technical analysis
29 Aug, 2026
Technical Analysis কী? — একদম শুরু থেকে শেখার গাইড
আপনি যদি কখনো শেয়ারের চার্ট দেখে ভেবে থাকেন—“এই শেয়ারটি এখন বাড়বে নাকি কমবে?”, তাহলে Technical Analysis আপনার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।
Technical Analysis বা টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস হলো শেয়ারের Price, Volume, Trend এবং চার্টের বিভিন্ন Price Pattern বিশ্লেষণ করে বাজারের সম্ভাব্য গতিপথ বোঝার একটি পদ্ধতি।
সহজ ভাষায় বললে—
শেয়ারের দাম কীভাবে চলছে, কোথায় থামছে, কোথা থেকে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে এবং বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতার চাপ কেমন—এসব তথ্য চার্টের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করাই Technical Analysis।
তবে শুরুতেই একটি বিষয় পরিষ্কার করে নেওয়া জরুরি।
Technical Analysis ভবিষ্যৎ নিশ্চিতভাবে বলে দিতে পারে না।
এটি আপনাকে সম্ভাব্য পরিস্থিতি বুঝতে সাহায্য করে। তাই Technical Analysis শেখার উদ্দেশ্য হওয়া উচিত “আগামীকাল দাম কত হবে” নিশ্চিতভাবে জানা নয়; বরং সম্ভাব্য ভালো ও খারাপ পরিস্থিতি আগে থেকে চিনতে শেখা।
Technical Analysis কেন শিখবেন?
ধরুন, আপনি DSE-তে একটি শেয়ার দেখলেন।
শেয়ারের বর্তমান মূল্য ১০০ টাকা।
এখন শুধু ১০০ টাকা দেখলে খুব বেশি কিছু বোঝা যায় না।
কিন্তু যদি আপনি দেখেন—
কয়েক সপ্তাহ ধরে দাম বাড়ছে
প্রতিবার কমলে একটি নির্দিষ্ট জায়গা থেকে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে
আগের সর্বোচ্চ দামের কাছাকাছি যাচ্ছে
দাম বাড়ার সময় Volume বাড়ছে
নিচে একটি গুরুত্বপূর্ণ Support আছে
ওপরে একটি গুরুত্বপূর্ণ Resistance আছে
তাহলে একই ১০০ টাকার শেয়ার সম্পর্কে আপনার ধারণা অনেক বেশি পরিষ্কার হবে।
এই তথ্যগুলো একসঙ্গে বিশ্লেষণ করার ক্ষমতাই Technical Analysis শেখার মূল উদ্দেশ্য।
Technical Analysis-এর মূল ধারণা
Technical Analysis শেখার শুরুতে আপনাকে শত শত Indicator মুখস্থ করার প্রয়োজন নেই।
বরং প্রথমে নিচের কয়েকটি বিষয় ভালোভাবে বুঝতে হবে:
Price → Volume → Trend → Support & Resistance → Candlestick → Pattern → Indicator
এই ধারাবাহিকতাটি মনে রাখুন।
কারণ একজন নতুন বিনিয়োগকারী যদি প্রথম দিনেই RSI, MACD, Bollinger Bands, Stochastic এবং আরও দশটি Indicator নিয়ে বসেন, তাহলে চার্ট বোঝার বদলে আরও বেশি বিভ্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
প্রথমে দামের ভাষা বুঝতে হবে।
তারপর Indicator।
১. Price — শেয়ারের দাম
Technical Analysis-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো Price বা শেয়ারের দাম।
একটি শেয়ারের দাম প্রতিদিন একই থাকে না।
কখনো ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি থাকলে দাম বাড়তে পারে।
আবার বিক্রেতাদের চাপ বেশি হলে দাম কমতে পারে।
এই দাম কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে, কোথায় গিয়ে থামছে এবং কোন দিকে এগোচ্ছে—এসবই Technical Analysis-এর মূল বিষয়।
উদাহরণ:
ধরুন একটি শেয়ার:
৯০ → ৯৫ → ১০০ → ১০৫ → ১১০
এখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি দাম ধীরে ধীরে ওপরে যাচ্ছে।
অন্যদিকে:
১১০ → ১০৫ → ১০০ → ৯৫ → ৯০
এখানে দাম নিচের দিকে যাচ্ছে।
কিন্তু শুধু দুই-তিন দিনের দাম দেখে Trend নির্ধারণ করা উচিত নয়। সাধারণত পর্যাপ্ত সময়ের Price Movement দেখে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করা হয়।
২. Price Action — দাম কী বলছে?
Price Action হলো কোনো শেয়ারের অতীত ও বর্তমান মূল্য চলাচল বিশ্লেষণ করে বাজারের আচরণ বোঝার পদ্ধতি। DSEPlex Glossary-তেও Price Action-এর এই ধারণাটিই ব্যবহার করা হয়েছে।
Price Action — DSEPlex Glossary
সহজভাবে বললে—
চার্টে Indicator-এর আগে দাম কী করছে সেটি দেখা হলো Price Action-এর মূল ধারণা।
Price Action বিশ্লেষণের সময় আমরা দেখতে পারি:
দাম কোথা থেকে উঠছে
কোথায় গিয়ে থামছে
আগের উচ্চতা ভাঙছে কি না
আগের নিম্নতা ভাঙছে কি না
ক্রেতা নাকি বিক্রেতা বেশি শক্তিশালী
দাম দ্রুত নাকি ধীরে পরিবর্তিত হচ্ছে
পরবর্তী অধ্যায়গুলোতে Price Action আরও বিস্তারিতভাবে শেখানো হবে।
৩. Trend — শেয়ার কোন দিকে যাচ্ছে?
কোনো শেয়ারের দাম নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত কোন দিকে এগোচ্ছে, সেই সামগ্রিক প্রবণতাকে Trend বলা হয়।
Trend — DSEPlex Glossary
সাধারণভাবে তিন ধরনের Trend দেখা যায়:
Uptrend
দাম ধীরে ধীরে ওপরে যাওয়ার প্রবণতা।
উদাহরণ:
১০০ → ১০৫ → ১০৩ → ১১০ → ১০৮ → ১১৫
এখানে প্রতিটি বড় ওঠার পর দাম আগের তুলনায় আরও ওপরে যাওয়ার চেষ্টা করছে।
Technical Analysis-এ Uptrend-এর ক্ষেত্রে সাধারণত Higher High এবং Higher Low দেখা যায়।
Downtrend
দাম ধীরে ধীরে নিচের দিকে যাওয়ার প্রবণতা।
উদাহরণ:
১২০ → ১১৫ → ১১৭ → ১০৮ → ১১১ → ১০২
এখানে দাম নতুন নতুন নিম্ন পর্যায় তৈরি করছে।
Downtrend-এর ক্ষেত্রে সাধারণত Lower High এবং Lower Low দেখা যেতে পারে।
Sideways Trend
দাম একটি নির্দিষ্ট পরিসরের মধ্যে ওঠানামা করছে।
উদাহরণ:
১০০ → ১০৫ → ১০২ → ১০৭ → ১০৩ → ১০৬
দাম খুব পরিষ্কারভাবে ওপরে বা নিচে যাচ্ছে না।
এই ধরনের বাজারকে অনেক সময় Sideways বা Range-bound Market বলা হয়।
৪. Volume — আসলে কতটা লেনদেন হচ্ছে?
Volume হলো নির্দিষ্ট সময়ে কোনো শেয়ারের মোট কত ইউনিট লেনদেন হয়েছে। DSEPlex Glossary-তে Volume-কে ঠিক এইভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
Volume — DSEPlex Glossary
ধরুন, কোনো শেয়ারের দাম আজ ৫% বেড়েছে।
শুধু দাম দেখে আপনি বলতে পারেন—
“শেয়ারটির দাম বেড়েছে।”
কিন্তু Volume দেখলে আরও একটি প্রশ্ন করা যায়—
এই মূল্যবৃদ্ধির সময় বাজারে অংশগ্রহণ কতটা ছিল?
