSI (Relative Strength Index) ৫০ থেকে ৭০ এর ভেতর থাকতে হবে। কীভাবে ব্যবহার করবেন? সাইডবার মেনু থেকে '🔍 Adv. Screener'-এ ক্লিক করুন। আপনার স্ক্রিনে অনেকগুলো ড্রপডাউন এবং স্লাইডার ফিল্টার দেখতে পাবেন। আপনার ট্রেডিং প্ল্যান অনুযায়ী শর্তগুলো (যেমন: P/E, EPS, Volume ইত্যাদি) ইনপুট দিন। নিচে সাথে সাথেই ফিল্টার করা শেয়ারের তালিকা চলে আসবে। ৪০০ শেয়ার থেকে কমে হয়তো আপনার সামনে মাত্র ১০-১২টি সেরা শেয়ারের লিস্ট আসবে, যেগুলো নিয়ে আপনি ফার্দার এনালাইসিস করতে পারবেন। এভাবে স্ক্রিনার ব্যবহার করে আপনি প্রতিদিন আপনার রিসার্চের কয়েক ঘণ্টা সময় বাঁচাতে পারেন। স্ক্রিনার দিয়ে তো সেরা শেয়ার বের করলেন, কিন্তু পুরো বাজারের সামগ্রিক মুড বা সেন্টিমেন্ট আজ কেমন—তা এক পলকে বুঝবেন কীভাবে? পরবর্তী আর্টিকেলে আমরা শিখবো— Market Heatmap: কালার কোড দেখে পুরো বাজারের সেন্টিমেন্ট কীভাবে বুঝবেন?
3
পড়ুন →
platform guide 07 Oct, 2026

Market Heatmap: কালার কোড দেখে পুরো বাজারের সেন্টিমেন্ট কীভাবে বুঝবেন?

মানুষের মস্তিষ্ক অনেকগুলো সংখ্যার চেয়ে রঙ এবং ছবি খুব দ্রুত প্রসেস করতে পারে। শেয়ার বাজারের ৪০০টি কোম্পানির দামের পার্সেন্টেজ (শতকরা পরিবর্তন) চোখের সামনে দেওয়া হলে আপনার বুঝতে বেশ সময় লাগবে আজ বাজার পজিটিভ নাকি নেগেটিভ। কিন্তু যদি পুরো বাজারটাকে একটি রঙিন ছবির মাধ্যমে আপনার সামনে তুলে ধরা হয়? ঠিক এই কাজটিই করে DSEPlex-এর Market Heatmap (মার্কেট হিটম্যাপ) ফিচার। Market Heatmap কী? হিটম্যাপ হলো ডেটা প্রেজেন্টেশনের একটি চমৎকার ভিজ্যুয়াল পদ্ধতি। এখানে প্রতিটি শেয়ার বা খাতকে (Sector) ছোট-বড় বক্স বা ব্লকের মাধ্যমে দেখানো হয় এবং দাম বাড়া বা কমার ওপর ভিত্তি করে সেই বক্সগুলোতে রঙ (Color) দেওয়া থাকে। হিটম্যাপ কীভাবে পড়বেন? হিটম্যাপ পেজটি ওপেন করলে আপনার স্ক্রিন জুড়ে বিভিন্ন রঙের বক্স দেখতে পাবেন। এটি মূলত দুটি জিনিসের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়: ১. বক্সের সাইজ (আকার): একটি বক্স যত বড়, সেই কোম্পানি বা খাতের মার্কেট ক্যাপ (Market Capitalization) অথবা লেনদেন (Volume) তত বড়। ২. বক্সের রঙ (কালার কোড): গাঢ় সবুজ (Dark Green): শেয়ারের দাম অনেক বেশি বেড়েছে। হালকা সবুজ (Light Green): শেয়ারের দাম কিছুটা বেড়েছে। গাঢ় লাল (Dark Red): শেয়ারের দাম অনেক বেশি কমেছে (পতন)। হালকা লাল (Light Red): শেয়ারের দাম সামান্য কমেছে। কালো বা ধূসর (Neutral): শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। হিটম্যাপ কেন ব্যবহার করবেন? এক নজরে সেন্টিমেন্ট বোঝা: হিটম্যাপ ওপেন করেই যদি দেখেন স্ক্রিনের ৮০% জুড়ে শুধু লাল রঙ, তবে আপনি এক সেকেন্ডেই বুঝে যাবেন আজ বাজারে ব্যাপক দরপতন হচ্ছে এবং সেল-প্রেসার (Sell Pressure) বেশি। আবার চারদিক সবুজ থাকলে বুঝবেন বাজার আজ দারুণ বুলিশ (Bullish)। সেক্টর মুভমেন্ট (Sector Movement): হিটম্যাপে শেয়ারগুলো সাধারণত খাত বা সেক্টর অনুযায়ী সাজানো থাকে। ফলে আপনি খুব সহজেই ধরতে পারবেন আজ কোন সেক্টরে বেশি টাকা ঢুকছে (সবুজ) এবং কোন সেক্টর থেকে টাকা বের হয়ে যাচ্ছে (লাল)। কীভাবে ব্যবহার করবেন? সাইডবার মেনু থেকে '🗺️ Heatmap'-এ ক্লিক করুন। প্রতিদিন ট্রেড শুরু করার আগে ৫ সেকেন্ডের জন্য হলেও হিটম্যাপে চোখ বুলিয়ে নিন, এটি আপনাকে মার্কেটের পালস বুঝতে দারুণ সাহায্য করবে। হিটম্যাপ দিয়ে তো বুঝলেন কোন সেক্টর আজ ভালো করছে। কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো সেক্টরের বিস্তারিত খবর এবং চার্ট কীভাবে দেখবেন? পরবর্তী আর্টিকেলে আমরা শিখবো— Sector Analysis এবং Sector Chart: কোন খাতের শেয়ারে এখন বিনিয়োগের সুযোগ বেশি?
3
পড়ুন →
platform guide 07 Oct, 2026

