platform guide
07 Oct, 2026
Div Archive এবং Data Archive: কোম্পানির ডিভিডেন্ড হিস্ট্রি এবং অতীত রেকর্ড কীভাবে খুঁজবেন?
শেয়ার বাজারে দীর্ঘমেয়াদি বা লং-টার্ম বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কোম্পানির ধারাবাহিকতা যাচাই করা সবচেয়ে বেশি জরুরি। একটি কোম্পানি এ বছর ১০% ডিভিডেন্ড দিয়েছে দেখেই যদি আপনি শেয়ারটি কিনে ফেলেন, তবে সেটি বোকামি হতে পারে। আপনাকে দেখতে হবে কোম্পানিটি গত ৫ বা ১০ বছরে কেমন ডিভিডেন্ড দিয়েছে।
কোম্পানির অতীতের এই রেকর্ডগুলো খোঁজার জন্য আপনাকে ইন্টারনেটের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে সময় নষ্ট করতে হবে না। DSEPlex-এর Div Archive এবং Data Archive-এর মাধ্যমে আপনি কয়েক ক্লিকেই এই ডেটাগুলো পেয়ে যাবেন।
১. Div Archive (ডিভিডেন্ড আর্কাইভ বা কর্পোরেট ক্যালেন্ডার) যারা শেয়ার বাজার থেকে নিয়মিত লভ্যাংশ বা ডিভিডেন্ড আয়ের (Passive Income) আশায় বিনিয়োগ করেন, তাদের জন্য এই ফিচারটি সোনার খনির মতো।
সাইডবার মেনু থেকে 'Div Archive' বা কর্পোরেট ক্যালেন্ডারে ক্লিক করুন।
এখানে আপনি যেকোনো কোম্পানির অতীতের সকল ডিভিডেন্ডের (Cash এবং Stock Dividend) ইতিহাস একসাথে দেখতে পাবেন।
শুধু তাই নয়, কোম্পানির এজিএম (AGM) কবে হয়েছিল, রেকর্ড ডেট (Record Date) কবে ছিল—সবকিছুর লিস্ট এখানে সাল অনুযায়ী সাজানো থাকে। এর মাধ্যমে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন কোন কোম্পানিগুলো ধারাবাহিকভাবে বিনিয়োগকারীদের ভালো লভ্যাংশ দিয়ে আসছে।
২. Data Archive (ডেটা আর্কাইভ বা অতীত লেনদেনের রেকর্ড) অনেক সময় টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস বা নিজস্ব স্ট্র্যাটেজি টেস্ট (Backtesting) করার জন্য আমাদের একটি শেয়ারের অতীতের নির্দিষ্ট কোনো দিনের দাম বা ভলিউম জানার প্রয়োজন হয়।
মেনু থেকে 'Data Archive'-এ গেলে আপনি যেকোনো শেয়ারের অতীত ডেটা খুঁজে বের করতে পারবেন।
আপনি একটি নির্দিষ্ট তারিখ বা সময়সীমা (Date Range) সিলেক্ট করে দিলে, ওই সময়ে শেয়ারটির Open, High, Low, Close Price এবং Volume কত ছিল, তার পুরো একটি টেবিল আপনার সামনে চলে আসবে।
এই ডেটা ব্যবহার করে আপনি বুঝতে পারবেন অতীতে বাজারের খারাপ বা ভালো সময়ে শেয়ারটির আচরণ কেমন ছিল।
কোম্পানির স্বাভাবিক রেকর্ড তো দেখলেন। কিন্তু বাজারে যদি এমন কিছু ঘটে যা স্বাভাবিক নিয়মের বাইরে? কোনো শেয়ারের দাম যদি বিনা কারণে অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে বা কমতে থাকে?
পরবর্তী আর্টিকেলে আমরা অত্যন্ত আকর্ষণীয় একটি বিষয় নিয়ে জানবো— Market Anomalies: বাজারে অস্বাভাবিক দাম বা ভলিউম পরিবর্তন কীভাবে ধরবেন?