যদি দাম বাড়ার সঙ্গে Volume-ও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে, তাহলে বাজারে অংশগ্রহণ তুলনামূলকভাবে বেশি থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যেতে পারে।
আবার দাম বাড়লেও Volume খুব দুর্বল হলে সেটিকে আলাদাভাবে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।
তবে মনে রাখবেন:
Volume একা কোনো শেয়ারের ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারে না।
Price এবং Volume একসঙ্গে বিশ্লেষণ করাই বেশি কার্যকর।
৫. Support — কোথায় এসে দাম থামতে পারে?
ধরুন একটি শেয়ারের দাম:
১২০ → ১১০ → ১০২ → ১০০ → ১০৫ → ১১২
এরপর আবার:
১১২ → ১০৪ → ১০০ → ১০৬
দেখা যাচ্ছে, শেয়ারটি ১০০ টাকার আশেপাশে এসে বারবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে।
এই ধরনের মূল্যাঞ্চলকে Support হিসেবে বিশ্লেষণ করা যেতে পারে।
DSEPlex Glossary অনুযায়ী, Support হলো এমন একটি মূল্যস্তর যেখানে অতীতে বা নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ক্রয়চাপ বাড়ার প্রবণতা দেখা যেতে পারে।
Support — DSEPlex Glossary
সহজভাবে মনে রাখুন:
Support = নিচের দিকে সম্ভাব্য ক্রেতার আগ্রহের অঞ্চল।
তবে Support কোনো পাকা দেয়াল নয়।
বিক্রির চাপ অনেক বেশি হলে Support ভেঙে যেতে পারে।
৬. Resistance — কোথায় গিয়ে বিক্রির চাপ আসতে পারে?
এবার উল্টো উদাহরণ দেখি।
একটি শেয়ারের দাম:
১০০ → ১১০ → ১২০ → ১১৫ → ১২২ → ১১৮
যদি দেখা যায় ১২০–১২২ টাকার আশেপাশে বারবার দাম আটকে যাচ্ছে, তাহলে ওই অঞ্চলটি সম্ভাব্য Resistance হতে পারে।
সহজভাবে মনে রাখুন:
Resistance = ওপরের দিকে সম্ভাব্য বিক্রির চাপের অঞ্চল।
Support ও Resistance একসঙ্গে বোঝা Technical Analysis শেখার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। DSEPlex Glossary-তে এ দুটিকে Price Movement, Breakout এবং সম্ভাব্য Reversal বোঝার গুরুত্বপূর্ণ Technical ধারণা হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
Support & Resistance — DSEPlex Glossary
৭. Breakout — গুরুত্বপূর্ণ স্তর ভেঙে বের হওয়া
ধরুন একটি শেয়ারের Resistance ১৫০ টাকা।
শেয়ারটি কয়েকবার ১৫০ টাকার কাছে গিয়ে নিচে নেমেছে।
এরপর একদিন দাম ১৫০ টাকার ওপরে চলে গেল।
এটিকে Breakout হিসেবে বিশ্লেষণ করা যেতে পারে।
DSEPlex Glossary অনুযায়ী, কোনো শেয়ারের মূল্য গুরুত্বপূর্ণ Support বা Resistance অতিক্রম করে নতুন মূল্যপরিসরে প্রবেশ করলে তাকে Breakout বলা হয়।
Breakout — DSEPlex Glossary
কিন্তু এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা আছে।
প্রতিটি Breakout সফল হয় না।
কখনো দাম Resistance-এর ওপরে গেলেও আবার দ্রুত নিচে ফিরে আসে।
এটিকে False Breakout বলা হয়। DSEPlex Glossary-তেও False Breakout-এর জন্য আলাদা শব্দকোষ পেজ রয়েছে।
False Breakout — DSEPlex Glossary
তাই Breakout দেখলেই চোখ বন্ধ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়।
৮. Breakdown — Support ভেঙে নিচে যাওয়া
Breakout-এর বিপরীত দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো Breakdown।
যদি কোনো শেয়ারের দাম গুরুত্বপূর্ণ Support-এর নিচে চলে যায়, তাকে Breakdown বলা হয়।
Breakdown — DSEPlex Glossary
উদাহরণ:
Support = ১০০ টাকা
দাম:
১০৫ → ১০২ → ১০০ → ৯৮ → ৯৫
যদি ১০০ টাকার Support গুরুত্বপূর্ণভাবে ভেঙে যায়, তাহলে এটি সম্ভাব্য দুর্বলতার সংকেত হিসেবে বিশ্লেষণ করা যেতে পারে।
তবে এখানেও নিশ্চিত সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না।
দাম সাময়িকভাবে Support-এর নিচে গিয়ে আবার ওপরে ফিরে আসতে পারে।
৯. Candlestick — চার্টের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভাষা
Technical Analysis শেখার সময় খুব দ্রুত আপনি Candlestick শব্দটির সঙ্গে পরিচিত হবেন।
Candlestick নির্দিষ্ট সময়ের Open, High, Low এবং Close মূল্যকে একটি দৃশ্যমান আকারে দেখায়। DSEPlex Glossary-তেও Candlestick-এর সংজ্ঞা এভাবেই দেওয়া হয়েছে।
Candlestick — DSEPlex Glossary
একটি Candlestick দেখে আমরা জানতে পারি:
কোথায় Open হয়েছে
দিনের সর্বোচ্চ দাম কত ছিল
দিনের সর্বনিম্ন দাম কত ছিল
কোথায় Close হয়েছে
ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে কার চাপ তুলনামূলক বেশি ছিল
পরবর্তী অধ্যায়ে আমরা পুরোপুরি Candlestick শেখার জন্য আলাদা পাঠ করব।
Technical Analysis কি শুধু ট্রেডারদের জন্য?
শুধু স্বল্পমেয়াদি Trader-দের জন্য নয়।
একজন দীর্ঘমেয়াদি Investor-ও Technical Analysis ব্যবহার করতে পারেন।
যেমন:
কোনো কোম্পানির Fundamental Analysis করে আপনি মনে করলেন কোম্পানিটি ভালো।
কিন্তু শেয়ারটির দাম বর্তমানে খুব দ্রুত বেড়ে গেছে।
তখন Technical Analysis ব্যবহার করে আপনি দেখতে পারেন—
বর্তমান দাম কোথায়
Support কোথায়
Resistance কোথায়
Trend কেমন
দাম অতিরিক্ত দ্রুত বেড়েছে কি না
সম্ভাব্য Entry কোথায় হতে পারে
অর্থাৎ Fundamental Analysis আপনাকে কোম্পানি সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে, আর Technical Analysis আপনাকে মূল্যের আচরণ ও সম্ভাব্য Entry/Exit অঞ্চল বুঝতে সাহায্য করতে পারে।
Technical Analysis বনাম Fundamental Analysis
একটি সহজ উদাহরণ দিয়ে বুঝি।
ধরুন আপনি একটি কোম্পানি বিশ্লেষণ করছেন।
Fundamental Analysis-এ আপনি দেখতে পারেন:
EPS
Revenue
Profit
Debt
Dividend
NAV
P/E
যেমন, EPS কোম্পানি প্রতি শেয়ারের বিপরীতে কত টাকা আয় করেছে তা বোঝায়। DSEPlex-এর EPS Glossary-তেও এটিকে Fundamental Analysis-এর গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
EPS — DSEPlex Glossary
অন্যদিকে Technical Analysis-এ আপনি দেখবেন:
Price
Volume
Trend
Support
Resistance
Candlestick
Pattern
Indicator
অর্থাৎ একটি কোম্পানিকে বোঝার জন্য Fundamental এবং Technical—দুটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি।
DSE-তে Technical Analysis শেখার সময় কী দেখবেন?
বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে Technical Analysis শেখার সময় বাস্তব DSE ডেটার সঙ্গে অনুশীলন করা সবচেয়ে ভালো।
DSEPlex-এর Advanced Chart-এ শেয়ারের Price, Volume, Open, High, Low এবং বিভিন্ন Technical Indicator দেখা যায়।
DSEPlex Advanced Chart
উদাহরণ হিসেবে কোনো শেয়ারের চার্ট খুলে প্রথমে শুধু এই পাঁচটি প্রশ্ন করুন:
১. দাম কোন দিকে যাচ্ছে?
২. Trend পরিষ্কার কি না?
৩. Support কোথায়?
৪. Resistance কোথায়?
৫. Volume কী বলছে?
এই পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর দিতে পারলেই আপনার Technical Analysis শেখার প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়ে যাবে।
নতুনরা যে ভুলগুলো করবেন না
ভুল ১ — প্রথম দিনেই ১০টি Indicator ব্যবহার করা
এটি করবেন না।
প্রথমে Price এবং Chart বুঝুন।
ভুল ২ — RSI দেখেই শেয়ার কেনা
RSI একটি Indicator। এটি একা Buy বা Sell-এর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়।
ভুল ৩ — Support মানেই দাম অবশ্যই বাড়বে
না।
Support ভেঙে যেতে পারে।
ভুল ৪ — Resistance মানেই দাম অবশ্যই কমবে
না।
Resistance ভেঙে দাম আরও ওপরে যেতে পারে।
ভুল ৫ — Breakout দেখেই দৌড়ে কেনা
Breakout-এর পর False Breakout হতে পারে।
Volume এবং Price Behaviour-ও দেখতে হবে।
ভুল ৬ — শুধু একটি দিনের চার্ট দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া
এক দিনের পরিবর্তন দিয়ে পুরো Trend বোঝা সবসময় সম্ভব নয়।
বিভিন্ন সময়সীমার চার্ট দেখা প্রয়োজন হতে পারে।
একটি সহজ Technical Analysis Checklist
কোনো শেয়ার প্রথমবার দেখলে এই ক্রমে বিশ্লেষণ করার অভ্যাস করুন:
ধাপ ১
Price দেখুন
বর্তমান দাম কোথায়?
ধাপ ২
Trend দেখুন
Uptrend, Downtrend নাকি Sideways?
ধাপ ৩
Support দেখুন
দামের নিচে গুরুত্বপূর্ণ Support কোথায়?
ধাপ ৪
Resistance দেখুন
দামের ওপরে গুরুত্বপূর্ণ Resistance কোথায়?
ধাপ ৫
Volume দেখুন
মূল্য পরিবর্তনের সঙ্গে Volume কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে?
ধাপ ৬
Candlestick দেখুন
সাম্প্রতিক Candle কী ধরনের Price Behaviour দেখাচ্ছে?