Sector Analysis এবং Sector Chart: কোন খাতের শেয়ারে এখন বিনিয়োগের সুযোগ বেশি?

শেয়ার বাজারে একটি খুব পরিচিত কথা আছে— "Trend is your friend" (ট্রেন্ডই আপনার বন্ধু)। আর মার্কেটে এই ট্রেন্ড তৈরি হয় মূলত 'সেক্টর রোটেশন (Sector Rotation)'-এর মাধ্যমে। স্মার্ট মানি বা বড় বিনিয়োগকারীরা কখনোই একসাথে সব খাতের (Sector) শেয়ার কেনেন না। তারা হয়তো এক মাসে 'ব্যাংকিং' খাতে টাকা খাটান, পরের মাসে 'ফার্মাসিউটিক্যালস' এবং তারপর হয়তো 'আইটি' খাতে চলে যান। আপনি যদি ধরতে পারেন যে বর্তমানে বড় বিনিয়োগকারীদের টাকা কোন সেক্টরে ঢুকছে, তবে আপনার লাভের সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যাবে। এই কাজটি করার জন্যই DSEPlex-এ রয়েছে দুটি দুর্দান্ত টুল: Sector Analysis এবং Sector Chart। টপ-ডাউন অ্যাপ্রোচ (Top-down Approach) কী? সফল বিনিয়োগকারীরা শেয়ার খোঁজার ক্ষেত্রে 'টপ-ডাউন অ্যাপ্রোচ' ব্যবহার করেন। এর মানে হলো— তারা প্রথমেই কোনো নির্দিষ্ট শেয়ার খোঁজেন না। তারা প্রথমে খোঁজেন "বর্তমানে কোন সেক্টরটি সবচেয়ে ভালো করছে?"। ভালো সেক্টরটি খুঁজে পাওয়ার পর তারা সেই সেক্টরের ভেতরের সেরা শেয়ারটি কেনেন। Sector Analysis (সেক্টর অ্যানালাইসিস) মেনু থেকে 'Sector Analysis'-এ গেলে আপনি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (DSE) সবগুলো খাতের একটি তুলনামূলক চিত্র দেখতে পাবেন। এখান থেকে আপনি জানতে পারবেন আজ কোন সেক্টরের মোট মার্কেট ক্যাপ বা ভলিউম (লেনদেন) সবচেয়ে বেশি। কোন সেক্টরের গড় P/E রেশিও সবচেয়ে কম (অর্থাৎ কোন খাতটি এখন আন্ডারভ্যালুড বা সস্তা অবস্থায় আছে)। কোন সেক্টর আজ সবচেয়ে বেশি পজিটিভ রিটার্ন দিচ্ছে। Sector Chart (সেক্টর চার্ট) আমরা তো জানি নির্দিষ্ট শেয়ারের চার্ট হয়, কিন্তু পুরো একটি সেক্টরের কি চার্ট হয়? হ্যাঁ! DSEPlex-এর 'Sector Chart' ফিচারে গিয়ে আপনি চাইলে পুরো 'ফার্মাসিউটিক্যালস' বা 'ইঞ্জিনিয়ারিং' খাতের সম্মিলিত চার্ট দেখতে পারবেন। এর সুবিধা হলো, আপনি টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস করে দেখতে পারবেন যে পুরো সেক্টরটি কি এখন আপট্রেন্ডে (Uptrend) আছে, নাকি ডাউনট্রেন্ডে (Downtrend) আছে। যদি দেখেন কোনো একটি সেক্টর চার্টে দীর্ঘদিন পর ব্রেকআউট (Breakout) দিচ্ছে, তার মানে ওই খাতের শেয়ারগুলোতে সামনে ভালো র‍্যালি হওয়ার সুযোগ রয়েছে। সেক্টর অ্যানালাইসিস করে তো আপনি খাতের অবস্থা বুঝলেন। কিন্তু সেই খাতের নির্দিষ্ট কোনো কোম্পানির আর্থিক অবস্থা (Fundamental Analysis) কতটা মজবুত, তা যাচাই করবেন কীভাবে? পরবর্তী আর্টিকেলে আমরা শিখবো— Company P/E, Share Holding এবং Marginable Sec: ফান্ডামেন্টাল তথ্যগুলো কীভাবে যাচাই করবেন?
3
পড়ুন →
platform guide 07 Oct, 2026