3
পড়ুন →
Featured
platform guide
07 Oct, 2026
Market Anomalies: বাজারে অস্বাভাবিক দাম বা ভলিউম পরিবর্তন কীভাবে ধরবেন?
শেয়ার বাজারে সাধারণত দাম বাড়ে ভালো কোনো খবর এলে, আর দাম কমে খারাপ কোনো খবরে। কিন্তু ধরুন, কোনো কোম্পানির ফান্ডামেন্টাল তেমন ভালো নয় এবং কোনো পজিটিভ খবরও নেই, তবুও হঠাৎ করে শেয়ারটির লেনদেন (Volume) গত এক মাসের গড়ের চেয়ে ১০ গুণ বেড়ে গেলো!
কিংবা কোনো শেয়ারের দাম কোনো কারণ ছাড়াই টানা কয়েকদিন ধরে শুধু সার্কিট ব্রেক করে বাড়ছে। বাজারের এই ধরনের অস্বাভাবিক এবং সন্দেহজনক আচরণকে বলা হয় 'Market Anomalies' (মার্কেট অ্যানোম্যালিস)। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পক্ষে ৪০০টি শেয়ারের মধ্যে এই অস্বাভাবিক আচরণগুলো খালি চোখে ধরা প্রায় অসম্ভব। কিন্তু DSEPlex-এর Market Anomalies টুলের সাহায্যে আপনি মুহূর্তেই এগুলো ধরে ফেলতে পারবেন।
অ্যানোম্যালিস (Anomalies) ধরা কেন জরুরি? অস্বাভাবিক ভলিউম বা দামের পরিবর্তন সাধারণত ইঙ্গিত দেয় যে 'স্মার্ট মানি' বা বড় কোনো বিনিয়োগকারী চক্র (Syndicate) নিঃশব্দে শেয়ারটি কিনছে (Accumulation) অথবা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মাঝে গুছিয়ে বিক্রি করে দিচ্ছে (Distribution)। আপনি যদি এই অস্বাভাবিক আচরণগুলো আগে থেকে ধরতে পারেন, তবে আপনি তাদের ফাঁদে পা দেওয়া থেকে বেঁচে যেতে পারবেন অথবা সঠিক সময়ে এন্ট্রি নিয়ে লাভবান হতে পারবেন।
DSEPlex-এ Market Anomalies কীভাবে কাজ করে? আমাদের সিস্টেম সারাদিন পুরো মার্কেটকে স্ক্যান করে এবং গাণিতিক অ্যালগরিদমের মাধ্যমে অস্বাভাবিক শেয়ারগুলোকে আলাদা করে ফেলে। মেনু থেকে '🎯 Market Anomalies'-এ ক্লিক করলে আপনি মূলত দুটি জিনিস দেখতে পাবেন:
১. Volume Shockers (অস্বাভাবিক লেনদেন): যেসব শেয়ারের আজকের ভলিউম তাদের গত কয়েক সপ্তাহ বা মাসের গড় ভলিউমের চেয়ে অস্বাভাবিকভাবে অনেক বেশি। ২. Price Shockers (অস্বাভাবিক দামের পরিবর্তন): যেসব শেয়ারের দাম বাজারের স্বাভাবিক গতির চেয়ে খুব দ্রুত এবং অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে বা কমছে।
কীভাবে ট্রেডে ব্যবহার করবেন? Anomalies পেজে কোনো শেয়ারের নাম দেখলেই সাথে সাথে সেটি কিনে ফেলা বা বিক্রি করা উচিত নয়। এটি মূলত আপনাকে একটি "সতর্ক সংকেত" বা "এলার্ট" দেয়। এই তালিকা থেকে শেয়ার বাছাই করে এরপর তার 'Advanced Chart' দেখুন। যদি দেখেন কোনো গুরুত্বপূর্ণ 'রেজিস্ট্যান্স' ব্রেক করে এই অস্বাভাবিক ভলিউম তৈরি হয়েছে, তবে সেটি একটি ভালো এন্ট্রি পয়েন্ট হতে পারে।
মার্কেটের ডেটা এবং অ্যানোম্যালিস তো স্ক্যান করলেন, কিন্তু আপনি কি জানেন এই স্ক্যানিংয়ের কাজটিকে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা AI দিয়ে আরও নিখুঁত ও পাওয়ারফুল করা যায়?