ধাপ ৭
তারপর Indicator ব্যবহার করুন
প্রয়োজন অনুযায়ী RSI, Moving Average, MACD বা অন্য Indicator ব্যবহার করুন।
এই অধ্যায়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
আজ যদি আপনি শুধু নিচের বিষয়গুলো বুঝতে পারেন, তাহলে এই অধ্যায় সফলভাবে শেষ করেছেন:
Price — দাম কী করছে?
Price Action — দাম কীভাবে আচরণ করছে?
Trend — দাম কোন দিকে যাচ্ছে?
Volume — কতটা লেনদেন হচ্ছে?
Support — নিচে কোথায় ক্রেতার আগ্রহ দেখা যেতে পারে?
Resistance — ওপরে কোথায় বিক্রির চাপ দেখা যেতে পারে?
Breakout — গুরুত্বপূর্ণ স্তর ভেঙে বের হওয়া।
Breakdown — গুরুত্বপূর্ণ Support ভেঙে নিচে যাওয়া।
Candlestick — নির্দিষ্ট সময়ের Price Movement-এর দৃশ্যমান রূপ।
মনে রাখার সহজ সূত্র
Technical Analysis-কে আপাতত এইভাবে মনে রাখুন:
দাম কী করছে?
↓
কোন দিকে যাচ্ছে?
↓
কোথায় Support?
↓
কোথায় Resistance?
↓
Volume কী বলছে?
↓
Candlestick কী দেখাচ্ছে?
↓
তারপর Indicator দিয়ে আরও যাচাই।
পরবর্তী অধ্যায়
অধ্যায় ২: চার্ট কী? — শেয়ারের চার্ট পড়ার একদম শুরু
পরবর্তী অধ্যায়ে আমরা একদম শূন্য থেকে শিখব—
Chart কী
Chart কেন ব্যবহার করা হয়
Line Chart
Bar Chart
Candlestick Chart
Open, High, Low, Close
Timeframe কী
দৈনিক Chart কী
সাপ্তাহিক Chart কী
মাসিক Chart কী
DSE শেয়ারের Chart কীভাবে পড়বেন
Chart দেখার সময় কোন তথ্য আগে দেখবেন
এরপর আমরা ধাপে ধাপে Candlestick → Trend → Support & Resistance → Volume → Trendline → Chart Pattern → Moving Average → RSI → MACD → Advanced Technical Analysis → Trading Strategy → Risk Management পর্যন্ত যাব।
257
13
পড়ুন →
technical analysis
02 Sep, 2026
ফালস ব্রেকআউট কী? — আসল Breakout ও মিথ্যা Breakout কীভাবে আলাদা করবেন
False Breakout কী?
আগের অধ্যায়ে আমরা শিখেছি Breakout ও Breakdown।
এখন এমন একটি বিষয় শিখব, যেটি নতুনদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ—False Breakout।
ধরুন কোনো শেয়ারের Resistance:
১০০–১০২ টাকা
অনেকদিন ধরে Price এই অঞ্চলের নিচে ঘোরাফেরা করছে।
একদিন Price:
১০১ → ১০৪ → ১০৬
হয়ে Resistance-এর ওপরে চলে গেল।
আপনি ভাবলেন:
“Resistance ভেঙে গেছে, এবার হয়তো দাম আরও বাড়বে।”
কিন্তু কিছুক্ষণ বা কয়েকদিন পর Price আবার:
১০৬ → ১০২ → ৯৯ → ৯৬
হয়ে আগের Range-এর নিচে চলে গেল।
এ ধরনের পরিস্থিতিকে False Breakout বলা হয়।
ফলস ব্রেকআউট — ডিএসইপ্লেক্স গ্লসারি
সহজভাবে:
Price কোনো গুরুত্বপূর্ণ Resistance ভাঙার মতো আচরণ করেও যদি পরে আবার সেই Level-এর নিচে ফিরে আসে, তাহলে সেটি False Breakout হতে পারে।
False Breakout কেন গুরুত্বপূর্ণ?
কারণ চার্টে Breakout দেখলে অনেক বিনিয়োগকারী মনে করতে পারেন:
“এখন Price দ্রুত ওপরে যাবে।”
কিন্তু Breakout সত্যি না হলে Price আবার নিচে নেমে যেতে পারে।
বিশেষ করে কেউ যদি Confirmation ছাড়া Breakout-এর সময় কিনে ফেলেন, তাহলে Price উল্টো দিকে গেলে ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।
তাই Technical Analysis শেখার সময় শুধু:
Breakout হয়েছে কি না
এটি জানা যথেষ্ট নয়।
বরং জানতে হবে:
Breakout কি সত্যি ধরে রাখতে পারছে?
False Breakout-এর সহজ উদাহরণ
ধরুন:
Resistance = ৫০–৫২ টাকা
Price দীর্ঘদিন ধরে:
৪৭ → ৫০ → ৪৯ → ৫১ → ৪৮ → ৫২
এর মধ্যে ঘুরছে।
একদিন:
৫২ → ৫৫
হলো।
এখন মনে হলো Resistance Break হয়েছে।
কিন্তু পরে:
৫৫ → ৫১ → ৪৮
হয়ে গেল।
অর্থাৎ Price আবার Resistance Zone-এর নিচে চলে এসেছে।
এটি একটি সম্ভাব্য False Breakout।
False Breakout-এর মূল বৈশিষ্ট্য
একটি False Breakout-এর ক্ষেত্রে সাধারণত আমরা দেখতে পারি:
Resistance
↓
Price Break করে ওপরে যায়
↓
Breakout ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়
↓
আবার Resistance-এর নিচে ফিরে আসে
এই শেষ অংশটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
শুধু Wick ওপরে গেলেই কি Breakout?
না।
এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ।
ধরুন Resistance:
১০০–১০২
একটি Candle:
Open = ৯৯
High = ১০৫
Close = ১০০
এখানে Price Intraday-তে ১০৫ পর্যন্ত উঠেছিল।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত ১০০ টাকায় Close করেছে।
অর্থাৎ Price ওপরে গিয়ে ধরে রাখতে পারেনি।
এটি Price Rejection-এর একটি ইঙ্গিত হতে পারে।
তাই শুধু Candle-এর High দেখে Breakout বলা ঠিক নয়।
Candlestick — ডিএসইপ্লেক্স গ্লসারি
Candle Close কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
ধরুন Resistance:
১০০–১০২
পরিস্থিতি ১
High = ১০৬
Close = ১০১
Price Resistance-এর ওপরে গিয়েছিল, কিন্তু সেখানে থাকতে পারেনি।
পরিস্থিতি ২
High = ১০৬
Close = ১০৫
Price Resistance-এর ওপরে Close করেছে।
দ্বিতীয় পরিস্থিতি Breakout যাচাইয়ের জন্য তুলনামূলকভাবে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
তবে এটিও নিশ্চিত Breakout নয়।
এরপর দেখতে হবে:
Volume + পরবর্তী Price Action + Retest
False Breakout ও Volume
False Breakout বোঝার ক্ষেত্রে Volume গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান।
ধরুন:
Resistance = ১০০–১০২
Price = ১০৫
কিন্তু Breakout-এর সময় Volume খুবই কম।
এখন প্রশ্ন:
“এই Breakout-এর পেছনে যথেষ্ট বাজার অংশগ্রহণ আছে কি?”
অন্যদিকে:
Price Resistance-এর ওপরে গেল এবং Volume উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেল।
এটি Breakout-এর শক্তি যাচাই করার জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
তবে:
Volume বেশি হলেই Breakout সত্যি হবে—এমন নয়।
কারণ উচ্চ Volume-এর পরেও Price ব্যর্থ হয়ে আবার নিচে ফিরতে পারে।
ভলিউম — ডিএসইপ্লেক্স গ্লসারি
False Breakout-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত
ধরুন:
Resistance = ১০০–১০২
Price:
৯৫ → ১০০ → ১০৩ → ১০৬
এখন Breakout মনে হচ্ছে।
কিন্তু পরবর্তী Candle:
Open = ১০৬
High = ১০৭
Close = ১০১
এখানে বড় Upper Wick তৈরি হয়েছে।
অর্থাৎ Price ওপরে উঠেছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিক্রির চাপ এসে Price-কে নিচে নামিয়েছে।
এটি সম্ভাব্য False Breakout বা Breakout Failure-এর সতর্ক সংকেত হতে পারে।
False Breakout বনাম সত্যিকারের Breakout
বিষয়
সত্যিকারের Breakout-এর সম্ভাব্য বৈশিষ্ট্য
False Breakout-এর সম্ভাব্য বৈশিষ্ট্য
Resistance
ওপরে ভাঙে
ওপরে যায়
Close
Level-এর ওপরে থাকতে পারে
আবার Level-এর নিচে আসে
Volume
সমর্থন করতে পারে
দুর্বল হতে পারে বা পরে ব্যর্থ হতে পারে
Price Action
Break ধরে রাখতে পারে
দ্রুত ফিরে আসে
Retest
পুরোনো Resistance Support হতে পারে
Level ধরে রাখতে ব্যর্থ হতে পারে
পরবর্তী Movement
নতুন High তৈরি হতে পারে
আগের Range-এ ফিরে আসতে পারে
এগুলো কঠোর নিয়ম নয়; বাস্তব চার্টে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।
False Breakout কি সবসময় দ্রুত ধরা যায়?