Company P/E, Share Holding এবং Marginable Sec: কোম্পানির ফান্ডামেন্টাল অবস্থা কীভাবে যাচাই করবেন?

শেয়ার বাজারে একটি প্রচলিত নিয়ম আছে— "টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আপনাকে বলে কখন কিনতে হবে (When to buy), আর ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস আপনাকে বলে কী কিনতে হবে (What to buy)"। আপনি যদি এমন কোনো কোম্পানির শেয়ার কেনেন যার ব্যবসার অবস্থা খুব খারাপ, তবে টেকনিক্যাল চার্ট যতোই ভালো দেখাক না কেন, দিন শেষে আপনার লস হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তাই কোনো কোম্পানিতে বিনিয়োগের আগে তার ফান্ডামেন্টাল অবস্থা যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি। DSEPlex-এর তিনটি ফিচারের মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই এই কাজটি করতে পারেন। ১. Company P/E (শেয়ারটি কি সস্তা নাকি দামি?) কোনো শেয়ারের বর্তমান দাম ১০০ টাকা মানেই সেটি দামি নয়, আবার ১০ টাকা মানেই সস্তা নয়। শেয়ারটি সস্তা নাকি দামি, তা বোঝার সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায় হলো P/E Ratio (Price to Earnings Ratio) দেখা। DSEPlex-এর সাইডবার মেনু থেকে 'Company P/E'-তে ক্লিক করলে আপনি সব কোম্পানির লেটেস্ট P/E রেশিও দেখতে পাবেন। সহজ কথায়, P/E রেশিও যত কম, শেয়ারটি ফান্ডামেন্টাল দিক থেকে তত বেশি আন্ডারভ্যালুড বা সস্তা হিসেবে বিবেচিত হয় (তবে অবশ্যই কোম্পানির অন্যান্য গ্রোথ দেখতে হবে)। ২. Share Holding (কোম্পানির মালিকানা কাদের হাতে?) একটি কোম্পানির শেয়ার কাদের হাতে আছে, তার ওপর শেয়ারটির ভবিষ্যৎ অনেকখানি নির্ভর করে। মেনু থেকে 'Share Holding'-এ গেলে আপনি দেখতে পাবেন কোম্পানির কত শতাংশ শেয়ার উদ্যোক্তা/পরিচালক (Sponsor/Director), কত শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী (Institute), এবং কত শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের (Public) হাতে রয়েছে। কেন এটি জরুরি? যদি দেখেন কোনো কোম্পানির বেশিরভাগ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে (Public holding বেশি), তবে ওই শেয়ারের দাম খুব একটা বাড়ে না। অন্যদিকে, উদ্যোক্তা এবং ইনস্টিটিউটদের কাছে বেশি শেয়ার থাকা মানে হলো তারা কোম্পানিটির ভবিষ্যতের ওপর আস্থা রাখছেন। ৩. Marginable Sec. (মার্জিন সুবিধাযোগ্য শেয়ার) মার্জিন লোন বা ঋণ নিয়ে শেয়ার ব্যবসা করা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। তবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (DSE) শুধুমাত্র সেইসব কোম্পানির শেয়ারেই মার্জিন লোন নেওয়ার অনুমতি দেয়, যাদের ফান্ডামেন্টাল ভিত্তি কিছুটা মজবুত এবং যারা নিয়মিত লভ্যাংশ (Dividend) প্রদান করে (যেমন: 'A' বা 'B' ক্যাটাগরির শেয়ার)। DSEPlex-এর 'Marginable Sec.' পেজে গেলে আপনি দেখতে পাবেন বর্তমানে কোন কোন কোম্পানির শেয়ারে মার্জিন লোন পাওয়া যায়। আপনি লোন নিয়ে ট্রেড না করলেও, এই তালিকাটি দেখে অন্তত বুঝতে পারবেন কোন শেয়ারগুলো এক্সচেঞ্জের নজরে তুলনামূলক নিরাপদ। ফান্ডামেন্টাল যাচাই তো হলো, কিন্তু আপনি কি জানেন মূল বাজারের বাইরেও বড় বড় বিনিয়োগকারীরা আলাদা একটি বাজারে বিশাল অঙ্কের শেয়ার লেনদেন করেন? পরবর্তী আর্টিকেলে আমরা শিখবো— Block Market এবং SME Market: মূল বাজারের বাইরের লেনদেনের তথ্য কীভাবে দেখবেন?
2
পড়ুন →
platform guide 07 Oct, 2026