পরবর্তী আর্টিকেলে আমরা আমাদের সবচেয়ে অ্যাডভান্সড ফিচারগুলোর একটি নিয়ে আলোচনা শুরু করবো— AI Market Scanner: আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে কীভাবে স্টক স্ক্যান করবেন?
2
পড়ুন →
Featured
platform guide
07 Oct, 2026
AI Market Scanner: আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স দিয়ে কীভাবে সেরা শেয়ার খুঁজবেন?
বিশ্বজুড়ে শেয়ার বাজার এখন আর শুধু মানুষের বুদ্ধি বা অনুমানের ওপর নির্ভর করে চলে না। বড় বড় হেজ ফান্ড এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা এখন ডেটা অ্যানালাইসিস এবং ট্রেডিংয়ের জন্য ব্যবহার করছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। বাংলাদেশের শেয়ার বাজারেও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি তুলে দিতে DSEPlex নিয়ে এসেছে AI Market Scanner।
সাধারণ Screener এবং AI Scanner-এর মধ্যে পার্থক্য কী? আগের একটি আর্টিকেলে আমরা 'Advanced Screener' নিয়ে কথা বলেছিলাম। সাধারণ স্ক্রিনারে আপনাকে নিজে থেকে শর্ত বা ফর্মুলা (যেমন: RSI > 60, MACD Crossover) সেট করে দিতে হয়। অর্থাৎ, আপনাকে আগে থেকে জানতে হবে আপনি কী খুঁজছেন।
কিন্তু AI Market Scanner-এর ক্ষেত্রে কাজটা করবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। এখানে এআই নিজে থেকে পুরো বাজারের ডেটা, প্রাইস অ্যাকশন, চার্ট প্যাটার্ন এবং ভলিউম স্ক্যান করে। এরপর এআই নিজেই আপনার সামনে সেই শেয়ারগুলোকে তুলে ধরে, যেগুলোর মধ্যে বর্তমানে শক্তিশালী বুলিশ বা বিয়ারিশ সিগন্যাল তৈরি হয়েছে।
AI Market Scanner-এর সুবিধাগুলো কী কী?
১. প্যাটার্ন রিকগনিশন (Pattern Recognition): মানুষের চোখের পক্ষে ৪০০টি চার্টে একসাথে 'Double Bottom' বা 'Bullish Engulfing'-এর মতো প্যাটার্ন খোঁজা অসম্ভব। কিন্তু এআই স্ক্যানার মিলি-সেকেন্ডের মধ্যে স্ক্যান করে বলে দিতে পারে কোন শেয়ারগুলোতে আজ এই প্যাটার্নগুলো তৈরি হয়েছে।
২. ইমোশন বা আবেগহীন সিদ্ধান্ত: এআইয়ের কোনো আবেগ নেই। সে শুধু ডেটা এবং অ্যালগরিদমের ওপর ভিত্তি করে শেয়ার বাছাই করে। ফলে আপনার ভুল করার বা ইমোশনাল ট্রেড করার ঝুঁকি কমে যায়।
৩. সময় সাশ্রয়: আপনার প্রতিদিনের মার্কেট স্ক্যান করার দুই-তিন ঘণ্টার রিসার্চের কাজটি এআই স্ক্যানার মাত্র এক ক্লিকেই করে দেয়।
কীভাবে ব্যবহার করবেন? সাইডবার মেনু থেকে '🌟 AI Scanner'-এ ক্লিক করুন। এখানে আপনি এআই দ্বারা জেনারেট করা বিভিন্ন প্রিসেট বা ফিল্টার অপশন দেখতে পাবেন। আপনার ট্রেডিং স্টাইল (শর্ট-টার্ম নাকি লং-টার্ম) অনুযায়ী ক্যাটাগরি সিলেক্ট করলেই, এআই স্ক্যানার আপনাকে বাজারের সেরা সেটআপ তৈরি হওয়া শেয়ারগুলোর একটি স্মার্ট লিস্ট দিয়ে দিবে।
মার্কেট স্ক্যান করে শেয়ার তো বের করলেন, কিন্তু আপনার পোর্টফোলিও পরিচালনা এবং ভবিষ্যতের আর্থিক লক্ষ্য পূরণের জন্য এআই কীভাবে সাহায্য করতে পারে?