না।
কখনো Price Breakout করার পর কয়েকদিন ওপরে থাকতে পারে।
তারপর হঠাৎ আবার নিচে নেমে আসতে পারে।
তাই Breakout-এর সত্যতা অনেক সময় পরবর্তী Price Behaviour থেকে বোঝা যায়।
এ কারণেই ধৈর্য গুরুত্বপূর্ণ।
Retest দিয়ে False Breakout বোঝা
আগের অধ্যায়ে আমরা Retest শিখেছি।
ধরুন:
Resistance = ১০০–১০২
Price:
৯৮ → ১০৫
Breakout হলো।
তারপর Price:
১০৫ → ১০১
Retest করল।
এখন দুটি পরিস্থিতি হতে পারে।
পরিস্থিতি ১
১০১ → ১০৮
Price পুরোনো Resistance-এর ওপরে থেকে আবার উঠল।
এতে Breakout ধরে রাখার শক্তি দেখা যাচ্ছে।
পরিস্থিতি ২
১০১ → ৯৭
Price আবার Resistance-এর নিচে চলে গেল।
এতে Breakout ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।
এটাই False Breakout বোঝার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি।
রিটেস্ট — ডিএসইপ্লেক্স গ্লসারি
Breakout Failure কী?
Breakout হওয়ার পর Price যদি সেই Breakout Level ধরে রাখতে না পারে এবং আবার আগের Range-এর মধ্যে ফিরে আসে, তখন সেটিকে Breakout Failure হিসেবে বিশ্লেষণ করা যায়।
উদাহরণ:
Resistance = ১০০–১০২
Price:
১০২ → ১০৬
তারপর:
১০৬ → ১০১ → ৯৮
Breakout ব্যর্থ হয়েছে কি না তা এখানে বিশ্লেষণ করা যায়।
অনেক সময় Breakout Failure-ই False Breakout-এর অংশ হয়ে থাকে।
Bull Trap কী?
False Breakout-এর সঙ্গে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ হলো Bull Trap।
ধরুন একটি Resistance Break হয়েছে বলে মনে হলো।
কিছু বিনিয়োগকারী Price আরও ওপরে যাবে ভেবে কিনলেন।
কিন্তু Price দ্রুত আবার নিচে ফিরে গেল।
যারা Breakout দেখে আশাবাদী হয়ে প্রবেশ করেছিলেন, তারা ফাঁদে পড়েছেন।
এ ধরনের পরিস্থিতিকে Bull Trap বলা হয়।
বুল ট্র্যাপ — ডিএসইপ্লেক্স গ্লসারি
সহজভাবে:
False Upside Breakout অনেক সময় Bull Trap তৈরি করতে পারে।
Bear Trap কী?
এবার উল্টো পরিস্থিতি।
ধরুন Support:
৮০–৮২
Price:
৮২ → ৭৭
Support ভেঙে গেল বলে মনে হলো।
কেউ ভাবল Price আরও নিচে যাবে।
কিন্তু কিছুক্ষণ পর:
৭৭ → ৮২ → ৮৭
হয়ে Price আবার ওপরে উঠে গেল।
এটি False Breakdown-এর উদাহরণ হতে পারে।
এ ধরনের পরিস্থিতিকে Bear Trap বলা হয়।
বিয়ার ট্র্যাপ — ডিএসইপ্লেক্স গ্লসারি
False Breakout এবং False Breakdown
দুটিকে একসঙ্গে মনে রাখুন।
False Breakout
Resistance-এর ওপরে গিয়ে আবার নিচে ফিরে আসা।
False Breakdown
Support-এর নিচে গিয়ে আবার ওপরে ফিরে আসা।
সহজ সূত্র:
False Breakout → উপরে গিয়ে ব্যর্থ
False Breakdown → নিচে গিয়ে ব্যর্থ
False Breakdown কী?
ধরুন:
Support = ১০০–১০২
Price:
১১০ → ১০৩ → ৯৯ → ৯৬
এখন Support Break মনে হচ্ছে।
কিন্তু পরের কয়েকটি Candle:
৯৬ → ১০০ → ১০৪ → ১০৮
Price আবার Support-এর ওপরে উঠে গেল।
এটি False Breakdown হতে পারে।
ফলস ব্রেকডাউন — ডিএসইপ্লেক্স গ্লসারি
False Breakout কেন হয়?
এর একাধিক কারণ থাকতে পারে।
১. পর্যাপ্ত ক্রেতা না থাকা
Price Resistance-এর ওপরে গেলেও নতুন ক্রেতা পর্যাপ্ত না হলে Price ধরে রাখতে নাও পারে।
২. কম Volume
Breakout-এর পেছনে বাজারের অংশগ্রহণ দুর্বল হতে পারে।
৩. Profit Taking
আগের ক্রেতারা Breakout-এর সময় মুনাফা নিয়ে বিক্রি করতে পারেন।
৪. গুরুত্বপূর্ণ News
হঠাৎ কোনো খবর Price Movement বদলে দিতে পারে।
৫. বড় Timeframe-এর Resistance
ছোট Timeframe-এ Breakout হলেও বড় Timeframe-এর Resistance-এর কাছে গিয়ে Price আটকে যেতে পারে।
৬. বাজারের সামগ্রিক দুর্বলতা
একটি শেয়ার একা শক্তিশালী হতে না পারলে Breakout ব্যর্থ হতে পারে।
Multiple Timeframe কেন গুরুত্বপূর্ণ?
ধরুন:
দৈনিক চার্টে Resistance = ১০০
কিন্তু:
সাপ্তাহিক চার্টে Resistance = ১০৫
দৈনিক চার্টে Price ১০০ Break করল।
কিন্তু ১০৫-এর কাছে গিয়ে আটকে গেল এবং আবার নিচে নেমে গেল।
এখানে দৈনিক চার্টের Breakout শেষ পর্যন্ত False Breakout হয়ে দাঁড়াতে পারে।
তাই বড় Timeframe-এর গুরুত্বপূর্ণ Level দেখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
False Breakout এবং Support/Resistance
একটি False Breakout সাধারণত কোনো গুরুত্বপূর্ণ Level-এর আশেপাশেই বেশি অর্থবহ হয়।
উদাহরণ:
Resistance Zone = ১২০–১২৩
Price = ১২৫
কিন্তু পরে ১২০-এর নিচে ফিরে এল।
এখানে ১২০–১২৩ Zone-এর আচরণ গুরুত্বপূর্ণ।
তাই Support ও Resistance ভালোভাবে না জানলে False Breakout-ও ভালোভাবে বোঝা কঠিন।
False Breakout এবং Price Action
False Breakout বিশ্লেষণে Price Action খুব গুরুত্বপূর্ণ।
প্রাইস অ্যাকশন — ডিএসইপ্লেক্স গ্লসারি
দেখুন:
Price কি Level-এর ওপরে থাকতে পারছে?
বারবার Upper Wick তৈরি হচ্ছে কি?
Bullish Candle-এর পর Bearish Candle আসছে কি?
Breakout-এর পর Momentum কমছে কি?
Price কি দ্রুত আগের Range-এ ফিরে যাচ্ছে?
এই আচরণগুলো False Breakout-এর সম্ভাবনা বুঝতে সাহায্য করতে পারে।
False Breakout এবং Candlestick
Resistance-এর কাছে বিশেষভাবে লক্ষ্য করতে পারেন:
দীর্ঘ Upper Wick
Price ওপরে গিয়ে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে কি না বোঝার একটি ইঙ্গিত হতে পারে।
Bearish Engulfing
Breakout-এর পর বিক্রির চাপ বাড়ছে কি না তা পর্যবেক্ষণ করা যায়।
ছোট Body
Breakout-এর শক্তি দুর্বল কি না তা যাচাইয়ের কারণ হতে পারে।
তবে:
কোনো একটি Candlestick Pattern একা False Breakout নিশ্চিত করে না।
False Breakout এবং Volume
একটি সম্ভাব্য False Breakout-এর ক্ষেত্রে আপনি লক্ষ্য করতে পারেন:
Price Break → Volume দুর্বল → Price ধরে রাখতে ব্যর্থ → আবার নিচে
আবার কখনো:
Price Break → Volume বেশি → কিন্তু পরবর্তী সময়ে বড় Selling → Price নিচে
হতেও পারে।
অর্থাৎ Volume গুরুত্বপূর্ণ হলেও একে একা ব্যবহার করা যাবে না।
DSE শেয়ারে False Breakout কীভাবে খুঁজবেন?