Block Market এবং SME Market: মূল বাজারের বাইরের লেনদেনের তথ্য কীভাবে দেখবেন?

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (DSE) সাধারণ বিনিয়োগকারীরা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২:২০ পর্যন্ত যে বাজারে শেয়ার কেনাবেচা করেন, তাকে বলা হয় 'মেইন বোর্ড' বা মূল বাজার। কিন্তু আপনি কি জানেন, এই মূল বাজারের পাশাপাশি আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার রয়েছে? বড় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের লেনদেন এবং ছোট ও মাঝারি কোম্পানিগুলোর জন্য আলাদা এই বাজারগুলো হলো— Block Market এবং SME Market। DSEPlex-এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই এই দুটি বাজারের লাইভ আপডেট নজরে রাখতে পারবেন। Block Market (ব্লক মার্কেট) কী? ধরুন, কোনো বড় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী বা স্পন্সর একসাথে ১০ কোটি টাকার শেয়ার কিনতে বা বিক্রি করতে চাচ্ছেন। মূল বাজারে এতগুলো শেয়ার একসাথে বিক্রি করলে শেয়ারের দাম ধসে যেতে পারে, আবার কিনতে চাইলে দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যেতে পারে। এই সমস্যা এড়াতে তারা 'ব্লক মার্কেট' ব্যবহার করেন। এখানে ক্রেতা ও বিক্রেতা নিজেদের মধ্যে দাম ও পরিমাণ ঠিক করে বিশাল অঙ্কের (সাধারণত ৫ লাখ টাকার ওপরে) লেনদেন করেন। কেন ব্লক মার্কেট ট্র্যাক করবেন? DSEPlex-এর মেনু থেকে 'Block Market'-এ গেলে আপনি দেখতে পাবেন আজ কোন কোম্পানির কতগুলো শেয়ার ব্লক মার্কেটে হাতবদল হয়েছে এবং কত দামে হয়েছে। এর মাধ্যমে আপনি 'স্মার্ট মানি' বা বড় বিনিয়োগকারীদের গতিবিধি (Smart Money Footprint) বুঝতে পারবেন। যদি দেখেন কোনো নির্দিষ্ট শেয়ার ব্লক মার্কেটে নিয়মিত বিশাল ভলিউমে কেনাবেচা হচ্ছে, তবে বুঝতে হবে ওই শেয়ার নিয়ে বড় কোনো প্ল্যান চলছে। SME Market (এসএমই মার্কেট) কী? যেসব কোম্পানির মূলধন তুলনামূলক কম (Small and Medium Enterprises) এবং যারা মূল বাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার শর্তগুলো পূরণ করতে পারে না, তাদের মূলধন সংগ্রহের জন্য DSE-তে রয়েছে SME Market। এই বাজারে সব সাধারণ বিনিয়োগকারী ট্রেড করতে পারেন না। এখানে ট্রেড করার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার পোর্টফোলিও থাকতে হয় (Qualified Investor)। DSEPlex-এর মেনু থেকে 'SME Market'-এ ক্লিক করলে আপনি এই বাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর লাইভ প্রাইস, ভলিউম এবং মুভমেন্ট দেখতে পাবেন। এসএমই মার্কেটের শেয়ারগুলোর মূলধন কম হওয়ায় এগুলোর দাম খুব দ্রুত বাড়ে বা কমে। তাই যারা হাই-রিস্ক এবং হাই-রিটার্ন খুঁজছেন, তাদের জন্য এই বাজার ট্র্যাক করা বেশ উপকারী। মার্কেটের বর্তমান অবস্থা তো বুঝলেন, কিন্তু কোনো কোম্পানির অতীতের পারফরম্যান্স কেমন ছিল, তা কীভাবে জানবেন? পরবর্তী আর্টিকেলে আমরা শিখবো— Div Archive এবং Data Archive: কোম্পানির ডিভিডেন্ড হিস্ট্রি এবং অতীত রেকর্ড কীভাবে খুঁজবেন?
2
পড়ুন →
Latest Price
Workspace
AI Desk
Profile