পরবর্তী আর্টিকেলে আমরা আমাদের প্রিমিয়াম এআই ফিচারগুলো নিয়ে জানবো— AI Wealth এবং AI Planner: এআই দিয়ে কীভাবে আপনার পোর্টফোলিও ও ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ প্ল্যান সাজাবেন?
3
পড়ুন →
platform guide
07 Oct, 2026
AI Wealth এবং AI Planner: এআই দিয়ে কীভাবে পোর্টফোলিও ও বিনিয়োগ প্ল্যান সাজাবেন?
শেয়ার বাজারে সফল হওয়ার সবচেয়ে বড় গোপন সূত্রটি হলো— "সঠিক পোর্টফোলিও ম্যানেজমেন্ট এবং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ"। আপনি যদি কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই এলোমেলোভাবে শুধু শেয়ার কেনাবেচা করতে থাকেন, তবে দিন শেষে বড় কোনো সম্পদ তৈরি করা আপনার জন্য কঠিন হয়ে যাবে।
বিনিয়োগকারীদের প্রফেশনাল পোর্টফোলিও ম্যানেজমেন্ট এবং ফিন্যান্সিয়াল প্ল্যানিংয়ের সুবিধা দিতে DSEPlex নিয়ে এসেছে দুটি অত্যন্ত শক্তিশালী প্রিমিয়াম টুল: AI Wealth (এআই ওয়েলথ) এবং AI Planner (এআই প্ল্যানার)। এটি আপনার ব্যক্তিগত 'রোবো-অ্যাডভাইজর (Robo-Advisor)' হিসেবে কাজ করবে।
১. AI Wealth (আপনার পার্সোনাল ওয়েলথ ম্যানেজার) ম্যানুয়ালি একটি ব্যালেন্সড পোর্টফোলিও তৈরি করা বেশ কঠিন। আপনার পোর্টফোলিওতে কি একটি খাতেরই অনেক বেশি শেয়ার হয়ে যাচ্ছে? আপনার বিনিয়োগ কি অতিরিক্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাচ্ছে?
DSEPlex মেনু থেকে '✨ 🔒 AI Wealth'-এ গেলে এই টুলটি আপনার পোর্টফোলিওকে গভীরভাবে বিশ্লেষণ করবে।
এআই আপনার রিস্ক প্রোফাইল (ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা) অনুযায়ী আপনাকে সাজেশন দিবে যে, আপনার পোর্টফোলিওতে কোন খাতের (যেমন: ব্যাংক, ফার্মা, আইটি) কতটুকু শেয়ার রাখা উচিত (Diversification)। এর ফলে আপনার পোর্টফোলিওর ঝুঁকি কমে যাবে এবং লম্বা সময়ে রিটার্ন আসার সম্ভাবনা বাড়বে।
২. 🔒 AI Planner (আপনার ভবিষ্যৎ ফিন্যান্সিয়াল প্ল্যানার) আপনার হয়তো একটি নির্দিষ্ট আর্থিক লক্ষ্য (Financial Goal) আছে। যেমন: ১০ বছর পর রিটায়ারমেন্টের জন্য ১ কোটি টাকা, অথবা ৫ বছর পর নিজের একটি ফ্ল্যাট কেনার জন্য বড় কোনো ফান্ড তৈরি করা।
মেনু থেকে '💡 🔒 Ai Planner' অপশনে গিয়ে আপনি আপনার বর্তমান বয়স, আপনার টার্গেট বা লক্ষ্য এবং কত বছরের মধ্যে সেই লক্ষ্য অর্জন করতে চান তা ইনপুট দিন।
সাথে সাথেই এআই প্ল্যানার হিসাব করে আপনাকে একটি বিস্তারিত রোডম্যাপ দিয়ে দিবে। এটি আপনাকে বলে দিবে— আপনার টার্গেট পূরণের জন্য প্রতি মাসে ঠিক কত টাকা শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করতে হবে এবং চক্রবৃদ্ধি সুদের বা কম্পাউন্ডিংয়ের (Compounding) জাদুতে আপনার ফান্ড কীভাবে ধীরে ধীরে বড় হবে।
মনে রাখবেন: এই দুটি টুল DSEPlex-এর প্রিমিয়াম ফিচারের (🔒) অন্তর্ভুক্ত, যা শুধুমাত্র সাবস্ক্রাইব করা বা রেজিস্টার্ড মেম্বারদের জন্য এক্সক্লুসিভভাবে তৈরি করা হয়েছে।
পোর্টফোলিও ম্যানেজমেন্ট তো শিখলেন, কিন্তু পুরো বাজারের অর্থাৎ DSEX সূচকের ভবিষ্যৎ গতিবিধি বুঝতে এআই কীভাবে কাজ করে?