DSEPlex-এর যেকোনো শেয়ারের Chart খুলুন।
DSEPlex চার্ট
তারপর:
ধাপ ১
Daily Chart নির্বাচন করুন।
ধাপ ২
একটি পরিষ্কার Resistance Zone খুঁজুন।
ধাপ ৩
Price কতবার সেই Zone Test করেছে দেখুন।
ধাপ ৪
Price Zone-এর ওপরে Break করেছে কি না দেখুন।
ধাপ ৫
Breakout-এর Candle Close দেখুন।
ধাপ ৬
Volume দেখুন।
ধাপ ৭
পরবর্তী কয়েকটি Candle দেখুন।
ধাপ ৮
Price আবার Resistance-এর নিচে এসেছে কি না দেখুন।
ধাপ ৯
Retest হয়েছে কি না দেখুন।
ধাপ ১০
Price আবার আগের Range-এর মধ্যে ঢুকেছে কি না দেখুন।
যদি Price Breakout ধরে রাখতে ব্যর্থ হয় এবং দ্রুত আগের Range-এ ফিরে আসে, তাহলে সেটিকে False Breakout হিসেবে বিশ্লেষণ করা যেতে পারে।
একটি পূর্ণ DSE উদাহরণ
ধরুন কোনো শেয়ারে:
Resistance = ৫০–৫২ টাকা
গত কয়েক সপ্তাহে Price:
৪৮ → ৫১ → ৪৯ → ৫২ → ৫০
এভাবে ঘুরছে।
একদিন:
৫০ → ৫৪
হলো।
Volume আগের তুলনায় বেড়েছে।
এখন Breakout মনে হচ্ছে।
পরের দিন:
৫৪ → ৫৬
হলো।
কিন্তু এরপর:
৫৬ → ৫২ → ৫০ → ৪৮
হলো।
এখন দেখা যাচ্ছে Price আবার ৫০–৫২ Zone-এর নিচে ফিরে এসেছে।
এখানে প্রশ্ন হবে:
Breakout কি সত্যি ছিল?
যেহেতু Price Breakout ধরে রাখতে পারেনি, এটি False Breakout হওয়ার সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করা যায়।
False Breakout শনাক্ত করার সহজ কাঠামো
মনে রাখুন:
Resistance
↓
Breakout
↓
Close যাচাই
↓
Volume যাচাই
↓
পরবর্তী Price Action
↓
Retest
↓
আবার Level-এর নিচে?
যদি শেষ প্রশ্নের উত্তর হ্যাঁ হয়, তাহলে False Breakout-এর সম্ভাবনা বাড়তে পারে।
False Breakdown-এর সহজ কাঠামো
Support
↓
Breakdown
↓
Close যাচাই
↓
Volume যাচাই
↓
পরবর্তী Price Action
↓
Retest
↓
আবার Support-এর ওপরে?
যদি হ্যাঁ হয়, তাহলে False Breakdown-এর সম্ভাবনা বাড়তে পারে।
False Breakout এড়াতে কী করবেন?
এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তাড়াহুড়ো না করা।
Breakout দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিবর্তে:
প্রথমে দেখুন
Price কি Level-এর ওপরে Close করেছে?
এরপর দেখুন
Volume কেমন?
তারপর দেখুন
পরবর্তী Price Movement কী?
এরপর
Retest হচ্ছে কি?
সবশেষে
পুরোনো Resistance কি নতুন Support হিসেবে কাজ করছে?
এই ধারায় বিশ্লেষণ করলে False Breakout-এর ঝুঁকি সম্পর্কে ধারণা পরিষ্কার হবে।
তবে Confirmation-এর জন্য কতদিন অপেক্ষা করবেন?
এর কোনো একটি নির্দিষ্ট নিয়ম নেই।
এটি নির্ভর করে:
Timeframe
Trading Strategy
Price Movement
Volatility
Market Condition
এর ওপর।
দৈনিক Chart-এর Breakout বিশ্লেষণ এবং কয়েক মিনিটের Chart-এর Breakout বিশ্লেষণ এক নয়।
তাই নিজের Strategy অনুযায়ী Confirmation-এর নিয়ম নির্ধারণ করতে হবে।
False Breakout মানেই কি সবসময় Price অনেক নিচে যাবে?
না।
False Breakout-এর পরে Price:
সামান্য নিচে আসতে পারে
আগের Range-এ ফিরে আসতে পারে
Support পর্যন্ত যেতে পারে
আরও বড় পতন করতে পারে
আবার দ্রুত Resistance-এর ওপরে উঠতে পারে
তাই False Breakout মানেই বড় পতন—এমন নয়।
False Breakdown মানেই কি বড় পতন থেমে যাবে?
না।
False Breakdown হলে Price আবার Support-এর ওপরে উঠতে পারে।
কিন্তু পরে আবার Support Break করতে পারে।
তাই একটি False Breakdown দেখেও নিশ্চিতভাবে “এখন দাম বাড়বেই” বলা যাবে না।
নতুনদের সবচেয়ে সাধারণ ভুল
ভুল ১: Resistance-এর সামান্য ওপরে গেলেই Breakout ধরে নেওয়া
সমাধান: Close দেখুন।
ভুল ২: Volume না দেখা
সমাধান: Price-এর সঙ্গে Volume বিশ্লেষণ করুন।
ভুল ৩: Retest-এর জন্য অপেক্ষা না করা
সমাধান: Breakout-এর পর Price Behaviour দেখুন।
ভুল ৪: একটি Candle দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া
সমাধান: কয়েকটি Candle-এর কাঠামো দেখুন।
ভুল ৫: বড় Timeframe উপেক্ষা করা
সমাধান: দৈনিক ও সাপ্তাহিক গুরুত্বপূর্ণ Level দেখুন।
ভুল ৬: Breakout মানেই দ্রুত Price Increase ভাবা
সমাধান: Breakout হলো একটি Price Event, নিশ্চিত ভবিষ্যৎ নয়।
ভুল ৭: False Breakout দেখেই সব Breakout-কে অবিশ্বাস করা
এটিও ভুল।
False Breakout আছে বলে সত্যিকারের Breakout নেই—এমন নয়।
False Breakout Checklist
কোনো Breakout দেখলে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন:
১. Resistance কতটা গুরুত্বপূর্ণ?
২. Price কি Zone-এর ওপরে Close করেছে?
৩. Candle-এর Body কেমন?
৪. Upper Wick আছে কি?
৫. Volume কেমন?
৬. পরবর্তী Candle কী করেছে?
৭. Price কি আবার Resistance-এর নিচে এসেছে?
৮. Retest হয়েছে কি?
৯. Retest-এর পর Price ধরে রাখতে পেরেছে কি?
১০. বড় Timeframe-এ কোনো Resistance আছে কি?
১১. Market-এর সামগ্রিক Trend কী?
১২. Breakout-এর পরে নতুন High তৈরি হয়েছে কি?
এই Checklist ব্যবহার করলে False Breakout বিশ্লেষণ অনেক সহজ হবে।
False Breakout বনাম Bull Trap
দুটি শব্দ কাছাকাছি হলেও পুরোপুরি একই নয়।
False Breakout
একটি Breakout ব্যর্থ হয়েছে—এটি Price Behaviour-এর বর্ণনা।
Bull Trap
Breakout দেখে কিছু ক্রেতা প্রবেশ করার পর Price বিপরীত দিকে গিয়ে তাদের আটকে ফেলার পরিস্থিতি।
অর্থাৎ:
একটি False Breakout Bull Trap তৈরি করতে পারে।
কিন্তু প্রতিটি False Breakout-কে অবশ্যই Bull Trap বলতে হবে—এমন নয়।
False Breakdown বনাম Bear Trap
একইভাবে:
False Breakdown
Support Break ব্যর্থ হয়েছে।
Bear Trap
Support Break দেখে কেউ Bearish হয়ে গেল, কিন্তু Price দ্রুত ওপরে ফিরে গিয়ে তাদের ভুল অবস্থানে ফেলে দিল।
অর্থাৎ:
একটি False Breakdown Bear Trap তৈরি করতে পারে।
এই অধ্যায়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা
False Breakout শেখার মূল বিষয় হলো:
Breakout দেখা আর Breakout সফল হওয়া—দুটি আলাদা বিষয়।
Price Resistance-এর ওপরে গেলেই গল্প শেষ নয়।
আমাদের দেখতে হবে:
Breakout
↓
Close
↓
Volume
↓
Price Action
↓
Retest
↓
Level ধরে রাখা
যদি Price আবার পুরোনো Resistance-এর নিচে ফিরে আসে, তাহলে False Breakout-এর সম্ভাবনা গুরুত্ব দিয়ে বিশ্লেষণ করতে হবে।
এক লাইনে মনে রাখুন
Resistance ভেঙে Price ওপরে গেলেও যদি সেই Breakout ধরে রাখতে না পারে এবং আবার আগের Level-এর নিচে ফিরে আসে, সেটিই সম্ভাব্য False Breakout।
আর Support-এর ক্ষেত্রে:
Support ভেঙে Price নিচে গেলেও যদি আবার Support-এর ওপরে ফিরে আসে, সেটি সম্ভাব্য False Breakdown।
ছোট্ট অনুশীলন
DSEPlex-এর একটি শেয়ারের Daily Chart খুলুন।
DSEPlex চার্ট
গত কয়েক মাসের Chart দেখে এমন একটি জায়গা খুঁজুন যেখানে:
১. Resistance ছিল
২. Price Resistance-এর ওপরে গিয়েছিল
৩. Breakout-এর সময় Volume কেমন ছিল
৪. Price কোথায় Close করেছিল
৫. এরপর Price কী করেছিল
৬. Retest হয়েছিল কি না
৭. শেষ পর্যন্ত Price Resistance-এর ওপরে ছিল নাকি আবার নিচে ফিরে এসেছিল
তারপর সিদ্ধান্ত নিন:
সত্যিকারের Breakout?