পরবর্তী এবং আমাদের গাইড সিরিজের সর্বশেষ আর্টিকেলে আমরা জানবো— AI DSEX Insights: বাজারের ভবিষ্যৎ ট্রেন্ড বা ডিরেকশন বুঝতে AI কীভাবে সাহায্য করে?
3
পড়ুন →
platform guide
07 Oct, 2026
AI DSEX Insights: বাজারের ভবিষ্যৎ ডিরেকশন বা ট্রেন্ড বুঝতে AI কীভাবে সাহায্য করে?
শেয়ার বাজারে ইংরেজিতে একটি প্রবাদ আছে, "A rising tide lifts all boats" (জোয়ারের পানি বাড়লে সব নৌকাই ওপরে ওঠে)। শেয়ার বাজারের ক্ষেত্রে এর মানে হলো, যখন মার্কেটের প্রধান সূচক বা ইনডেক্স (DSEX) আপট্রেন্ডে থাকে, তখন বেশিরভাগ শেয়ারেরই দাম বাড়ে। আর সূচক যখন টানা পড়তে থাকে, তখন অনেক ভালো ফান্ডামেন্টাল শেয়ারের দামও কমে যায়।
তাই নির্দিষ্ট কোনো শেয়ার কেনার আগে পুরো মার্কেটের ভবিষ্যৎ ডিরেকশন বা ট্রেন্ড কোনদিকে যাচ্ছে, তা বুঝতে পারাটা সবচেয়ে বেশি জরুরি। এই কাজে আপনাকে স্মার্টলি সাহায্য করার জন্য DSEPlex নিয়ে এসেছে অন্যতম সেরা প্রিমিয়াম টুল— AI DSEX Insights।
AI DSEX Insights কী? এটি হলো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই চালিত এমন একটি বিশেষ টুল, যা শুধুমাত্র ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক (DSEX)-কে এনালাইসিস করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
সাধারণত মানুষ সূচকের একটি বা দুটি চার্ট দেখে ট্রেন্ড বোঝার চেষ্টা করে। কিন্তু আমাদের এআই সিস্টেম বিগত বছরের হাজার হাজার ডেটা পয়েন্ট, ভলিউম ট্রেন্ড, মুভিং এভারেজ এবং বিভিন্ন ম্যাক্রো-ইকোনমিক প্যাটার্ন একসাথে সেকেন্ডের মধ্যে প্রসেস করে।
এই টুলটি কীভাবে আপনার ট্রেডিংয়ে সাহায্য করবে?