নাকি
False Breakout?
একইভাবে একটি False Breakdown খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন।
এই অনুশীলন কয়েকটি DSE শেয়ারে করলে False Breakout চোখে ধরার দক্ষতা দ্রুত বাড়বে।
পরবর্তী অধ্যায়
অধ্যায় ১২: ভলিউম কী? — দামের সঙ্গে কেন Volume দেখা জরুরি
পরবর্তী অধ্যায়ে আমরা Volume নিয়ে বিস্তারিতভাবে শুরু করব।
শিখব:
Volume কী
Volume কেন গুরুত্বপূর্ণ
Price ও Volume-এর সম্পর্ক
Volume বাড়লে কী বোঝায়
Volume কমলে কী বোঝায়
Uptrend + Volume
Downtrend + Volume
Breakout + Volume
Breakdown + Volume
Volume Confirmation
Volume Spike
Accumulation ও Distribution-এর প্রাথমিক ধারণা
False Breakout-এ Volume-এর ভূমিকা
DSE শেয়ারে Volume কীভাবে পড়বেন
নতুনদের Volume বিশ্লেষণের সাধারণ ভুল
এরপর আমরা Candlestick + Price + Volume একসঙ্গে ব্যবহার করে আরও বাস্তবসম্মত চার্ট বিশ্লেষণে যাব।
103
4
পড়ুন →
technical analysis
13 Sep, 2026
SMA বনাম EMA — কোনটি কীভাবে ব্যবহার করবেন?
১. SMA ও EMA—দুটিই Moving Average
আগের অধ্যায়ে আমরা Moving Average-এর মূল ধারণা শিখেছি।
এখন প্রশ্ন:
SMA এবং EMA-এর মধ্যে পার্থক্য কোথায়?
দুটিই Price-এর Average দেখায়।
কিন্তু Price-কে গুরুত্ব দেওয়ার পদ্ধতি আলাদা।
SMA
Simple Moving Average
→ নির্দিষ্ট সময়ের Price-কে সাধারণভাবে গড় করে।
EMA
Exponential Moving Average
→ সাম্প্রতিক Price-কে তুলনামূলক বেশি গুরুত্ব দেয়।
এই একটি পার্থক্যই SMA ও EMA-এর আচরণে বড় পরিবর্তন তৈরি করে।
২. খুব সহজ উদাহরণ
ধরুন পাঁচটি দিনের Closing Price:
১০০, ১০২, ১০৪, ১০৬, ১২০
এখানে শেষ দিনে Price হঠাৎ অনেক বেড়েছে।
SMA
SMA সব Price-কে সাধারণভাবে বিবেচনা করে।
EMA
EMA সর্বশেষ Price ১২০-কে তুলনামূলক বেশি গুরুত্ব দেয়।
ফলে:
Price দ্রুত পরিবর্তিত হলে EMA সাধারণত SMA-এর তুলনায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে।
৩. SMA কীভাবে কাজ করে?
SMA মূলত সাধারণ Average।
ধরুন ৫ দিনের Price:
১০০ + ১০৫ + ১১০ + ১০৫ + ১১৫
তাহলে:
SMA ৫ = ১০৭ টাকা
পরের দিন নতুন Price এলে পুরোনো দিনের Price বাদ দিয়ে নতুন ৫ দিনের Average তৈরি হবে।
অর্থাৎ Average ক্রমাগত সামনে এগিয়ে যায়।
৪. EMA কীভাবে কাজ করে?
EMA একই ধরনের Moving Average হলেও সাম্প্রতিক Price-কে বেশি গুরুত্ব দেয়।
তাই নতুন Price দ্রুত পরিবর্তিত হলে EMA তুলনামূলক দ্রুত তার সঙ্গে মানিয়ে নেয়।
সহজভাবে:
Price দ্রুত বদলাল
↓
EMA দ্রুত প্রতিক্রিয়া
↓
SMA তুলনামূলক ধীরে প্রতিক্রিয়া
তবে EMA দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখায় বলে এটি সবসময় “ভালো” নয়।
দ্রুত প্রতিক্রিয়ার কারণে ছোটখাটো Price Movement-এও EMA বেশি নড়াচড়া করতে পারে।
৫. SMA বনাম EMA — মূল পার্থক্য
বিষয়
SMA
EMA
পূর্ণরূপ
Simple Moving Average
Exponential Moving Average
Price Weight
সাধারণ গড়
সাম্প্রতিক Price বেশি গুরুত্বপূর্ণ
প্রতিক্রিয়া
তুলনামূলক ধীর
তুলনামূলক দ্রুত
Price-এর কাছে
তুলনামূলক দূরে থাকতে পারে
তুলনামূলক কাছে থাকতে পারে
ছোট Price Change
কম প্রতিক্রিয়া
বেশি প্রতিক্রিয়া
Trend Analysis
খুব জনপ্রিয়
খুব জনপ্রিয়
Short-term Movement
ব্যবহার করা যায়
বিশেষভাবে জনপ্রিয়
Long-term Trend
SMA ৫০/২০০ জনপ্রিয়
EMA-ও ব্যবহার করা যায়
৬. একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: Period একই হলেও ফল একই নয়
ধরুন চার্টে আপনি লাগালেন:
SMA ২০
এবং
EMA ২০
দুটির Period-ই ২০।
তারপরও দুটি Line একই হবে না।
কারণ:
SMA ২০ → ২০ Period-এর সাধারণ Average
EMA ২০ → ২০ Period-এর Weighted Average, যেখানে সাম্প্রতিক Price বেশি গুরুত্ব পায়
ফলে:
একই Period ≠ একই Line
৭. EMA কেন Price-এর কাছাকাছি থাকতে পারে?
ধরুন Price হঠাৎ দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে।
Price
●
●
●
●
●
EMA ─────↗
SMA ────↗
EMA সাম্প্রতিক Price-কে বেশি গুরুত্ব দেওয়ায় সাধারণত Price-এর পরিবর্তনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে পারে।
SMA তুলনামূলক ধীরে এগোয়।
৮. SMA কখন বেশি ব্যবহার করা হয়?
SMA বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি Trend বোঝার ক্ষেত্রে খুব পরিচিত।
যেমন:
SMA ৫০
Medium-term Trend পর্যবেক্ষণে।
SMA ২০০
Long-term Trend পর্যবেক্ষণে।
বিশেষ করে অনেক Analyst SMA ২০০-কে দীর্ঘমেয়াদি Market Trend-এর একটি reference হিসেবে ব্যবহার করেন।
৯. EMA কখন বেশি ব্যবহার করা হয়?
EMA সাম্প্রতিক Price-এর পরিবর্তনে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখায়।
তাই অনেক Trader/Analyst Short-term বা Medium-term Price Movement পর্যবেক্ষণে EMA ব্যবহার করেন।
উদাহরণ:
EMA ৯
EMA ১২
EMA ২১
EMA ৫০
এর মধ্যে কোন Period ব্যবহার করবেন, তা আপনার Analysis-এর উদ্দেশ্য ও Timeframe-এর ওপর নির্ভর করে।
১০. EMA ৯ কী?
EMA ৯ হলো ৯ Period-এর Exponential Moving Average।
এটি তুলনামূলক Short-term Price Movement পর্যবেক্ষণে ব্যবহার করা যায়।
Daily Chart-এ এটি সাম্প্রতিক কয়েকটি Trading Session-এর Price Behaviour-এর সঙ্গে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখাবে।
তাই খুব Short-term Price Movement-এর ক্ষেত্রে EMA ৯ একটি দ্রুত Moving Average হিসেবে দেখা যেতে পারে।
১১. EMA ২১ কী?
EMA ২১ হলো ২১ Period-এর Exponential Moving Average।
EMA ৯-এর তুলনায় এটি একটু ধীর।
কারণ এটি বেশি Period-এর Price ব্যবহার করে।
সহজভাবে:
EMA ৯ → দ্রুত
EMA ২১ → তুলনামূলক ধীর
দুটিকে একসঙ্গে ব্যবহার করলে Short-term Momentum বা Trend-এর পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করা যায়।
১২. EMA ৯ ও EMA ২১ একসঙ্গে
এটি একটি পরিচিত Moving Average setup।
চার্টে:
EMA ৯
এবং
EMA ২১
দুটি Line রাখুন।
তারপর দেখুন—
EMA ৯ উপরে
যদি EMA ৯, EMA ২১-এর ওপরে থাকে, তাহলে Short-term Price Strength-এর বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা যেতে পারে।
EMA ৯ নিচে
যদি EMA ৯, EMA ২১-এর নিচে থাকে, তাহলে Short-term Weakness-এর বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা যেতে পারে।
তবে শুধু Cross দেখেই Buy/Sell করা উচিত নয়।
১৩. EMA ৯ Cross করলে কী হয়?
ধরুন:
EMA ৯ নিচে ছিল
তারপর Price বাড়তে শুরু করল।
EMA ৯ দ্রুত উপরে উঠে:
EMA ২১-এর ওপরে চলে গেল।
এটি একটি Bullish Moving Average Crossover হিসেবে দেখা যেতে পারে।
কিন্তু এটি কোনো নিশ্চিত Buy Signal নয়।
কারণ Price আবার দ্রুত নিচে নেমে EMA ৯-কে EMA ২১-এর নিচে নিয়ে যেতে পারে।
১৪. EMA ৯ নিচে চলে গেলে?
উল্টোভাবে:
EMA ৯ → EMA ২১-এর নিচে
এটি একটি Bearish Crossover হিসেবে পর্যবেক্ষণ করা যেতে পারে।
কিন্তু এটিও নিশ্চিত Sell Signal নয়।
বিশেষ করে Sideways Market-এ বারবার Cross হতে পারে।
১৫. Sideways Market-এ সমস্যা কোথায়?
এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ।
ধরুন Price কোনো Range-এর মধ্যে ঘোরাফেরা করছে।
Price
↗↘↗↘↗↘
──────────
এখানে EMA ৯ এবং EMA ২১ বারবার একে অপরকে Cross করতে পারে।
ফলে:
Cross → BuyCross → SellCross → BuyCross → Sell
এভাবে বারবার Signal আসতে পারে।
এটাকে অনেক সময় Whipsaw ধরনের পরিস্থিতি বলা হয়।
তাই Moving Average Crossover-এর ক্ষেত্রে Market Trend ও Price Structure দেখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
১৬. SMA ২০ কীভাবে ব্যবহার করবেন?
SMA ২০ তুলনামূলক Short/Medium-term Trend বোঝার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।
ধরুন:
Price > SMA ২০
এবং SMA ২০ উপরের দিকে ঢালু।
এক্ষেত্রে Short-term Strength-এর বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা যায়।
আবার:
Price < SMA ২০
এবং SMA ২০ নিচের দিকে ঢালু।
তাহলে Short-term Weakness-এর বিষয়টি দেখা যেতে পারে।
১৭. SMA ৫০ কীভাবে ব্যবহার করবেন?
SMA ৫০ তুলনামূলক Medium-term Trend-এর একটি পরিচিত reference।
ধরুন:
Price > SMA ৫০
এবং SMA ৫০ ঊর্ধ্বমুখী।
এটি Medium-term Trend শক্তিশালী কি না, তা পর্যবেক্ষণে সাহায্য করতে পারে।
আবার Price যদি দীর্ঘ সময় SMA ৫০-এর নিচে থাকে এবং Line নিচের দিকে ঢালু হয়, তাহলে দুর্বলতার বিষয়টি বিবেচনা করা যায়।
১৮. SMA ২০০ কেন গুরুত্বপূর্ণ?
SMA ২০০ দীর্ঘমেয়াদি Trend পর্যবেক্ষণে বহুল ব্যবহৃত একটি Moving Average।
ধরুন:
Price > SMA ২০০
তাহলে Price দীর্ঘমেয়াদি Average-এর ওপরে অবস্থান করছে।
আবার:
Price < SMA ২০০
তাহলে Price দীর্ঘমেয়াদি Average-এর নিচে।
অনেক Analyst এটিকে Long-term Trend-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ reference হিসেবে দেখেন।
কিন্তু:
SMA ২০০-এর ওপরে মানেই Buy নয়।
১৯. SMA ২০ + SMA ৫০ + SMA ২০০
একটি Chart-এ তিনটি Moving Average রাখলে Trend-এর বিভিন্ন সময়ের ছবি পাওয়া যেতে পারে।
ধরুন:
SMA ২০ > SMA ৫০ > SMA ২০০
এবং তিনটি Line-ই ঊর্ধ্বমুখী।
এটি একটি শক্তিশালী Uptrend-এর সম্ভাব্য structure হিসেবে পর্যবেক্ষণ করা যেতে পারে।
আবার:
SMA ২০ < SMA ৫০ < SMA ২০০
এবং তিনটি Line-ই নিচের দিকে।
এটি Downtrend-এর সম্ভাব্য structure নির্দেশ করতে পারে।
২০. Moving Average-এর Order
সহজভাবে:
Bullish Structure
Price
↑
SMA 20
↑
SMA 50
↑
SMA 200
Bearish Structure
SMA 200
↑
SMA 50
↑
SMA 20
↑
Price
এগুলো Trend-এর একটি structure দেখায়।
তবে Price সবসময় এই সুন্দর order-এ থাকবে না।
২১. Golden Cross
Golden Cross হলো একটি পরিচিত Bullish Moving Average crossover।
সাধারণ উদাহরণ:
SMA ৫০
উপরে উঠে যায়
SMA ২০০-এর।
তখন Golden Cross-এর ধারণা আসে।
এটি Long-term Bullish Signal হিসেবে Technical Analysis-এ পরিচিত।
কিন্তু মনে রাখুন:
Golden Cross ভবিষ্যৎ Price-এর নিশ্চয়তা নয়।
২২. Death Cross
Death Cross হলো Golden Cross-এর বিপরীত ধারণা।
সাধারণ উদাহরণ:
SMA ৫০
নিচে চলে যায়
SMA ২০০-এর।
এটি Bearish Signal হিসেবে পরিচিত।
তবে এখানেও একই কথা:
Death Cross মানেই দাম নিশ্চিতভাবে কমবে—এমন নয়।
২৩. SMA বনাম EMA — কোনটি ব্যবহার করবেন?
এখানে একক কোনো উত্তর নেই।
আপনার উদ্দেশ্যের ওপর নির্ভর করে।
যদি দীর্ঘমেয়াদি Trend দেখতে চান
SMA ৫০ / SMA ২০০
ব্যবহার করতে পারেন।
যদি Short-term Price Movement দেখতে চান
EMA ৯ / EMA ২১
ব্যবহার করতে পারেন।
যদি Trend-এর বড় ছবি চান
SMA ২০০
উপকারী reference হতে পারে।
যদি Price-এর দ্রুত পরিবর্তন দেখতে চান
EMA
তুলনামূলক দ্রুত প্রতিক্রিয়া দিতে পারে।
২৪. একই Chart-এ SMA ও EMA ব্যবহার করা যায়?
অবশ্যই।
উদাহরণ:
EMA ৯EMA ২১SMA ৫০SMA ২০০
এভাবে একটি Chart-এ একাধিক Moving Average রাখা যায়।
কিন্তু নতুনদের জন্য সমস্যা হলো—
অনেক বেশি Indicator দিলে Chart আরও পরিষ্কার হওয়ার বদলে আরও জটিল হয়ে যেতে পারে।
তাই শুরুতে অল্প কয়েকটি Moving Average দিয়েই শেখা ভালো।
২৫. একটি Beginner-Friendly Setup
শেখার পর্যায়ে একটি সহজ Setup হতে পারে:
Short-term
EMA ৯
Short/Medium-term
EMA ২১
Medium-term
SMA ৫০
Long-term
SMA ২০০
এগুলো দিয়ে Price কোন সময়সীমার Trend-এর সঙ্গে কেমন আচরণ করছে তা পর্যবেক্ষণ করা যায়।
এটি কোনো নির্দিষ্ট Trading Strategy নয়—শুধু শেখার জন্য একটি সহজ কাঠামো।
২৬. Moving Average + Price Action
Moving Average-কে একা না দেখে Price Action-এর সঙ্গে দেখা ভালো।
উদাহরণ:
Price SMA ৫০-এর কাছে এলো।
এখন শুধু MA দেখে সিদ্ধান্ত নয়।
দেখুন:
Candle কী বলছে?
Support কোথায়?
Resistance কোথায়?
Volume কী করছে?
Trend কোন দিকে?