১. মার্কেট সেন্টিমেন্ট প্রেডিকশন: DSEPlex মেনু থেকে '🔮 🔒 AI DSEX Insights'-এ ক্লিক করলে এআই আপনাকে বাজারের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে একটি সামারি দিবে। মার্কেট কি এখন চরম ঝুঁকিপূর্ণ (Overbought) অবস্থায় আছে, নাকি বিনিয়োগের জন্য আকর্ষণীয় (Oversold) অবস্থায় আছে—তা এআই ইনসাইটস থেকে খুব সহজেই বোঝা যায়।
২. সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স জোন: সূচক নিচে নামতে শুরু করলে ঠিক কোন পয়েন্টে এসে আবার ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি (Support), অথবা ওপরে উঠলে কোথায় গিয়ে বাধা পেতে পারে (Resistance)—এআই সেটি আগে থেকেই প্রেডিক্ট বা অনুমান করার চেষ্টা করে।
৩. সিদ্ধান্ত গ্রহণ (কখন কিনবেন, কখন ক্যাশ রাখবেন): এআই ইনসাইটস দেখে যদি বুঝতে পারেন যে মার্কেটের সামনে বড় কোনো কারেকশন বা পতন হওয়ার সিগন্যাল রয়েছে, তখন আপনি নতুন শেয়ার না কিনে ক্যাশ (Cash) টাকা হাতে রাখতে পারবেন। আবার মার্কেট যখন বটম (Bottom) বা সাপোর্ট থেকে ঘুরে দাঁড়াবে, তখন আপনি কনফিডেন্সের সাথে বিনিয়োগ করতে পারবেন।
শেষ কথা AI DSEX Insights কোনো জাদুর কাঠি নয় যা ১০০% গ্যারান্টি দিবে, তবে এটি ডেটার ওপর ভিত্তি করে আপনার সফল হওয়ার সম্ভাবনাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিবে।
অভিনন্দন! এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনি 'DSEPlex Guide' সিরিজের একদম শেষ পর্যায়ে চলে এসেছেন। আশা করি DSEPlex-এর বেসিক ফিচার থেকে শুরু করে অ্যাডভান্সড চার্ট এবং অত্যাধুনিক AI টুলগুলোর ব্যবহার সম্পর্কে আপনি এখন পুরোপুরি ক্লিয়ার।
শেয়ার বাজারে সফল হওয়ার মূল চাবিকাঠি হলো— নিয়মানুবর্তিতা (Discipline), সঠিক এনালাইসিস এবং ধৈর্য। DSEPlex-এর চমৎকার সব ফিচার কাজে লাগিয়ে আপনার বিনিয়োগ যাত্রা সফল ও লাভজনক হোক—এই শুভকামনা রইল!
3
পড়ুন →
Glossary
শব্দকোষ: EPS (ইপিএস)
কোম্পানি প্রতি শেয়ারের বিপরীতে কত টাকা আয় করেছে, তা বোঝায়।
পড়ুন →
Glossary
শব্দকোষ: PE Ratio (পিই রেশিও)
একটি শেয়ারের বাজারমূল্য কোম্পানির প্রতি শেয়ারের আয়ের তুলনায় কত গুণ, তা বোঝায়।
পড়ুন →
Glossary
শব্দকোষ: NAV (এনএভি)
কোম্পানির মোট সম্পদ থেকে মোট দায় বাদ দেওয়ার পর প্রতি শেয়ারের বিপরীতে যে হিসাবি সম্পদমূল্য থাকে।
পড়ুন →
Glossary
শব্দকোষ: Market Capitalization (মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশন)
কোম্পানির মোট বকেয়া শেয়ারের বর্তমান বাজারমূল্যের ভিত্তিতে নির্ধারিত মোট বাজারমূল্য।
পড়ুন →
Glossary
শব্দকোষ: Dividend (ডিভিডেন্ড)
কোম্পানি তার মুনাফার একটি অংশ শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে বিতরণ করলে তাকে Dividend বা লভ্যাংশ বলা হয়।
পড়ুন →
Glossary
শব্দকোষ: Dividend Yield (ডিভিডেন্ড ইয়িল্ড)
একটি শেয়ারের বার্ষিক Dividend তার বর্তমান বাজারমূল্যের তুলনায় কত শতাংশ, তা বোঝায়।
পড়ুন →
Glossary
শব্দকোষ: ROE (আরওই)
কোম্পানি শেয়ারহোল্ডারদের মূলধন ব্যবহার করে কতটা মুনাফা তৈরি করছে, তা বোঝায়।
পড়ুন →