তারপর Moving Average-এর তথ্য ব্যবহার করুন।
২৭. Moving Average + Volume
আগের অধ্যায়গুলোতে আমরা Volume শিখেছি।
এখন দুটো একসঙ্গে ব্যবহার করা যাক।
ধরুন:
Price SMA ৫০-এর ওপরে Breakout করল।
একই সময়ে Volume বেড়ে গেল।
তাহলে Price Movement এবং Volume-এর relationship পর্যবেক্ষণ করা যায়।
এখানে Volume Confirmation-এর ধারণাটিও কাজে আসে।
অর্থাৎ:
Moving Average একটি তথ্য দিচ্ছে, Volume আরেকটি তথ্য দিচ্ছে—দুটিকে একসঙ্গে পড়ুন।
২৮. Moving Average + Support
ধরুন একটি শেয়ার Uptrend-এ।
Price SMA ৫০-এর কাছে এসে আবার উপরে উঠছে।
একই জায়গায় একটি পুরোনো Support-ও রয়েছে।
এখন:
Support+Moving Average+Price Reaction
তিনটি বিষয় একসঙ্গে পাওয়া গেল।
এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ Technical Area হতে পারে।
তবে এখান থেকেও নিশ্চিতভাবে Price কোথায় যাবে বলা যায় না।
২৯. Moving Average + Resistance
উল্টোভাবে Downtrend-এ Price কোনো Moving Average-এর কাছে উঠে আবার নিচে নেমে যেতে পারে।
যদি সেই জায়গায় একটি পুরোনো Resistance-ও থাকে, তাহলে দুটি Technical Level একসঙ্গে পাওয়া যায়।
এটি Price Reaction পর্যবেক্ষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
৩০. Moving Average-এর সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা
Moving Average অতীত Price-এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
তাই এটি:
Lagging Indicator
অর্থাৎ Price Movement হওয়ার পরে Moving Average অনেক সময় তার প্রতিক্রিয়া দেখায়।
উদাহরণ:
Price হঠাৎ ১০০ থেকে ১২০।
Moving Average সঙ্গে সঙ্গে ১২০ হয়ে যাবে না।
কারণ তার হিসাবের মধ্যে আগের Price-গুলোও রয়েছে।
৩১. EMA-এর সীমাবদ্ধতাও আছে
EMA দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখায়।
এটি সুবিধা।
কিন্তু একই সঙ্গে অসুবিধাও হতে পারে।
কারণ ছোটখাটো Price Movement-এ EMA দ্রুত Cross করতে পারে।
বিশেষ করে:
Sideways Market
এতে অনেক False Signal তৈরি হতে পারে।
তাই দ্রুত মানেই সবসময় ভালো নয়।
৩২. SMA বনাম EMA — একটি বাস্তব উদাহরণ
ধরুন DSE-এর একটি শেয়ারে হঠাৎ Price বাড়তে শুরু করল।
তখন:
EMA ৯ দ্রুত উপরের দিকে ঘুরে গেল।
কিন্তু:
SMA ৫০ এখনও ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হচ্ছে।
এখানে দুটো ভিন্ন সময়ের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।
EMA ৯ → Short-term movement
SMA ৫০ → Medium-term Trend
অর্থাৎ দুটোকে একে অপরের বিকল্প না ভেবে ভিন্ন উদ্দেশ্যের Tool হিসেবে দেখা বেশি উপকারী।
৩৩. Moving Average পড়ার Golden Rule
এই অধ্যায়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম:
Moving Average-এর Line কোথায় আছে তার চেয়ে Price, Line-এর সঙ্গে কীভাবে আচরণ করছে সেটিও দেখুন।
অর্থাৎ:
Price-এর অবস্থান+MA-এর Direction+MA-এর Period+Price Reaction+Volume
সব মিলিয়ে Context তৈরি করুন।
❌ ৩৪. নতুনদের ৭টি সাধারণ ভুল
১. EMA Cross দেখেই Buy
ভুল।
২. Death Cross দেখেই Sell
ভুল।
৩. Price SMA ২০০-এর ওপরে = Buy
ভুল।
৪. Price SMA ২০০-এর নিচে = Sell
ভুল।
৫. একই সঙ্গে ৮–১০টি MA ব্যবহার
শেখার সময় অপ্রয়োজনীয় জটিলতা তৈরি করতে পারে।
৬. Sideways Market-এ Crossover-কে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া
এতে False Signal হতে পারে।
৭. Moving Average-কে ভবিষ্যৎ Price Predictor ভাবা
Moving Average মূলত অতীত Price Data থেকে Trend বুঝতে সাহায্য করে।
🧠 ৩৫. এক মিনিটে SMA বনাম EMA
মনে রাখুন:
SMA = সাধারণ Average
EMA = সাম্প্রতিক Price-কে বেশি গুরুত্ব দেয়
EMA সাধারণত দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখায়
SMA সাধারণত তুলনামূলক Smooth
EMA ৯/২১ → Short-term movement পর্যবেক্ষণ
SMA ৫০ → Medium-term Trend
SMA ২০০ → Long-term Trend
Golden Cross → Bullish MA crossover-এর পরিচিত উদাহরণ
Death Cross → Bearish MA crossover-এর পরিচিত উদাহরণ
কোনোটিই নিশ্চিত Buy/Sell Signal নয়।
📊 ৩৬. Quick Reference
Moving Average
সাধারণ ব্যবহার
EMA ৯
দ্রুত Short-term movement
EMA ২১
Short/Medium-term movement
SMA ২০
Short/Medium-term Trend
SMA ৫০
Medium-term Trend
SMA ২০০
Long-term Trend
SMA ৫০ + SMA ২০০
Long-term crossover analysis
EMA ৯ + EMA ২১
Short-term crossover analysis
✍️ Practical Exercise
DSEPLEX-এর কোনো একটি Stock Chart খুলুন।
এবার চার্টে রাখুন:
EMA ৯EMA ২১SMA ৫০SMA ২০০
তারপর নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর নিজে বের করুন।
প্রশ্ন ১
Price বর্তমানে কোন Moving Average-এর ওপরে?
প্রশ্ন ২
কোন Moving Average সবচেয়ে দ্রুত Price-এর সঙ্গে নড়ছে?
প্রশ্ন ৩
EMA ৯ কি EMA ২১-এর ওপরে নাকি নিচে?
প্রশ্ন ৪
SMA ৫০-এর Slope কোন দিকে?
প্রশ্ন ৫
Price SMA ২০০-এর ওপরে নাকি নিচে?
প্রশ্ন ৬
কোনো Moving Average-এর কাছে Price বারবার Reaction দিচ্ছে কি?
প্রশ্ন ৭
Moving Average Cross-এর সময় Volume কী করেছিল?
শেষ প্রশ্নটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
কারণ এখান থেকেই আপনি পরবর্তী পর্যায়ে Moving Average + Volume + Price Action একসঙ্গে পড়তে শিখবেন।
92
1
পড়ুন →
platform guide
07 Oct, 2026
Advanced Screener: ফিল্টার করে কীভাবে আপনার স্ট্র্যাটেজি অনুযায়ী শেয়ার খুঁজবেন?
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (DSE) বর্তমানে প্রায় ৪০০-এর বেশি কোম্পানি এবং মিউচুয়াল ফান্ড তালিকাভুক্ত রয়েছে। এখন ধরুন, আপনার এমন কিছু শেয়ার দরকার যাদের P/E রেশিও ১৫ এর নিচে, যারা নিয়মিত ডিভিডেন্ড দেয় এবং যাদের আজকের ভলিউম অনেক বেশি।
৪০০টি কোম্পানির ডেটা ম্যানুয়ালি ঘেঁটে এই শর্তগুলো পূরণ করে এমন শেয়ার বের করাটা খড়ের গাদায় সুঁচ খোঁজার মতোই কঠিন! কিন্তু এই অসাধ্য কাজটি কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে করে দিতে পারে DSEPlex-এর Advanced Screener (অ্যাডভান্সড স্ক্রিনার)।
Advanced Screener কী? স্ক্রিনার হলো এমন একটি স্মার্ট টুল যেখানে আপনি আপনার নিজস্ব স্ট্র্যাটেজি বা শর্ত (Parameters) সেট করে দিলে, টুলটি পুরো মার্কেট স্ক্যান করে শুধুমাত্র সেই শেয়ারগুলোই আপনার সামনে এনে দিবে যেগুলো আপনার শর্তগুলো পূরণ করে।
কী ধরনের ফিল্টার বা শর্ত আপনি সেট করতে পারবেন?
১. ফান্ডামেন্টাল ফিল্টার (Fundamental Filters): আপনি যদি লং-টার্ম বিনিয়োগকারী হন, তবে ফান্ডামেন্টাল ডেটা দিয়ে স্ক্রিনিং করতে পারেন। যেমন:
EPS (আয়) ৫ টাকার বেশি হতে হবে।
P/E রেশিও (Price to Earnings) ১০ থেকে ১৫ এর মধ্যে হতে হবে।
Dividend Yield (লভ্যাংশ হার) ৫% এর বেশি হতে হবে।
২. টেকনিক্যাল ও প্রাইস ফিল্টার (Technical Filters): আপনি যদি শর্ট-টার্ম বা ডে-ট্রেডার হন, তবে টেকনিক্যাল ডেটা দিয়ে ফিল্টার করতে পারেন। যেমন:
শেয়ারের দাম ৫০ টাকা থেকে ১০০ টাকার মধ্যে হতে হবে।
আজকের ভলিউম (Volume) ১ মিলিয়নের বেশি হতে হবে।
RSI (Relative Strength Index) ৫০ থেকে ৭০ এর ভেতর থাকতে হবে।
কীভাবে ব্যবহার করবেন?
সাইডবার মেনু থেকে '🔍 Adv. Screener'-এ ক্লিক করুন।
আপনার স্ক্রিনে অনেকগুলো ড্রপডাউন এবং স্লাইডার ফিল্টার দেখতে পাবেন।
আপনার ট্রেডিং প্ল্যান অনুযায়ী শর্তগুলো (যেমন: P/E, EPS, Volume ইত্যাদি) ইনপুট দিন।
নিচে সাথে সাথেই ফিল্টার করা শেয়ারের তালিকা চলে আসবে। ৪০০ শেয়ার থেকে কমে হয়তো আপনার সামনে মাত্র ১০-১২টি সেরা শেয়ারের লিস্ট আসবে, যেগুলো নিয়ে আপনি ফার্দার এনালাইসিস করতে পারবেন।
এভাবে স্ক্রিনার ব্যবহার করে আপনি প্রতিদিন আপনার রিসার্চের কয়েক ঘণ্টা সময় বাঁচাতে পারেন।
স্ক্রিনার দিয়ে তো সেরা শেয়ার বের করলেন, কিন্তু পুরো বাজারের সামগ্রিক মুড বা সেন্টিমেন্ট আজ কেমন—তা এক পলকে বুঝবেন কীভাবে?
পরবর্তী আর্টিকেলে আমরা শিখবো— Market Heatmap: কালার কোড দেখে পুরো বাজারের সেন্টিমেন্ট কীভাবে বুঝবেন?
3
পড়ুন →